
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জোরপূর্বক শিক্ষকদের পদত্যাগ করানো গ্রহণযোগ্য নয়। কেউ যেন আইনের আশ্রয় নিতে বৈষম্যের শিকার না হন। বেআইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পদত্যাগও হবে না।’
গতকাল রোববার রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘এবারের এইচএসসির ফলাফল মূল্যায়নে যাদের অসন্তুষ্টি আছে তাদের অনলাইনে, এমনকি সাদা কাগজেও আবেদনের সুযোগ রয়েছে। সে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।’
সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘প্রকল্পের নকশা তৈরির সময় সচেতন থাকতে হবে। নকশায় যেন ভুল না হয়। প্রকল্প নিয়মিত পরিদর্শন করতে হবে, পণ্যের গুণগত মান যাচাই করতে হবে, টেন্ডার যথাযথ প্রক্রিয়ায় করতে হবে।’ তিনি স্থানীয়দের নিয়ে প্রকল্পের অংশীজন পরামর্শ সভা করার আহ্বান জানান।
সভায় স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে ডেঙ্গুর প্রবণতা কিছুটা বেড়েছে। এটা আরও দুই মাস থাকতে পারে। চলতি বছর যারা জরায়ু মুখের ক্যানসার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকা মিস করবে, তারা আর এটা নিতে পারবে না। কারণ, পরে এটা আর সরকারিভাবে দেওয়া হবে না।
সভায় বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানেরা অংশ নেন। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসকেরা অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন।

দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের মতো গ্যাস-সংকটে ভুগছে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ ৬০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। ফলে গত দুই সপ্তাহে নরসিংদীর কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
৫ ঘণ্টা আগে