বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশু কেনাবেচা। পৌরসভার বনানী সুলতানগঞ্জ হাটে ভিড় করছেন ক্রেতারা। এর মধ্যে ‘সুন্দর’ নামে গোলাপি রঙের আলভিনো বাফেলো জাতের একটি মহিষকে ঘিরে সবার মাঝে বেশ আগ্রহ দেখা গেছে।
আজ শুক্রবার সরেজমিনে পৌরসভার বনানী সুলতানগঞ্জ হাটে গিয়ে দেখা যায়, গোলাপি রঙের ওই মহিষকে ঘিরে রেখেছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। মহিষটিকে দেখার জন্য অনেকেই হাটে আসছেন। শখ করে এই মহিষের নাম রাখা হয়েছে ‘সুন্দর’। সুন্দরের মালিকের নাম আরমান বাদশা। তিনি নওগাঁ সদরের মুক্তির মোড় এলাকার বাসিন্দা। সুন্দর নামের এই মহিষটিকে হাটে নিয়ে এসেছেন আরমান বাদশার ভাতিজা নাফি ও শ্যালক খন্দকার রিহাত আহম্মেদ। তারা জানান, বিক্রির জন্য নওগাঁ থেকে সুন্দরকে সুলতানগঞ্জ হাটে নিয়ে আসা হয়েছে। এর দাম হাঁকা হয়েছে চার লাখ টাকা।
গোলাপি মহিষ দেখতে হাটে আসা আব্দুল খালেক নামের এক যুবক জানান, এর আগে তিনি গোলাপি রঙের মহিষ দেখেননি। গোলাপি রঙের মহিষ দেখে তিনি অনেক খুশি।
মুঠোফোনে সুন্দরের মালিক আরমান বাদশা জানান, এক বছর আট মাস আগে পাবনা জেলার এক খামারির কাছ থেকে তিনি দুই লাখ টাকা দিয়ে মহিষটিকে কেনেন। ওই সময় মহিষটি বাচ্চা ছিল। শখ করে গোলাপি রঙের এই মহিষটি কেনেন তিনি। পরে নিজ খামারে লালনপালন করেন। এবার কোরবানির হাটে মহিষটিকে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে, নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দর’। মহিষের নামকরণ করেন তার স্ত্রী।
আরমান বাদশা জানান, সুন্দরকে প্রতিদিন ঘাস, খৈল, ভুসি, খড়, ভাতসহ দেশীয় খাবার খাওয়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়নি। দিনে দুইবার গোসল করানো হয়েছে। সুন্দরের উচ্চতা ৪ ফুট ও দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় ফুট। ওজন হবে প্রায় ১৫ মণ। চার লাখ টাকা দাম পাওয়া গেলে বিক্রি করা হবে।
আরমান বাদশার স্ত্রী তাসনিম সুলতানা জানান, মহিষটি দেখতে অনেক সুন্দর। এ কারণে এবার কোরবানির বাজারে তোলার সময় ওই মহিষের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দর’।

বগুড়ায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশু কেনাবেচা। পৌরসভার বনানী সুলতানগঞ্জ হাটে ভিড় করছেন ক্রেতারা। এর মধ্যে ‘সুন্দর’ নামে গোলাপি রঙের আলভিনো বাফেলো জাতের একটি মহিষকে ঘিরে সবার মাঝে বেশ আগ্রহ দেখা গেছে।
আজ শুক্রবার সরেজমিনে পৌরসভার বনানী সুলতানগঞ্জ হাটে গিয়ে দেখা যায়, গোলাপি রঙের ওই মহিষকে ঘিরে রেখেছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। মহিষটিকে দেখার জন্য অনেকেই হাটে আসছেন। শখ করে এই মহিষের নাম রাখা হয়েছে ‘সুন্দর’। সুন্দরের মালিকের নাম আরমান বাদশা। তিনি নওগাঁ সদরের মুক্তির মোড় এলাকার বাসিন্দা। সুন্দর নামের এই মহিষটিকে হাটে নিয়ে এসেছেন আরমান বাদশার ভাতিজা নাফি ও শ্যালক খন্দকার রিহাত আহম্মেদ। তারা জানান, বিক্রির জন্য নওগাঁ থেকে সুন্দরকে সুলতানগঞ্জ হাটে নিয়ে আসা হয়েছে। এর দাম হাঁকা হয়েছে চার লাখ টাকা।
গোলাপি মহিষ দেখতে হাটে আসা আব্দুল খালেক নামের এক যুবক জানান, এর আগে তিনি গোলাপি রঙের মহিষ দেখেননি। গোলাপি রঙের মহিষ দেখে তিনি অনেক খুশি।
মুঠোফোনে সুন্দরের মালিক আরমান বাদশা জানান, এক বছর আট মাস আগে পাবনা জেলার এক খামারির কাছ থেকে তিনি দুই লাখ টাকা দিয়ে মহিষটিকে কেনেন। ওই সময় মহিষটি বাচ্চা ছিল। শখ করে গোলাপি রঙের এই মহিষটি কেনেন তিনি। পরে নিজ খামারে লালনপালন করেন। এবার কোরবানির হাটে মহিষটিকে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে, নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দর’। মহিষের নামকরণ করেন তার স্ত্রী।
আরমান বাদশা জানান, সুন্দরকে প্রতিদিন ঘাস, খৈল, ভুসি, খড়, ভাতসহ দেশীয় খাবার খাওয়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়নি। দিনে দুইবার গোসল করানো হয়েছে। সুন্দরের উচ্চতা ৪ ফুট ও দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় ফুট। ওজন হবে প্রায় ১৫ মণ। চার লাখ টাকা দাম পাওয়া গেলে বিক্রি করা হবে।
আরমান বাদশার স্ত্রী তাসনিম সুলতানা জানান, মহিষটি দেখতে অনেক সুন্দর। এ কারণে এবার কোরবানির বাজারে তোলার সময় ওই মহিষের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুন্দর’।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
৫ ঘণ্টা আগে