নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

মাত্র ৩৫ শতাংশ শেয়ার নিয়ে রাজশাহীতে ১০ তলা একটি ভবন দখল করেছিলেন সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী। ভবনটির নাম থিম ওমর প্লাজা। রাজশাহী নিউমার্কেটের সামনের এই ভবনের প্রথম থেকে সপ্তম তলা পর্যন্ত শপিং মল। আর অষ্টম থেকে দশম তলা পর্যন্ত অ্যাপার্টমেন্ট।
থিম রিয়েল এস্টেট নামের একটি লিমিটেড কোম্পানি করে ফারুক চৌধুরীর ৩০ কাঠা জমির ওপর ভবনটি নির্মাণ করা হয়। কোম্পানি গঠনের সময় ওমর ফারুক চৌধুরীর ৩৫ শতাংশ এবং থিম রিয়েল এস্টেট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের মালিকানা নির্ধারণ করা হয় ২৫ শতাংশ। ২০ শতাংশ করে বাকি ৪০ শতাংশ ছিল অন্য দুই অংশীদারের। তবে ভবন নির্মাণের পর সবাইকে বিতাড়িত করে সবই দখল করেছিলেন ফারুক চৌধুরী। সরকারের পতনের পর বিষয়টি সামনে এসেছে। এ নিয়ে পুরোনো মামলা সম্প্রতি সচল হয়েছে।
ওমর ফারুক চৌধুরী ছিলেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের টানা চারবারের এমপি। ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াই করে ভবন উদ্ধার করতে পারেননি অন্য অংশীদারেরা। মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালে একটি মামলা করলেও ফারুক চৌধুরী প্রভাব খাটিয়ে এত দিন সেই মামলার কার্যক্রম বন্ধ করে রেখেছিলেন। সম্প্রতি আদালত স্থগিতাদেশ ‘ভ্যাকেট’ করে মামলার কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ওই জমির বিপরীতে একটি ব্যাংক থেকে আগেই প্রায় ৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন ওমর ফারুক চৌধুরী। বিষয়টি গোপন রেখে ২০১১ সালে থিম রিয়েল এস্টেটের সঙ্গে ভবন নির্মাণের চুক্তি করেন তিনি। ২০১২ সালে ভবনের কাজ শুরু হয়। কিন্তু নির্মাণ শুরুর পর শর্তানুযায়ী টাকা দিচ্ছিলেন না ওমর ফারুক চৌধুরী। ফলে কাজ শেষ করতে কোম্পানি প্রিমিয়ার ব্যাংকের ঢাকার ধানমন্ডি শাখা থেকে প্রকল্পটির ওপর ২০১৫ সালের আগস্টে ২৬ কোটি টাকা ঋণ নেয়। এরপর ২০১৮ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। নির্মাণ শেষ হতেই নিজের আসল রূপ দেখান ফারুক চৌধুরী। কোম্পানির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বের করে দিয়ে ভবন দখল করেন তিনি। নিজেকে ঘোষণা করেন ভবনের একক মালিক। তিনি প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের টাকাও শোধ করেননি।
নথি থেকে জানা যায়, ২৬ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান থাকার সময় ১৫ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। তবে ২০১৮ সালে ভবনটি দখল হওয়ার পরে আর একটি টাকাও ব্যাংককে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সুদ-আসলে ঋণের পরিমাণ ২১ কোটি ৫১ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯৬ টাকা ৫০ পয়সা। এই টাকা পরিশোধে সর্বশেষ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। টাকা পরিশোধ করা না হলে বিধি অনুযায়ী ভবন নিলামে তোলা হবে বলেও জানানো হয়েছে এতে।
কীভাবে ভবন দখল হয়—এ বিষয়ে জানতে চাইলে থিম রিয়েল এস্টেট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালের মে মাসে ঈদের আগে তিনি রাজশাহী থেকে ঢাকায় যান। যাওয়ার পরদিন শুনতে পান, ফারুক চৌধুরীর লোকজন গিয়ে কোম্পানির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বের করে দিয়ে নিজেকে ভবনের একক মালিক ঘোষণা করেছেন। এই ভবনের মালিকানা দাবি করে কেউ এলে আর ফিরে যেতে পারবে না বলেও তিনি হুমকি দিয়েছেন। প্রাণের ভয়ে তাঁরা আর যেতে পারেননি।
মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ২০১৮ সালেই ভবনের আনুমানিক মূল্য ছিল ১০০ কোটি টাকা। ৩৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হিসেবে ফারুক চৌধুরীর বিনিয়োগ ধরা যায় ৩৫ কোটি। কিন্তু ফারুক চৌধুরী দোকান ও অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির একটি টাকাও তাঁদের দেননি। এখন পর্যন্ত কোনো দোকানের ভাড়াও তাঁরা পাননি।
মোস্তাফিজুর রহমান ওই ভবন থেকে বিতাড়িত হলেও সম্প্রতি প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে ঋণ পরিশোধের নোটিশ পেয়েছেন। তিনি জানান, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভবনটি নিলামে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জানতে চাইলে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ধানমন্ডি জোনের সদ্য সাবেক ব্যবস্থাপক হাসিবুল আসাদ বলেন, ‘সম্প্রতি আমি প্রিমিয়ার ব্যাংক ছেড়ে অন্যত্র জয়েন করেছি। সর্বশেষ যতটুকু জানি, থিম ওমর প্লাজা নিলামের শেষ পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। ঋণ পরিশোধ না করায় এ সিদ্ধান্ত।’
বেয়াই বাড়িতে ফারুক চৌধুরী?
ফারুক চৌধুরীর বড় মেয়ে নাফিজা হক চৌধুরীর শ্বশুর জামালপুরের সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থবিষয়ক সম্পাদক রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মিল্লাতের ছেলে ও ফারুক চৌধুরীর জামাতা শাহাদাত বিন জামান শোভন বর্তমানে রাজশাহীর এই পলাতক নেতার ব্যবসা ও সম্পত্তির দেখভাল করছেন বলে জানা গেছে। ফারুক চৌধুরীর ব্যবসায়িক অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, ঢাকার গুলশানে বেয়াই বাড়িতেই সপরিবারে লুকিয়ে আছেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। এ বিষয়ে জানতে শাহাদাত বিন জামান শোভনকে ফোন করে পরিচয় দিলেই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

মাত্র ৩৫ শতাংশ শেয়ার নিয়ে রাজশাহীতে ১০ তলা একটি ভবন দখল করেছিলেন সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী। ভবনটির নাম থিম ওমর প্লাজা। রাজশাহী নিউমার্কেটের সামনের এই ভবনের প্রথম থেকে সপ্তম তলা পর্যন্ত শপিং মল। আর অষ্টম থেকে দশম তলা পর্যন্ত অ্যাপার্টমেন্ট।
থিম রিয়েল এস্টেট নামের একটি লিমিটেড কোম্পানি করে ফারুক চৌধুরীর ৩০ কাঠা জমির ওপর ভবনটি নির্মাণ করা হয়। কোম্পানি গঠনের সময় ওমর ফারুক চৌধুরীর ৩৫ শতাংশ এবং থিম রিয়েল এস্টেট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের মালিকানা নির্ধারণ করা হয় ২৫ শতাংশ। ২০ শতাংশ করে বাকি ৪০ শতাংশ ছিল অন্য দুই অংশীদারের। তবে ভবন নির্মাণের পর সবাইকে বিতাড়িত করে সবই দখল করেছিলেন ফারুক চৌধুরী। সরকারের পতনের পর বিষয়টি সামনে এসেছে। এ নিয়ে পুরোনো মামলা সম্প্রতি সচল হয়েছে।
ওমর ফারুক চৌধুরী ছিলেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের টানা চারবারের এমপি। ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াই করে ভবন উদ্ধার করতে পারেননি অন্য অংশীদারেরা। মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালে একটি মামলা করলেও ফারুক চৌধুরী প্রভাব খাটিয়ে এত দিন সেই মামলার কার্যক্রম বন্ধ করে রেখেছিলেন। সম্প্রতি আদালত স্থগিতাদেশ ‘ভ্যাকেট’ করে মামলার কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ওই জমির বিপরীতে একটি ব্যাংক থেকে আগেই প্রায় ৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন ওমর ফারুক চৌধুরী। বিষয়টি গোপন রেখে ২০১১ সালে থিম রিয়েল এস্টেটের সঙ্গে ভবন নির্মাণের চুক্তি করেন তিনি। ২০১২ সালে ভবনের কাজ শুরু হয়। কিন্তু নির্মাণ শুরুর পর শর্তানুযায়ী টাকা দিচ্ছিলেন না ওমর ফারুক চৌধুরী। ফলে কাজ শেষ করতে কোম্পানি প্রিমিয়ার ব্যাংকের ঢাকার ধানমন্ডি শাখা থেকে প্রকল্পটির ওপর ২০১৫ সালের আগস্টে ২৬ কোটি টাকা ঋণ নেয়। এরপর ২০১৮ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। নির্মাণ শেষ হতেই নিজের আসল রূপ দেখান ফারুক চৌধুরী। কোম্পানির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বের করে দিয়ে ভবন দখল করেন তিনি। নিজেকে ঘোষণা করেন ভবনের একক মালিক। তিনি প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের টাকাও শোধ করেননি।
নথি থেকে জানা যায়, ২৬ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান থাকার সময় ১৫ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। তবে ২০১৮ সালে ভবনটি দখল হওয়ার পরে আর একটি টাকাও ব্যাংককে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সুদ-আসলে ঋণের পরিমাণ ২১ কোটি ৫১ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯৬ টাকা ৫০ পয়সা। এই টাকা পরিশোধে সর্বশেষ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। টাকা পরিশোধ করা না হলে বিধি অনুযায়ী ভবন নিলামে তোলা হবে বলেও জানানো হয়েছে এতে।
কীভাবে ভবন দখল হয়—এ বিষয়ে জানতে চাইলে থিম রিয়েল এস্টেট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালের মে মাসে ঈদের আগে তিনি রাজশাহী থেকে ঢাকায় যান। যাওয়ার পরদিন শুনতে পান, ফারুক চৌধুরীর লোকজন গিয়ে কোম্পানির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বের করে দিয়ে নিজেকে ভবনের একক মালিক ঘোষণা করেছেন। এই ভবনের মালিকানা দাবি করে কেউ এলে আর ফিরে যেতে পারবে না বলেও তিনি হুমকি দিয়েছেন। প্রাণের ভয়ে তাঁরা আর যেতে পারেননি।
মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ২০১৮ সালেই ভবনের আনুমানিক মূল্য ছিল ১০০ কোটি টাকা। ৩৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হিসেবে ফারুক চৌধুরীর বিনিয়োগ ধরা যায় ৩৫ কোটি। কিন্তু ফারুক চৌধুরী দোকান ও অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির একটি টাকাও তাঁদের দেননি। এখন পর্যন্ত কোনো দোকানের ভাড়াও তাঁরা পাননি।
মোস্তাফিজুর রহমান ওই ভবন থেকে বিতাড়িত হলেও সম্প্রতি প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে ঋণ পরিশোধের নোটিশ পেয়েছেন। তিনি জানান, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভবনটি নিলামে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জানতে চাইলে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ধানমন্ডি জোনের সদ্য সাবেক ব্যবস্থাপক হাসিবুল আসাদ বলেন, ‘সম্প্রতি আমি প্রিমিয়ার ব্যাংক ছেড়ে অন্যত্র জয়েন করেছি। সর্বশেষ যতটুকু জানি, থিম ওমর প্লাজা নিলামের শেষ পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। ঋণ পরিশোধ না করায় এ সিদ্ধান্ত।’
বেয়াই বাড়িতে ফারুক চৌধুরী?
ফারুক চৌধুরীর বড় মেয়ে নাফিজা হক চৌধুরীর শ্বশুর জামালপুরের সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থবিষয়ক সম্পাদক রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মিল্লাতের ছেলে ও ফারুক চৌধুরীর জামাতা শাহাদাত বিন জামান শোভন বর্তমানে রাজশাহীর এই পলাতক নেতার ব্যবসা ও সম্পত্তির দেখভাল করছেন বলে জানা গেছে। ফারুক চৌধুরীর ব্যবসায়িক অংশীদার মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, ঢাকার গুলশানে বেয়াই বাড়িতেই সপরিবারে লুকিয়ে আছেন সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। এ বিষয়ে জানতে শাহাদাত বিন জামান শোভনকে ফোন করে পরিচয় দিলেই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে