নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে সরকারদলীয় নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অতিথি হতেন জার্জিস কাদির। সেই সব অনুষ্ঠানে গিয়ে সরকারের অনেক প্রশংসাসূচক বক্তৃতা করতেন। এমপি-মন্ত্রীদের অনুষ্ঠানেও তাঁকে অতিথি হতে দেখা গেছে।
কিন্তু অবসর গ্রহণের কয়েক বছর পরই বিএনপিতে যোগ দিলেন জার্জিস কাদের। কারণ জানতে চাইলে বললেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের অর্থনীতি, মানবাধিকার, শিক্ষাব্যবস্থা—সবই ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকারি চাকরিতে থাকাকালে সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলার সুযোগ ছিল না।
জার্জিস কাদির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। সবশেষ রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০১৫ সালের এপ্রিলে তিনি এই কলেজে যোগ দিয়ে ২০২০ সালের ৭ মে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শুকাশ ইউনিয়নের মৌগ্রামে। তিনি রাজশাহীতে বসবাস করলেও অবসরের পর গ্রামে যাতায়াত বেড়েছে। এলাকায় তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চান বলে প্রচার করছেন।
শনিবার (১৪ অক্টোবর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে রাজশাহী জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হাজির হন জার্জিস কাদির। এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ফুল দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয় জার্জিস কাদিরের কাছে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ১৫ বছরে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। কোটি কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। মানবাধিকার বলে দেশে কিছু নেই। শিক্ষাব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। যখন যতবার খুশি পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করা হচ্ছে। ১৫ বছর ধরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। এমনকি মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। মানুষের ভোটের অধিকার নেই। এ জন্য আমি বিএনপিতে যোগ দিয়েছি।’
এসব কথা আগে বলেননি কেন এমন প্রশ্নে জার্জিস কাদির বলেন, ‘আমার আত্মীয়স্বজন বিভিন্ন দল করে। কেউ বিএনপি, কেউ আওয়ামী লীগ করে। আমি সরকারি চাকরি করতাম। রাজনীতি করার সুযোগ ছিল না। তখন সরকারের বিপক্ষে বলারও সুযোগ ছিল না। এখন চাকরিতে নেই, বলছি।’
জার্জিস কাদিরকে নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও অতিথি হিসেবে অংশ নিতে দেখা গেছে। এমনকি অবসর গ্রহণের পরও ২০২১ সালের ২৫ মে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের এমপি এনামুল হকের মালিকানাধীন পোশাক কারখানায় এক অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশ নেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি এনামুল হক।
এখন রাজনীতিতে নিজের পরিকল্পনা জানতে চাইলে জার্জিস কাদির বলেন, ‘আপাতত বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা। এই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে অবশ্যই নাটোর-৩ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন কিনব। দল যদি মনোনয়ন দেয় তাহলে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনেও অংশ নেব। আমি তো মনে করি প্রার্থী হওয়ার মতো যোগ্যতা আমার মাঝে আছে।’
উল্লেখ্য, নিউ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেওয়ার পরপরই জার্জিস কাদিরের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন।

অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে সরকারদলীয় নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অতিথি হতেন জার্জিস কাদির। সেই সব অনুষ্ঠানে গিয়ে সরকারের অনেক প্রশংসাসূচক বক্তৃতা করতেন। এমপি-মন্ত্রীদের অনুষ্ঠানেও তাঁকে অতিথি হতে দেখা গেছে।
কিন্তু অবসর গ্রহণের কয়েক বছর পরই বিএনপিতে যোগ দিলেন জার্জিস কাদের। কারণ জানতে চাইলে বললেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের অর্থনীতি, মানবাধিকার, শিক্ষাব্যবস্থা—সবই ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকারি চাকরিতে থাকাকালে সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলার সুযোগ ছিল না।
জার্জিস কাদির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। সবশেষ রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০১৫ সালের এপ্রিলে তিনি এই কলেজে যোগ দিয়ে ২০২০ সালের ৭ মে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শুকাশ ইউনিয়নের মৌগ্রামে। তিনি রাজশাহীতে বসবাস করলেও অবসরের পর গ্রামে যাতায়াত বেড়েছে। এলাকায় তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চান বলে প্রচার করছেন।
শনিবার (১৪ অক্টোবর) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে রাজশাহী জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হাজির হন জার্জিস কাদির। এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ফুল দিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয় জার্জিস কাদিরের কাছে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ১৫ বছরে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। কোটি কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। মানবাধিকার বলে দেশে কিছু নেই। শিক্ষাব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। যখন যতবার খুশি পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করা হচ্ছে। ১৫ বছর ধরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। এমনকি মেডিকেল কলেজে ভর্তির প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। মানুষের ভোটের অধিকার নেই। এ জন্য আমি বিএনপিতে যোগ দিয়েছি।’
এসব কথা আগে বলেননি কেন এমন প্রশ্নে জার্জিস কাদির বলেন, ‘আমার আত্মীয়স্বজন বিভিন্ন দল করে। কেউ বিএনপি, কেউ আওয়ামী লীগ করে। আমি সরকারি চাকরি করতাম। রাজনীতি করার সুযোগ ছিল না। তখন সরকারের বিপক্ষে বলারও সুযোগ ছিল না। এখন চাকরিতে নেই, বলছি।’
জার্জিস কাদিরকে নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও অতিথি হিসেবে অংশ নিতে দেখা গেছে। এমনকি অবসর গ্রহণের পরও ২০২১ সালের ২৫ মে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের এমপি এনামুল হকের মালিকানাধীন পোশাক কারখানায় এক অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশ নেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি এনামুল হক।
এখন রাজনীতিতে নিজের পরিকল্পনা জানতে চাইলে জার্জিস কাদির বলেন, ‘আপাতত বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা। এই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে অবশ্যই নাটোর-৩ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন কিনব। দল যদি মনোনয়ন দেয় তাহলে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনেও অংশ নেব। আমি তো মনে করি প্রার্থী হওয়ার মতো যোগ্যতা আমার মাঝে আছে।’
উল্লেখ্য, নিউ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেওয়ার পরপরই জার্জিস কাদিরের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টাও করেছিলেন।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
১৩ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে