নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী মহানগরের তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকায় মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে বাবা আকরাম হোসেন (৫২) খুনের ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জ থেকে এ দুজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকার মৃত রতন মিয়ার ছেলে মো. বিশাল (২৮) ও মো. জামালের ছেলে মো. নাহিদ (২৫)। র্যাব-৫–এর রাজশাহীর একটি দল গতকাল রাত ১২টার দিকে রাজশাহীর বেলপুকুর রেলগেট এলাকা থেকে নাহিদকে গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া র্যাব-১২–এর সিরাজগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহাজাদপুর উপজেলার চরনাড়ুয়া এলাকা থেকে বিশালকে গ্রেপ্তার করে। আজ শুক্রবার দুপুরে র্যাব-৫–এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, এর আগে ১৮ এপ্রিল র্যাব-৫–এর একটি দল এ মামলার আসামি নান্টু (২৮) ও খোকন মিয়াকে (২৭) গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত চারজন গ্রেপ্তার হলেন। গ্রেপ্তার বিশাল ও নাহিদকে বোয়ালিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
উল্লেখ্য, নিহত আকরাম হোসেন পেশায় বাসচালক ছিলেন। তাঁর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার পর প্রতিবাদে আকরাম হোসেন বখাটেদের পরিবারের কাছে নালিশ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটেরা ১৬ এপ্রিল রাতে আকরাম হোসেন ও তাঁর ছেলে ইমাম হোসেনের ওপর হামলা করে। ঘটনার সময় আসামি বিশাল আকরামের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন। পরে আকরামের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ছেলে ইমাম হোসেন সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন।

রাজশাহী মহানগরের তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকায় মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদে বাবা আকরাম হোসেন (৫২) খুনের ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জ থেকে এ দুজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন তালাইমারী শহীদ মিনার এলাকার মৃত রতন মিয়ার ছেলে মো. বিশাল (২৮) ও মো. জামালের ছেলে মো. নাহিদ (২৫)। র্যাব-৫–এর রাজশাহীর একটি দল গতকাল রাত ১২টার দিকে রাজশাহীর বেলপুকুর রেলগেট এলাকা থেকে নাহিদকে গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া র্যাব-১২–এর সিরাজগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহাজাদপুর উপজেলার চরনাড়ুয়া এলাকা থেকে বিশালকে গ্রেপ্তার করে। আজ শুক্রবার দুপুরে র্যাব-৫–এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, এর আগে ১৮ এপ্রিল র্যাব-৫–এর একটি দল এ মামলার আসামি নান্টু (২৮) ও খোকন মিয়াকে (২৭) গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত চারজন গ্রেপ্তার হলেন। গ্রেপ্তার বিশাল ও নাহিদকে বোয়ালিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
উল্লেখ্য, নিহত আকরাম হোসেন পেশায় বাসচালক ছিলেন। তাঁর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার পর প্রতিবাদে আকরাম হোসেন বখাটেদের পরিবারের কাছে নালিশ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটেরা ১৬ এপ্রিল রাতে আকরাম হোসেন ও তাঁর ছেলে ইমাম হোসেনের ওপর হামলা করে। ঘটনার সময় আসামি বিশাল আকরামের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন। পরে আকরামের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ছেলে ইমাম হোসেন সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন।

বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আ ন ম সামসুল ইসলাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী।
১ ঘণ্টা আগে
মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপিত হয়েছে নতুন বছরের বই উৎসব। নতুন বছরে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনা মূল্যে নতুন পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে লৌহজং...
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে রাস্তার কাজের সাইটে চাঁদা চাইতে গিয়ে পিটুনির শিকার হয়েছেন এক বিএনপির কর্মী। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ২৬ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে