নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় জেলায় ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এতে রাজশাহীতে এখন তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে।
আবহাওয়া অফিসের হিসাবে, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভেতরে থাকলে মৃদু তাপপ্রবাহ ধরা হয়। আর ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যের তাপমাত্রাকে ধরা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ হিসেবে। আর ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠলে তা তীব্র তাপপ্রবাহ।
রাজশাহীতে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই ভেঙেছে আগের দিনের রেকর্ড এবং এটিই হয়েছে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গত পাঁচ দিন ধরে রাজশাহীতে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলছিল। আজ তা তীব্র তাপপ্রবাহে রূপ নিয়েছে।
রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক আবদুস সালাম জানান, আজ ভোর ৬টায় রাজশাহীর তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর বেলা ৩টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই এখন পর্যন্ত মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে তাপপ্রবাহের কারণে সূর্য ওঠার পরই রাজশাহীর পথঘাট তেতে উঠছে। পদ্মার ধু ধু বালুচরের দিক থেকে বয়ে আসছে তপ্ত হাওয়া। এমন আবহাওয়ায় সহজেই ক্লান্ত হয়ে উঠছেন মানুষ। প্রখর রোদ মাথায় নিয়ে মাঠে কাজ করছেন কৃষকেরা। অন্যদিকে এই উত্তাপের মধ্যেও ঈদের বাজারের দিকে ছুটছে মানুষ। তবে গরমের কারণে কেনাকাটা করে স্বস্তি পাচ্ছেন না কেউ কেউ।
আবহাওয়া দপ্তরেও নেই স্বস্তির খবর। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। সারা দেশেই দিন এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

রাজশাহীর তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় জেলায় ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এতে রাজশাহীতে এখন তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে।
আবহাওয়া অফিসের হিসাবে, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভেতরে থাকলে মৃদু তাপপ্রবাহ ধরা হয়। আর ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যের তাপমাত্রাকে ধরা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ হিসেবে। আর ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠলে তা তীব্র তাপপ্রবাহ।
রাজশাহীতে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই ভেঙেছে আগের দিনের রেকর্ড এবং এটিই হয়েছে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গত পাঁচ দিন ধরে রাজশাহীতে মাঝারি তাপপ্রবাহ চলছিল। আজ তা তীব্র তাপপ্রবাহে রূপ নিয়েছে।
রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক আবদুস সালাম জানান, আজ ভোর ৬টায় রাজশাহীর তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর বেলা ৩টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই এখন পর্যন্ত মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে তাপপ্রবাহের কারণে সূর্য ওঠার পরই রাজশাহীর পথঘাট তেতে উঠছে। পদ্মার ধু ধু বালুচরের দিক থেকে বয়ে আসছে তপ্ত হাওয়া। এমন আবহাওয়ায় সহজেই ক্লান্ত হয়ে উঠছেন মানুষ। প্রখর রোদ মাথায় নিয়ে মাঠে কাজ করছেন কৃষকেরা। অন্যদিকে এই উত্তাপের মধ্যেও ঈদের বাজারের দিকে ছুটছে মানুষ। তবে গরমের কারণে কেনাকাটা করে স্বস্তি পাচ্ছেন না কেউ কেউ।
আবহাওয়া দপ্তরেও নেই স্বস্তির খবর। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। সারা দেশেই দিন এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৬ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে