বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের জানাজায় গিয়ে তোপের মুখে পড়েন দলটির জেলা কমিটির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অনীল কুমার সরকার। নেতা–কর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন।
আজ বৃহস্পতিবার বাঘা মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলের জানাজায় এ ঘটনা ঘটে।
জানাজায় রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অনীল কুমার সরকারকে চলে যেতে বলা হলে তিনি কাউকে কিছু না বলে চলে যান সেখান থেকে। এ বিষয়ে জানতে তাঁর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে মরহুম বাবুলকে শেষ শ্রদ্ধা ও পরিবারকে সমবেদনা জানাতে সেখানে গিয়েছিলাম। এর মধ্যে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ আমাকে কিছু বুঝে ওঠার আগে জানাজার মাঠ থেকে চলে যেতে বলে। তবে বিষয়টি দুঃখজনক। সেখান থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে এসেছি।’
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, ‘চার দিন থেকে আশরাফুল ইসলাম বাবুল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে থাকার পরও হাসপাতালে দেখতে যাননি তিনি। নেতা–কর্মীরা এ ক্ষোভ থেকে তাঁকে জানাজার মাঠ থেকে চলে যেতে বলেছেন। তাৎক্ষণিক সেখান থেকে চলে যান তিনি।’
জানাজায় রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘বাবুল হত্যার বিষয়ে গোপনে যারা মদদ দিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। হত্যাকারীদের মদদদাতা প্রত্যেকেই বিচারের আওতায় আনা হবে।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, এমপি আসাদুজ্জামান আসাদ ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু কেন জানাজায় আসেনি। তাদের সৎ সাহস নেই। তাই তারা এই জানাজায় উপস্থিত হয়নি। তাদের নামে মামলা করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।’
জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলের বড় ছেলে আশিক জাবেদ বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে পৌর মেয়র আক্কাছ আলীসহ বাবার হত্যাকারী সব আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের আওতার আনার দাবি জানাই।’
জানাজায় বাবুলের স্ত্রী বেবি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী কেমন মানুষ ছিলেন আপনারা সবাই জানেন। এই হত্যাকাণ্ডে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিচার দাবি জানাই।’

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের জানাজায় গিয়ে তোপের মুখে পড়েন দলটির জেলা কমিটির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অনীল কুমার সরকার। নেতা–কর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন।
আজ বৃহস্পতিবার বাঘা মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলের জানাজায় এ ঘটনা ঘটে।
জানাজায় রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অনীল কুমার সরকারকে চলে যেতে বলা হলে তিনি কাউকে কিছু না বলে চলে যান সেখান থেকে। এ বিষয়ে জানতে তাঁর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে মরহুম বাবুলকে শেষ শ্রদ্ধা ও পরিবারকে সমবেদনা জানাতে সেখানে গিয়েছিলাম। এর মধ্যে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ আমাকে কিছু বুঝে ওঠার আগে জানাজার মাঠ থেকে চলে যেতে বলে। তবে বিষয়টি দুঃখজনক। সেখান থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে চলে এসেছি।’
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, ‘চার দিন থেকে আশরাফুল ইসলাম বাবুল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে থাকার পরও হাসপাতালে দেখতে যাননি তিনি। নেতা–কর্মীরা এ ক্ষোভ থেকে তাঁকে জানাজার মাঠ থেকে চলে যেতে বলেছেন। তাৎক্ষণিক সেখান থেকে চলে যান তিনি।’
জানাজায় রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘বাবুল হত্যার বিষয়ে গোপনে যারা মদদ দিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। হত্যাকারীদের মদদদাতা প্রত্যেকেই বিচারের আওতায় আনা হবে।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, এমপি আসাদুজ্জামান আসাদ ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু কেন জানাজায় আসেনি। তাদের সৎ সাহস নেই। তাই তারা এই জানাজায় উপস্থিত হয়নি। তাদের নামে মামলা করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।’
জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলের বড় ছেলে আশিক জাবেদ বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে পৌর মেয়র আক্কাছ আলীসহ বাবার হত্যাকারী সব আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের আওতার আনার দাবি জানাই।’
জানাজায় বাবুলের স্ত্রী বেবি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী কেমন মানুষ ছিলেন আপনারা সবাই জানেন। এই হত্যাকাণ্ডে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিচার দাবি জানাই।’

রাজধানীর একটি হাসপাতাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) লাশটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গতকাল সোমবার রাতে নিজ বাসা থেকে হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেন মেয়ের জামাই। পরে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
৪ মিনিট আগে
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁদের মানিকগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাঁরা আদালতের বিচারক সজীব চৌধুরী তাঁদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এদিকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা
১৩ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযান চলাকালে মারা যাওয়া বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। কেননা তাঁর পরিবার ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, অভিযান চালানো সেনাসদস্যদের নির্যাতনে মারা গেছেন ডাবলু।
১৬ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জে কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকা জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানান কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ ফোরকান।
১ ঘণ্টা আগে