বাসস, ঢাকা

বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জনমত যাচাই ও আপত্তি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
ফলে বাংলাদেশে নতুন সিটি কর্পোরেশন হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে বগুড়া। জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজা স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে নাগরিকদের মতামত ও আপত্তি জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
বগুড়া পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মাসুম আলী বেগ জানান, গণবিজ্ঞপ্তি জারির পর এখন ৩০ দিনের মধ্যে কেউ চাইলে মতামত ও আপত্তি দিতে পারবে। আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য অতিরিক্ত ১৫ দিন সময় লাগবে। সব মিলিয়ে ৪৫ দিনের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি প্রাথমিক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। এরপর ১০ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গত ১০ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া পৌরসভা এলাকার ২১ টি ওয়ার্ডের মৌজাসমূহকে নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো। এ বিষয়ে কারও আপত্তি থাকলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসনের কাছে জানানোর অনুরোধ করা হলো।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বগুড়াকে সিটি কর্পোরেশনের মর্যাদা দেয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সদিচ্ছায় এই উদ্যোগ নতুন করে গতি পেয়েছে। বগুড়া সিটি করপোরেশনের স্বীকৃতি পেলে এটি হবে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন।
আওয়ামী লীগের শাসন আমলে বৈষম্যের শিকার হয়ে উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল বগুড়াবাসী। ছাত্র জনতার প্রতিরোধের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর নতুন প্রশাসনের কাছে বগুড়ার উন্নয়নের দাবি জানায় স্থানীয় জনগণ। দাবির প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বরাবর প্রস্তাবনা পেশ করেন।
বগুড়া পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভাটি ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সালে পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণীর মর্যাদা পায়। কালক্রমে এর আয়তন বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ৭৬ বর্গকিলোমিটার। এরপর ২০০৪ সালে বর্ধিত করে ৬৯ দশমিক ৫৬ বর্গকিলোমিটার করা হয়।
২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত বগুড়া পৌরসভা প্রায় ৭০ বর্গ কিলোমিটার। সিটি কর্পোরেশনের জন্য ন্যূনতম আয়তন হতে হয় কমপক্ষে ২৫ বর্গকিলোমিটার। বর্তমানে এর জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। দেশের অনেক সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় এর আয়তনে অনেক বড়।
‘ক’ শ্রেণীর এই পৌরসভাটি আয়তন বড় হলেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য পৌরসভার মতই বরাদ্দ পেয়ে থাকে। বগুড়া পৌরসভার সর্বমোট সড়কের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩৪০ কিলোমিটার। এরমধ্যে পাকা রাস্তা আছে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার। কাঁচা রাস্তা ২৮৬.৬৮ কিলোমিটার। কাঁচা রাস্তাগুলোর অধিকাংশ পৌরসভার বর্ধিত এলাকায় রয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই পৌরসভার বার্ষিক আয় ছিল ৬০ কোটি টাকারও বেশি। বগুড়া পৌর এলাকায় রয়েছে সিরামিক, হিমাগার, ২৭২টি ফাউন্ডিশিল্প, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ওষুধশিল্প (অ্যালোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক, ইউনানি ও হারবাল), অটো রাইস মিল, ফ্লাওয়ার মিল, রাইস বার্ন ওয়েল মিল, প্রাণিসম্পদ শিল্প, অক্সিজেন রিফাইনারি প্লান্ট, রিয়েলে এস্টেট শিল্প, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ চারটি সরকারি কলেজ, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলসহ দুটি সরকারি হাসপাতাল, ব্যাংক, বীমা ও শপিং মল।
গণবিজ্ঞপ্তি জারির ৪৫ দিন পর স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করে তা পাঠানো হবে মন্ত্রণালয়ে। ওই প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদনের জন্য এ প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হবে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে।
তাদের সম্মতি সাপেক্ষে সীমানা নির্ধারণ করে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রকৌশলী সাহাবুদ্দীন সৈকত বলেন, সিটি করপোরেশন বাস্তবায়িত হলে বগুড়ার শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে।
বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সাইরুল ইসলাম বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও গতিশীল হবে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম খায়রুল বাশার বলেন, ‘দীর্ঘদিন পিছিয়ে থাকা বগুড়ায় এখন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে। মূলত সিটি করপোরেশন ঘোষণা বিএনপির পরিকল্পনা ছিল। সেটাই এখন বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার ইচ্ছা করেই এই জেলার কোন উন্নয়ন করেনি। সিটি করপোরেশন হলে বগুড়া প্রাণ ফিরে পাবে।’
গণবিজ্ঞপ্তি জারির বিষয়টি উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজা জানান, সিটি করপোরেশনের সীমানা চূড়ান্ত করতে মৌজাভিত্তিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বগুড়ার সিটি কর্পোরেশন এখন সময়ের সময়ের ব্যাপার। এখন সিটি কর্পোরেশন গঠনের মাধ্যমে বঞ্চিত বগুড়ার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে ।

বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জনমত যাচাই ও আপত্তি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
ফলে বাংলাদেশে নতুন সিটি কর্পোরেশন হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে বগুড়া। জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজা স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে নাগরিকদের মতামত ও আপত্তি জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
বগুড়া পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মাসুম আলী বেগ জানান, গণবিজ্ঞপ্তি জারির পর এখন ৩০ দিনের মধ্যে কেউ চাইলে মতামত ও আপত্তি দিতে পারবে। আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য অতিরিক্ত ১৫ দিন সময় লাগবে। সব মিলিয়ে ৪৫ দিনের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি প্রাথমিক প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। এরপর ১০ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিটি করপোরেশন-২ শাখা থেকে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গত ১০ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া পৌরসভা এলাকার ২১ টি ওয়ার্ডের মৌজাসমূহকে নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো। এ বিষয়ে কারও আপত্তি থাকলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসনের কাছে জানানোর অনুরোধ করা হলো।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বগুড়াকে সিটি কর্পোরেশনের মর্যাদা দেয়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সদিচ্ছায় এই উদ্যোগ নতুন করে গতি পেয়েছে। বগুড়া সিটি করপোরেশনের স্বীকৃতি পেলে এটি হবে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন।
আওয়ামী লীগের শাসন আমলে বৈষম্যের শিকার হয়ে উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল বগুড়াবাসী। ছাত্র জনতার প্রতিরোধের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর নতুন প্রশাসনের কাছে বগুড়ার উন্নয়নের দাবি জানায় স্থানীয় জনগণ। দাবির প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বরাবর প্রস্তাবনা পেশ করেন।
বগুড়া পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভাটি ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সালে পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণীর মর্যাদা পায়। কালক্রমে এর আয়তন বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ৭৬ বর্গকিলোমিটার। এরপর ২০০৪ সালে বর্ধিত করে ৬৯ দশমিক ৫৬ বর্গকিলোমিটার করা হয়।
২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত বগুড়া পৌরসভা প্রায় ৭০ বর্গ কিলোমিটার। সিটি কর্পোরেশনের জন্য ন্যূনতম আয়তন হতে হয় কমপক্ষে ২৫ বর্গকিলোমিটার। বর্তমানে এর জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। দেশের অনেক সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় এর আয়তনে অনেক বড়।
‘ক’ শ্রেণীর এই পৌরসভাটি আয়তন বড় হলেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য পৌরসভার মতই বরাদ্দ পেয়ে থাকে। বগুড়া পৌরসভার সর্বমোট সড়কের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩৪০ কিলোমিটার। এরমধ্যে পাকা রাস্তা আছে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার। কাঁচা রাস্তা ২৮৬.৬৮ কিলোমিটার। কাঁচা রাস্তাগুলোর অধিকাংশ পৌরসভার বর্ধিত এলাকায় রয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই পৌরসভার বার্ষিক আয় ছিল ৬০ কোটি টাকারও বেশি। বগুড়া পৌর এলাকায় রয়েছে সিরামিক, হিমাগার, ২৭২টি ফাউন্ডিশিল্প, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ওষুধশিল্প (অ্যালোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক, ইউনানি ও হারবাল), অটো রাইস মিল, ফ্লাওয়ার মিল, রাইস বার্ন ওয়েল মিল, প্রাণিসম্পদ শিল্প, অক্সিজেন রিফাইনারি প্লান্ট, রিয়েলে এস্টেট শিল্প, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ চারটি সরকারি কলেজ, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলসহ দুটি সরকারি হাসপাতাল, ব্যাংক, বীমা ও শপিং মল।
গণবিজ্ঞপ্তি জারির ৪৫ দিন পর স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করে তা পাঠানো হবে মন্ত্রণালয়ে। ওই প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদনের জন্য এ প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হবে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে।
তাদের সম্মতি সাপেক্ষে সীমানা নির্ধারণ করে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রকৌশলী সাহাবুদ্দীন সৈকত বলেন, সিটি করপোরেশন বাস্তবায়িত হলে বগুড়ার শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে।
বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সাইরুল ইসলাম বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও গতিশীল হবে।
বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম খায়রুল বাশার বলেন, ‘দীর্ঘদিন পিছিয়ে থাকা বগুড়ায় এখন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে। মূলত সিটি করপোরেশন ঘোষণা বিএনপির পরিকল্পনা ছিল। সেটাই এখন বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার ইচ্ছা করেই এই জেলার কোন উন্নয়ন করেনি। সিটি করপোরেশন হলে বগুড়া প্রাণ ফিরে পাবে।’
গণবিজ্ঞপ্তি জারির বিষয়টি উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজা জানান, সিটি করপোরেশনের সীমানা চূড়ান্ত করতে মৌজাভিত্তিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বগুড়ার সিটি কর্পোরেশন এখন সময়ের সময়ের ব্যাপার। এখন সিটি কর্পোরেশন গঠনের মাধ্যমে বঞ্চিত বগুড়ার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে