শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শাজাহানপুরে আরিফুল ইসলাম কাজল (৩৫) নামের এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার খড়না বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
কাজল আশেকপুর ইউনিয়নের পারতেখুর গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্তমানে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
এ ছাড়া যুবদল নেতা ফোরকান হত্যা মামলায় আসামি ছিলেন কাজল। সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই বলে জানায় থানা-পুলিশ।
জানা যায়, উপজেলার খড়না ইউনিয়নের খড়না বাজারে কাজলকে দেখে ধাওয়া করেন বিএনপির ১৫-১৬ জন নেতা-কর্মী। আত্মরক্ষার জন্য কাজল ১ কিলোমিটার দৌড়ে মাঝিড়া ইউনিয়নের ডোমনপুকুর গুচ্ছ গ্রাম পর্যন্ত যাওয়ার পর তাঁকে ধরে সেখানেই বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ ডেকে তুলে দেওয়া হয়।
বিএনপির নেতা-কর্মীরা জানান, হাসিনার শাসনামলে কাজল বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঘুম হারাম করে দিয়ে ছিলেন। একের পর এক মামলায় নাম দিয়ে পুলিশি হয়রানির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াদুদ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আরিফুল ইসলাম কাজলকে থানায় এনে রাখা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা ছিল। সেটাতে জামিনে রয়েছেন। আর কোনো মামলার খবর জানা নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে কাজলকে গ্রেপ্তারের পর শাজাহানপুর উপজেলা যুবলীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আলী ইমাম ইনোকী নিজের ফেসবুক পেজে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
তিনি লিখেছেন, ‘তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই... শাজাহানপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম কাজলকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা মারধর করে কিছুক্ষণ আগে শাজাহানপুর থানা-পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন, যা আমাদের ১৬ বছরে কোনো বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে করিনি!
কয়েক দিন আগেই কাজল মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মী, ভাই-বন্ধুদের বলব, ‘আমরা কিন্তু একই সমাজের মানুষ, কেউ অপরাধী হলে আইন তার বিচার করুক, কিন্তু আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করবেন না। আরিফুল ইসলাম কাজলের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।’

বগুড়ার শাজাহানপুরে আরিফুল ইসলাম কাজল (৩৫) নামের এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার খড়না বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
কাজল আশেকপুর ইউনিয়নের পারতেখুর গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্তমানে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
এ ছাড়া যুবদল নেতা ফোরকান হত্যা মামলায় আসামি ছিলেন কাজল। সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই বলে জানায় থানা-পুলিশ।
জানা যায়, উপজেলার খড়না ইউনিয়নের খড়না বাজারে কাজলকে দেখে ধাওয়া করেন বিএনপির ১৫-১৬ জন নেতা-কর্মী। আত্মরক্ষার জন্য কাজল ১ কিলোমিটার দৌড়ে মাঝিড়া ইউনিয়নের ডোমনপুকুর গুচ্ছ গ্রাম পর্যন্ত যাওয়ার পর তাঁকে ধরে সেখানেই বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ ডেকে তুলে দেওয়া হয়।
বিএনপির নেতা-কর্মীরা জানান, হাসিনার শাসনামলে কাজল বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঘুম হারাম করে দিয়ে ছিলেন। একের পর এক মামলায় নাম দিয়ে পুলিশি হয়রানির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াদুদ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আরিফুল ইসলাম কাজলকে থানায় এনে রাখা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা ছিল। সেটাতে জামিনে রয়েছেন। আর কোনো মামলার খবর জানা নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে কাজলকে গ্রেপ্তারের পর শাজাহানপুর উপজেলা যুবলীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আলী ইমাম ইনোকী নিজের ফেসবুক পেজে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
তিনি লিখেছেন, ‘তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই... শাজাহানপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম কাজলকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা মারধর করে কিছুক্ষণ আগে শাজাহানপুর থানা-পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন, যা আমাদের ১৬ বছরে কোনো বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে করিনি!
কয়েক দিন আগেই কাজল মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মী, ভাই-বন্ধুদের বলব, ‘আমরা কিন্তু একই সমাজের মানুষ, কেউ অপরাধী হলে আইন তার বিচার করুক, কিন্তু আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করবেন না। আরিফুল ইসলাম কাজলের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে