পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার বেড়া উপজেলায় এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মোজাহার মোল্লা (৭২)। অভিযোগ উঠেছে তাঁর নাতির সঙ্গে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বেড়া পৌর সদরের বড় পায়না মহল্লায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একই এলাকার ফজর আলী মোল্লাকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মোজাহার মোল্লা ওই মহল্লার মৃত হারুন মোল্লার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল বুধবার বিকেলে মোজাহার মোল্লার নাতির সঙ্গে তার সহপাঠীর ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিদ্যালয়ে কথা–কাটাকাটি হয়। সেখানে শিক্ষকেরা তাদের ঝামেলা মিটিয়ে দেন। তারা দুজনই বেড়া এম এ উচ্চবিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র।
নিহতের ছোট ছেলে জাহিদ মোল্লা বলেন, ‘গতকাল বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল তার ভাইয়ের ছেলেরা। এ সময় তার ভাতিজার সহপাঠী ও তাদের পক্ষের লোকজন তাদের মারধর করে। এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলে স্থানীয় কাউন্সিলর ও পুলিশ গিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়ে তাদের থামিয়ে দেয়।’
এর মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ওই পক্ষের লোকজন তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তার বাবা মোজাহার মোল্লা তাদের নিষেধ করতে গেলে কাঠের বাটাম দিয়ে ঘাড়ে আঘাত করে হামলাকারীরা। আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া হামলায় নারী-পুরুষসহ পাঁচজন আহত হন। তাদের বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হামলা জড়িতের অভিযোগে ফজর আলী মোল্লাকে আটক করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাদিউল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই হামলায় জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পাবনার বেড়া উপজেলায় এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মোজাহার মোল্লা (৭২)। অভিযোগ উঠেছে তাঁর নাতির সঙ্গে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বেড়া পৌর সদরের বড় পায়না মহল্লায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একই এলাকার ফজর আলী মোল্লাকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।
নিহত মোজাহার মোল্লা ওই মহল্লার মৃত হারুন মোল্লার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল বুধবার বিকেলে মোজাহার মোল্লার নাতির সঙ্গে তার সহপাঠীর ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিদ্যালয়ে কথা–কাটাকাটি হয়। সেখানে শিক্ষকেরা তাদের ঝামেলা মিটিয়ে দেন। তারা দুজনই বেড়া এম এ উচ্চবিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র।
নিহতের ছোট ছেলে জাহিদ মোল্লা বলেন, ‘গতকাল বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল তার ভাইয়ের ছেলেরা। এ সময় তার ভাতিজার সহপাঠী ও তাদের পক্ষের লোকজন তাদের মারধর করে। এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলে স্থানীয় কাউন্সিলর ও পুলিশ গিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়ে তাদের থামিয়ে দেয়।’
এর মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ওই পক্ষের লোকজন তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তার বাবা মোজাহার মোল্লা তাদের নিষেধ করতে গেলে কাঠের বাটাম দিয়ে ঘাড়ে আঘাত করে হামলাকারীরা। আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া হামলায় নারী-পুরুষসহ পাঁচজন আহত হন। তাদের বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হামলা জড়িতের অভিযোগে ফজর আলী মোল্লাকে আটক করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাদিউল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই হামলায় জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে