পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে আটটি কুকুরছানাকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় আটটি কুকুরছানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আগের দিন রোববার রাতে বস্তাবন্দী করে কুকুরছানাগুলোকে পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের ডাকা জরুরি সভায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনার পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসানুর রহমান সরকারি বাসা থেকে মালামাল নিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন।
অভিযুক্ত হাসানুর রহমান বলেন, ‘বাসার দরজার সামনে কুকুর ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে আমার স্ত্রী ছানাগুলো বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেয়।’
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান আজ মঙ্গলবার রাতে জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেওয়ার পর আজ তিনি বাসা ছেড়ে দিয়ে মালামাল নিয়ে গেছেন।
এর আগে গতকাল সকালে আটটি কুকুরছানার নিথর দেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। ছানাগুলোর শরীরের স্পন্দন বোঝার চেষ্টা করছিল মা কুকুর। কিন্তু যখন বুঝতে পারে, ছানাগুলো বেঁচে নেই, তখন আহাজারি শুরু করে। সন্তানহারা মা কুকুরের করুণ আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার চারপাশ। আর এমন দৃশ্য দেখে প্রাণী হত্যার এমন কাজকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি এলাকাবাসী। এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা। পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন ইউএনও।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের ভেতরে ইউএনওর বাসভবনের সামনে মাটিতে পড়ে রয়েছে আটটি কুকুরছানার নিথর দেহ। তার পাশে বারবার নিজের ছানার শরীরের গন্ধ শুকে শরীরের স্পন্দন বোঝার চেষ্টা করছে মা কুকুর। ছানাদের সাড়া না পেয়ে আর্তনাদ শুরু করে কুকুরটি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউএনওর বাসভবনের একটি কোণায় থাকত এই কুকুর। কুকুরটি বিশ্বস্ত হওয়ায় মানুষজন এটিকে খুব ভালোবাসত। নাম রাখা হয় টম। গত এক সপ্তাহ আগে টম আটটি বাচ্চা প্রসব করে।
গতকাল সকাল থেকে পাগলপ্রায় অবস্থায় আর্তনাদ ও ছোটাছুটি করতে দেখা যায় টমকে। নিজের ছানাগুলো না পেয়ে এমন ছোটাছুটি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী জীবন্ত আটটি কুকুরছানাকে বস্তায় ভরে বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে গত রোববার রাতের কোনো এক সময় উপজেলা পরিষদের পুকুরে ফেলে দেন। এক দিন পর গতকাল সকালে পাওয়া যায় কুকুরছানাগুলোর মরদেহ। দুপুরের পর কুকুরছানাগুলোকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাগর হোসেন রনি বলেন, ‘যে নিরীহ পশুকে হত্যা করতে পারে, সে মানুষকেও হত্যা করতে পারে। জীবিত কুকুরছানাকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই।’
নিজেকে বাঁচাতে সব দোষ স্ত্রীর ওপরে চাপিয়ে হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমি হত্যা করিনি। আমার স্ত্রী এই কাজ করেছে। আমি ঘটনার খবর জানতে পেরে স্ত্রীকে অনেক বকাবকি করেছি।’
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঈশ্বরদীর সাবেক ইউএনও সুবীর কুমার দাশও। তিনি গতকাল দুপুরে ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, ‘আমার সাবেক কর্মস্থলে কয়েকটি পোষা কুকুর ছিল, যার একটির নাম লাল্টু। ওর জন্ম থেকে আমি লালনপালন করেছি। আমার বদলির পর সেখানে কুকুরছানাদের ওপর অন্ধকার নেমে আসে। আজ সকালে শুনেছি, উপজেলা পরিষদের একজন সরকারি কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবার কুকুরছানাগুলোকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করেছেন। আমি সরকারের কাছে এই হত্যার বিচার চেয়েছি।’
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন জানান, কুকুরছানা হত্যার ঘটনায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে আজ রাতে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর বলেন, মামলার এজাহার লেখার কাজ চলছে। এজাহার পেলেই মামলা রুজু হবে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে আটটি কুকুরছানাকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় আটটি কুকুরছানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আগের দিন রোববার রাতে বস্তাবন্দী করে কুকুরছানাগুলোকে পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের ডাকা জরুরি সভায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনার পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসানুর রহমান সরকারি বাসা থেকে মালামাল নিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন।
অভিযুক্ত হাসানুর রহমান বলেন, ‘বাসার দরজার সামনে কুকুর ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে আমার স্ত্রী ছানাগুলো বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেয়।’
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান আজ মঙ্গলবার রাতে জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেওয়ার পর আজ তিনি বাসা ছেড়ে দিয়ে মালামাল নিয়ে গেছেন।
এর আগে গতকাল সকালে আটটি কুকুরছানার নিথর দেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। ছানাগুলোর শরীরের স্পন্দন বোঝার চেষ্টা করছিল মা কুকুর। কিন্তু যখন বুঝতে পারে, ছানাগুলো বেঁচে নেই, তখন আহাজারি শুরু করে। সন্তানহারা মা কুকুরের করুণ আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার চারপাশ। আর এমন দৃশ্য দেখে প্রাণী হত্যার এমন কাজকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি এলাকাবাসী। এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা। পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন ইউএনও।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের ভেতরে ইউএনওর বাসভবনের সামনে মাটিতে পড়ে রয়েছে আটটি কুকুরছানার নিথর দেহ। তার পাশে বারবার নিজের ছানার শরীরের গন্ধ শুকে শরীরের স্পন্দন বোঝার চেষ্টা করছে মা কুকুর। ছানাদের সাড়া না পেয়ে আর্তনাদ শুরু করে কুকুরটি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউএনওর বাসভবনের একটি কোণায় থাকত এই কুকুর। কুকুরটি বিশ্বস্ত হওয়ায় মানুষজন এটিকে খুব ভালোবাসত। নাম রাখা হয় টম। গত এক সপ্তাহ আগে টম আটটি বাচ্চা প্রসব করে।
গতকাল সকাল থেকে পাগলপ্রায় অবস্থায় আর্তনাদ ও ছোটাছুটি করতে দেখা যায় টমকে। নিজের ছানাগুলো না পেয়ে এমন ছোটাছুটি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী জীবন্ত আটটি কুকুরছানাকে বস্তায় ভরে বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে গত রোববার রাতের কোনো এক সময় উপজেলা পরিষদের পুকুরে ফেলে দেন। এক দিন পর গতকাল সকালে পাওয়া যায় কুকুরছানাগুলোর মরদেহ। দুপুরের পর কুকুরছানাগুলোকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাগর হোসেন রনি বলেন, ‘যে নিরীহ পশুকে হত্যা করতে পারে, সে মানুষকেও হত্যা করতে পারে। জীবিত কুকুরছানাকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই।’
নিজেকে বাঁচাতে সব দোষ স্ত্রীর ওপরে চাপিয়ে হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমি হত্যা করিনি। আমার স্ত্রী এই কাজ করেছে। আমি ঘটনার খবর জানতে পেরে স্ত্রীকে অনেক বকাবকি করেছি।’
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঈশ্বরদীর সাবেক ইউএনও সুবীর কুমার দাশও। তিনি গতকাল দুপুরে ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, ‘আমার সাবেক কর্মস্থলে কয়েকটি পোষা কুকুর ছিল, যার একটির নাম লাল্টু। ওর জন্ম থেকে আমি লালনপালন করেছি। আমার বদলির পর সেখানে কুকুরছানাদের ওপর অন্ধকার নেমে আসে। আজ সকালে শুনেছি, উপজেলা পরিষদের একজন সরকারি কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবার কুকুরছানাগুলোকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করেছেন। আমি সরকারের কাছে এই হত্যার বিচার চেয়েছি।’
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন জানান, কুকুরছানা হত্যার ঘটনায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে আজ রাতে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর বলেন, মামলার এজাহার লেখার কাজ চলছে। এজাহার পেলেই মামলা রুজু হবে।
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে আটটি কুকুরছানাকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় আটটি কুকুরছানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আগের দিন রোববার রাতে বস্তাবন্দী করে কুকুরছানাগুলোকে পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের ডাকা জরুরি সভায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনার পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসানুর রহমান সরকারি বাসা থেকে মালামাল নিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন।
অভিযুক্ত হাসানুর রহমান বলেন, ‘বাসার দরজার সামনে কুকুর ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে আমার স্ত্রী ছানাগুলো বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেয়।’
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান আজ মঙ্গলবার রাতে জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেওয়ার পর আজ তিনি বাসা ছেড়ে দিয়ে মালামাল নিয়ে গেছেন।
এর আগে গতকাল সকালে আটটি কুকুরছানার নিথর দেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। ছানাগুলোর শরীরের স্পন্দন বোঝার চেষ্টা করছিল মা কুকুর। কিন্তু যখন বুঝতে পারে, ছানাগুলো বেঁচে নেই, তখন আহাজারি শুরু করে। সন্তানহারা মা কুকুরের করুণ আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার চারপাশ। আর এমন দৃশ্য দেখে প্রাণী হত্যার এমন কাজকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি এলাকাবাসী। এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা। পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন ইউএনও।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের ভেতরে ইউএনওর বাসভবনের সামনে মাটিতে পড়ে রয়েছে আটটি কুকুরছানার নিথর দেহ। তার পাশে বারবার নিজের ছানার শরীরের গন্ধ শুকে শরীরের স্পন্দন বোঝার চেষ্টা করছে মা কুকুর। ছানাদের সাড়া না পেয়ে আর্তনাদ শুরু করে কুকুরটি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউএনওর বাসভবনের একটি কোণায় থাকত এই কুকুর। কুকুরটি বিশ্বস্ত হওয়ায় মানুষজন এটিকে খুব ভালোবাসত। নাম রাখা হয় টম। গত এক সপ্তাহ আগে টম আটটি বাচ্চা প্রসব করে।
গতকাল সকাল থেকে পাগলপ্রায় অবস্থায় আর্তনাদ ও ছোটাছুটি করতে দেখা যায় টমকে। নিজের ছানাগুলো না পেয়ে এমন ছোটাছুটি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী জীবন্ত আটটি কুকুরছানাকে বস্তায় ভরে বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে গত রোববার রাতের কোনো এক সময় উপজেলা পরিষদের পুকুরে ফেলে দেন। এক দিন পর গতকাল সকালে পাওয়া যায় কুকুরছানাগুলোর মরদেহ। দুপুরের পর কুকুরছানাগুলোকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাগর হোসেন রনি বলেন, ‘যে নিরীহ পশুকে হত্যা করতে পারে, সে মানুষকেও হত্যা করতে পারে। জীবিত কুকুরছানাকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই।’
নিজেকে বাঁচাতে সব দোষ স্ত্রীর ওপরে চাপিয়ে হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমি হত্যা করিনি। আমার স্ত্রী এই কাজ করেছে। আমি ঘটনার খবর জানতে পেরে স্ত্রীকে অনেক বকাবকি করেছি।’
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঈশ্বরদীর সাবেক ইউএনও সুবীর কুমার দাশও। তিনি গতকাল দুপুরে ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, ‘আমার সাবেক কর্মস্থলে কয়েকটি পোষা কুকুর ছিল, যার একটির নাম লাল্টু। ওর জন্ম থেকে আমি লালনপালন করেছি। আমার বদলির পর সেখানে কুকুরছানাদের ওপর অন্ধকার নেমে আসে। আজ সকালে শুনেছি, উপজেলা পরিষদের একজন সরকারি কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবার কুকুরছানাগুলোকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করেছেন। আমি সরকারের কাছে এই হত্যার বিচার চেয়েছি।’
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন জানান, কুকুরছানা হত্যার ঘটনায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে আজ রাতে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর বলেন, মামলার এজাহার লেখার কাজ চলছে। এজাহার পেলেই মামলা রুজু হবে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে আটটি কুকুরছানাকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় আটটি কুকুরছানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আগের দিন রোববার রাতে বস্তাবন্দী করে কুকুরছানাগুলোকে পুকুরে ফেলে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের ডাকা জরুরি সভায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনার পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসানুর রহমান সরকারি বাসা থেকে মালামাল নিয়ে চলে যেতে বাধ্য হন।
অভিযুক্ত হাসানুর রহমান বলেন, ‘বাসার দরজার সামনে কুকুর ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে আমার স্ত্রী ছানাগুলো বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেয়।’
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান আজ মঙ্গলবার রাতে জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে সরকারি বাসা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেওয়ার পর আজ তিনি বাসা ছেড়ে দিয়ে মালামাল নিয়ে গেছেন।
এর আগে গতকাল সকালে আটটি কুকুরছানার নিথর দেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। ছানাগুলোর শরীরের স্পন্দন বোঝার চেষ্টা করছিল মা কুকুর। কিন্তু যখন বুঝতে পারে, ছানাগুলো বেঁচে নেই, তখন আহাজারি শুরু করে। সন্তানহারা মা কুকুরের করুণ আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে সেখানকার চারপাশ। আর এমন দৃশ্য দেখে প্রাণী হত্যার এমন কাজকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি এলাকাবাসী। এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা। পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন ইউএনও।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের ভেতরে ইউএনওর বাসভবনের সামনে মাটিতে পড়ে রয়েছে আটটি কুকুরছানার নিথর দেহ। তার পাশে বারবার নিজের ছানার শরীরের গন্ধ শুকে শরীরের স্পন্দন বোঝার চেষ্টা করছে মা কুকুর। ছানাদের সাড়া না পেয়ে আর্তনাদ শুরু করে কুকুরটি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউএনওর বাসভবনের একটি কোণায় থাকত এই কুকুর। কুকুরটি বিশ্বস্ত হওয়ায় মানুষজন এটিকে খুব ভালোবাসত। নাম রাখা হয় টম। গত এক সপ্তাহ আগে টম আটটি বাচ্চা প্রসব করে।
গতকাল সকাল থেকে পাগলপ্রায় অবস্থায় আর্তনাদ ও ছোটাছুটি করতে দেখা যায় টমকে। নিজের ছানাগুলো না পেয়ে এমন ছোটাছুটি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী জীবন্ত আটটি কুকুরছানাকে বস্তায় ভরে বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে গত রোববার রাতের কোনো এক সময় উপজেলা পরিষদের পুকুরে ফেলে দেন। এক দিন পর গতকাল সকালে পাওয়া যায় কুকুরছানাগুলোর মরদেহ। দুপুরের পর কুকুরছানাগুলোকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাগর হোসেন রনি বলেন, ‘যে নিরীহ পশুকে হত্যা করতে পারে, সে মানুষকেও হত্যা করতে পারে। জীবিত কুকুরছানাকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই।’
নিজেকে বাঁচাতে সব দোষ স্ত্রীর ওপরে চাপিয়ে হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমি হত্যা করিনি। আমার স্ত্রী এই কাজ করেছে। আমি ঘটনার খবর জানতে পেরে স্ত্রীকে অনেক বকাবকি করেছি।’
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঈশ্বরদীর সাবেক ইউএনও সুবীর কুমার দাশও। তিনি গতকাল দুপুরে ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, ‘আমার সাবেক কর্মস্থলে কয়েকটি পোষা কুকুর ছিল, যার একটির নাম লাল্টু। ওর জন্ম থেকে আমি লালনপালন করেছি। আমার বদলির পর সেখানে কুকুরছানাদের ওপর অন্ধকার নেমে আসে। আজ সকালে শুনেছি, উপজেলা পরিষদের একজন সরকারি কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবার কুকুরছানাগুলোকে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যা করেছেন। আমি সরকারের কাছে এই হত্যার বিচার চেয়েছি।’
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন জানান, কুকুরছানা হত্যার ঘটনায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে আজ রাতে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর বলেন, মামলার এজাহার লেখার কাজ চলছে। এজাহার পেলেই মামলা রুজু হবে।

ঘটনার পর রক্তাক্ত ছেলের প্রাণ বাঁচাতে রিকশায় তুলে হাসপাতালে আনেন বৃদ্ধ বাবা বশির। কিন্তু তাঁর প্রাণপণ চেষ্টা বৃথা যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শহিদ বেঁচে নেই। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
৫ মিনিট আগে
খুলনার পাইকগাছায় রাশিদা বেগম নামের এক নারীকে হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের এনামুল গাজীর স্ত্রী। এ ঘটনায় দেবর মফিজুল ইসলাম গাজী ওরফে মইদুলকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।
১২ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
২২ মিনিট আগে
কিস্তির টাকা না পেয়ে নিয়ে যাওয়া সেই চিনা হাঁসটি অবশেষে হাফিজা খানমকে ফেরত দিয়েছেন টিএমএসএস এনজিওর কর্মকর্তারা। আজ শনিবার দুপুরে হাফিজার বাড়িতে এসে তারা হাঁসটি ফেরত দিয়ে যান।
৩৮ মিনিট আগেযশোর প্রতিনিধি

যশোরে বৃদ্ধ বাবার সামনেই এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আজ শনিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পাগলাদাহ মালোপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুস শহিদ (৪৫)। পেশায় রিকশাচালক শহিদ পাগলাদাহ এলাকার বশির আহমেদের ছেলে।
ঘটনার পর রক্তাক্ত ছেলের প্রাণ বাঁচাতে রিকশায় তুলে হাসপাতালে আনেন বশির। কিন্তু তাঁর প্রাণপণ চেষ্টা বৃথা যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শহিদ বেঁচে নেই। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, শহিদের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। মাদক-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে একই গ্রামের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে শহিদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা শহিদকে ছুরিকাঘাত করে ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেঝেতে শহিদের বাবা বশিরকে ঘিরে স্বজনদের আহাজারি করতে দেখা গেছে। তাঁর সমস্ত শরীর ছেলের রক্তে ভেজা। সবাই তাঁকে জড়িয়ে কান্না করলেও চোখের সামনে সন্তানের মৃত্যু দেখে বাকরুদ্ধ বৃদ্ধ বশির।
কিছুক্ষণ পর বশির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার তিন ছেলে, তিন মেয়ে। শহিদ সবার বড়। সন্ধ্যার দিকে শহীদ রিকশা চালিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। মালোপাড়ার রহমানের দোকানের সামনে একই এলাকার জাহাঙ্গীরের চার ছেলে আসিফ, মিরাজ, আলিফ, রিয়াজ এবং মানিক মিয়ার ছেলে ইরানের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হচ্ছিল। গন্ডগোল শুনে আমি বাড়ি থেকে বের হই। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আসিফ চাকু দিয়ে ছেলের বুকে, পিঠে আঘাত শুরু করে। আশপাশে নারী, পুরুষ তাকিয়ে দেখলেও দুর্বৃত্তদের হাতে চাকু থাকায় কেউ এগিয়ে আসেননি।’
কান্নাজড়িত কণ্ঠে বশির বলেন, ‘আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেও কাউকে ঠেকাতে পারিনি। চাকু দিয়ে বুকে পিঠে-আঘাত করায় শহিদ মাটিতে পড়ে যায়। পরে হামলাকারীর চলে গেলে স্থানীয় একজন রিকশাচালককে সঙ্গে নিয়ে ছেলেকে হাসপাতালে আনি। কিন্তু বাঁচাতে পারলাম না।’
নিহতের বোন শাহিদা খাতুন জানান, গতকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের কথা-কাটাকাটি হয়। তাঁরা তাঁর ভাইয়ের রিকশা কেড়ে নিতে চেয়েছিলেন। আজ (শনিবার) বিকেলে ফের তাঁরা তাঁর ভাইয়ের রিকশা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন বাধা দিলে তাঁদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। তখনই ওই ব্যক্তিরা চাকু দিয়ে শহিদকে আঘাত করে হত্যা করেন।
শাহিদার ধারণা, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে ঘোরাফেরা করতেন শহিদ। তাঁদের মধ্যে আসিফ নামের একজন শহিদের কাছে কিছু টাকা পান। ওই টাকা নিয়েই বিরোধের সূত্র ধরে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিচিত্রা মল্লিক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শহিদ মারা যান। তাঁর বুকের বাঁ পাশে ও ওপরে বড় দুটি জখমের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।
যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক কাজী বাবুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, শহিদের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধ ও টাকার নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের আটকের জন্য অভিযান শুরু করা হয়েছে। পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও তদন্ত শুরু করেছে।

যশোরে বৃদ্ধ বাবার সামনেই এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। আজ শনিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পাগলাদাহ মালোপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুস শহিদ (৪৫)। পেশায় রিকশাচালক শহিদ পাগলাদাহ এলাকার বশির আহমেদের ছেলে।
ঘটনার পর রক্তাক্ত ছেলের প্রাণ বাঁচাতে রিকশায় তুলে হাসপাতালে আনেন বশির। কিন্তু তাঁর প্রাণপণ চেষ্টা বৃথা যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শহিদ বেঁচে নেই। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, শহিদের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। মাদক-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে একই গ্রামের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে শহিদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা শহিদকে ছুরিকাঘাত করে ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেঝেতে শহিদের বাবা বশিরকে ঘিরে স্বজনদের আহাজারি করতে দেখা গেছে। তাঁর সমস্ত শরীর ছেলের রক্তে ভেজা। সবাই তাঁকে জড়িয়ে কান্না করলেও চোখের সামনে সন্তানের মৃত্যু দেখে বাকরুদ্ধ বৃদ্ধ বশির।
কিছুক্ষণ পর বশির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার তিন ছেলে, তিন মেয়ে। শহিদ সবার বড়। সন্ধ্যার দিকে শহীদ রিকশা চালিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। মালোপাড়ার রহমানের দোকানের সামনে একই এলাকার জাহাঙ্গীরের চার ছেলে আসিফ, মিরাজ, আলিফ, রিয়াজ এবং মানিক মিয়ার ছেলে ইরানের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হচ্ছিল। গন্ডগোল শুনে আমি বাড়ি থেকে বের হই। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আসিফ চাকু দিয়ে ছেলের বুকে, পিঠে আঘাত শুরু করে। আশপাশে নারী, পুরুষ তাকিয়ে দেখলেও দুর্বৃত্তদের হাতে চাকু থাকায় কেউ এগিয়ে আসেননি।’
কান্নাজড়িত কণ্ঠে বশির বলেন, ‘আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেও কাউকে ঠেকাতে পারিনি। চাকু দিয়ে বুকে পিঠে-আঘাত করায় শহিদ মাটিতে পড়ে যায়। পরে হামলাকারীর চলে গেলে স্থানীয় একজন রিকশাচালককে সঙ্গে নিয়ে ছেলেকে হাসপাতালে আনি। কিন্তু বাঁচাতে পারলাম না।’
নিহতের বোন শাহিদা খাতুন জানান, গতকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের কথা-কাটাকাটি হয়। তাঁরা তাঁর ভাইয়ের রিকশা কেড়ে নিতে চেয়েছিলেন। আজ (শনিবার) বিকেলে ফের তাঁরা তাঁর ভাইয়ের রিকশা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তখন বাধা দিলে তাঁদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। তখনই ওই ব্যক্তিরা চাকু দিয়ে শহিদকে আঘাত করে হত্যা করেন।
শাহিদার ধারণা, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে ঘোরাফেরা করতেন শহিদ। তাঁদের মধ্যে আসিফ নামের একজন শহিদের কাছে কিছু টাকা পান। ওই টাকা নিয়েই বিরোধের সূত্র ধরে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিচিত্রা মল্লিক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শহিদ মারা যান। তাঁর বুকের বাঁ পাশে ও ওপরে বড় দুটি জখমের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।
যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক কাজী বাবুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, শহিদের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধ ও টাকার নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের আটকের জন্য অভিযান শুরু করা হয়েছে। পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও তদন্ত শুরু করেছে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে আটটি কুকুরছানাকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছে উপজেলা প্রশাসন।
১১ দিন আগে
খুলনার পাইকগাছায় রাশিদা বেগম নামের এক নারীকে হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের এনামুল গাজীর স্ত্রী। এ ঘটনায় দেবর মফিজুল ইসলাম গাজী ওরফে মইদুলকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।
১২ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
২২ মিনিট আগে
কিস্তির টাকা না পেয়ে নিয়ে যাওয়া সেই চিনা হাঁসটি অবশেষে হাফিজা খানমকে ফেরত দিয়েছেন টিএমএসএস এনজিওর কর্মকর্তারা। আজ শনিবার দুপুরে হাফিজার বাড়িতে এসে তারা হাঁসটি ফেরত দিয়ে যান।
৩৮ মিনিট আগেখুলনা প্রতিনিধি

খুলনার পাইকগাছায় রাশিদা বেগম নামের এক নারীকে হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের এনামুল গাজীর স্ত্রী। এ ঘটনায় দেবর মফিজুল ইসলাম গাজী ওরফে মইদুলকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে খবর পেয়ে কপিলমুনি ক্যাম্প ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লিচুগাছ থেকে রাশিদার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, রাশিদার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। গোপনাঙ্গে ক্ষত করা হয়েছে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন, রাতের যেকোনো সময় রাশিদাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। পরে বাড়ির সামনের একটি লিচুগাছে ওড়না দিয়ে তাঁর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয়রা মফিজুল ইসলাম ওরফে মইদুলকে আটক করে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রাখে। পরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।
ঘটনার বিষয়ে নিহতের মেয়ে তাসমিরা খাতুন জানান, গভীর রাতে তাঁর মাকে তাঁরই চাচা মহিদুল জমির মিউটেশন করার কথা বলে ঘরের বাইরে ডেকে নেয়।
এ ব্যাপারে পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাশিদাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। যদিও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে বিষয়টি বিস্তারিত জানা যাবে। তবে সর্বশেষ এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, সুরতহাল রিপোর্টে নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা একজনকে আটক করে থানায় দিয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি সন্দেহজনক। এরপরও হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে।

খুলনার পাইকগাছায় রাশিদা বেগম নামের এক নারীকে হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের এনামুল গাজীর স্ত্রী। এ ঘটনায় দেবর মফিজুল ইসলাম গাজী ওরফে মইদুলকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে খবর পেয়ে কপিলমুনি ক্যাম্প ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লিচুগাছ থেকে রাশিদার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, রাশিদার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। গোপনাঙ্গে ক্ষত করা হয়েছে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন, রাতের যেকোনো সময় রাশিদাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। পরে বাড়ির সামনের একটি লিচুগাছে ওড়না দিয়ে তাঁর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয়রা মফিজুল ইসলাম ওরফে মইদুলকে আটক করে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রাখে। পরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।
ঘটনার বিষয়ে নিহতের মেয়ে তাসমিরা খাতুন জানান, গভীর রাতে তাঁর মাকে তাঁরই চাচা মহিদুল জমির মিউটেশন করার কথা বলে ঘরের বাইরে ডেকে নেয়।
এ ব্যাপারে পুলিশ পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাশিদাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। যদিও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে বিষয়টি বিস্তারিত জানা যাবে। তবে সর্বশেষ এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, সুরতহাল রিপোর্টে নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা একজনকে আটক করে থানায় দিয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি সন্দেহজনক। এরপরও হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে আটটি কুকুরছানাকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছে উপজেলা প্রশাসন।
১১ দিন আগে
ঘটনার পর রক্তাক্ত ছেলের প্রাণ বাঁচাতে রিকশায় তুলে হাসপাতালে আনেন বৃদ্ধ বাবা বশির। কিন্তু তাঁর প্রাণপণ চেষ্টা বৃথা যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শহিদ বেঁচে নেই। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
৫ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
২২ মিনিট আগে
কিস্তির টাকা না পেয়ে নিয়ে যাওয়া সেই চিনা হাঁসটি অবশেষে হাফিজা খানমকে ফেরত দিয়েছেন টিএমএসএস এনজিওর কর্মকর্তারা। আজ শনিবার দুপুরে হাফিজার বাড়িতে এসে তারা হাঁসটি ফেরত দিয়ে যান।
৩৮ মিনিট আগেঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠি কলেজ মোড়ে সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা।
পরে তাঁরা রাস্তার দুপাশে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা মহাসড়কে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রী ও পথচারীরা।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম মান্না, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক আল তৌফিক লিখন, সদস্যসচিব রাইয়ান বিন কামালসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। যা খুবই লজ্জাজনক। যতক্ষণ পর্যন্ত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে আইনের আওতায় আনা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলমান থাকবে।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত শুক্রবার একই স্থানে তাঁরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন।

ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠি কলেজ মোড়ে সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা।
পরে তাঁরা রাস্তার দুপাশে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা মহাসড়কে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়ে যাত্রী ও পথচারীরা।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম মান্না, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক আল তৌফিক লিখন, সদস্যসচিব রাইয়ান বিন কামালসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। যা খুবই লজ্জাজনক। যতক্ষণ পর্যন্ত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে আইনের আওতায় আনা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলমান থাকবে।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত শুক্রবার একই স্থানে তাঁরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে আটটি কুকুরছানাকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছে উপজেলা প্রশাসন।
১১ দিন আগে
ঘটনার পর রক্তাক্ত ছেলের প্রাণ বাঁচাতে রিকশায় তুলে হাসপাতালে আনেন বৃদ্ধ বাবা বশির। কিন্তু তাঁর প্রাণপণ চেষ্টা বৃথা যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শহিদ বেঁচে নেই। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
৫ মিনিট আগে
খুলনার পাইকগাছায় রাশিদা বেগম নামের এক নারীকে হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের এনামুল গাজীর স্ত্রী। এ ঘটনায় দেবর মফিজুল ইসলাম গাজী ওরফে মইদুলকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।
১২ মিনিট আগে
কিস্তির টাকা না পেয়ে নিয়ে যাওয়া সেই চিনা হাঁসটি অবশেষে হাফিজা খানমকে ফেরত দিয়েছেন টিএমএসএস এনজিওর কর্মকর্তারা। আজ শনিবার দুপুরে হাফিজার বাড়িতে এসে তারা হাঁসটি ফেরত দিয়ে যান।
৩৮ মিনিট আগেআগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

কিস্তির টাকা না পেয়ে নিয়ে যাওয়া সেই চিনা হাঁসটি অবশেষে হাফিজা খানমকে ফেরত দিয়েছেন টিএমএসএস এনজিওর কর্মকর্তারা। আজ শনিবার দুপুরে হাফিজার বাড়িতে এসে তারা হাঁসটি ফেরত দিয়ে যান। একই সঙ্গে হাঁসটি যিনি নিয়ে গিয়েছিলেন, সেই এনজিও কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের নারী হাফিজা। ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) সদস্য তিনি। এনজিওটি থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ছিলেন তিনি। গত মঙ্গলবার বিকেলে কিস্তির টাকা না পেয়ে তার বাড়ি থেকে একটি চিনা হাঁস নিয়ে যান এনজিওর কর্মী ফিরোজ খাঁন। হাফিজার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে শখ করে হাঁসটি পালত। এটি নিয়ে ‘শখের হাঁসটি ধরে নিয়ে গেলেন এনজিও কর্মীরা’ শিরোনামে আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসে এনজিওটির কর্মকর্তারা।
টিএমএসএস এনজিওর বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সফিউর রহমান, মাদারীপুর জোনাল কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, বরিশাল জোনাল কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদসহ চারজন কর্মকর্তা তদন্তের জন্য হাফিজার বাড়িতে আসেন। তাঁরা হাফিজা খানম, তাঁর স্বামী মুরাদ হোসেন ও স্থানীয়দের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মাঠকর্মী ফিরোজ খানকে গত বৃহস্পতিবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
হাঁসটি ফেরত পেয়ে হাফিজা বলেন, ‘আমার মেয়ের শখের হাঁসটি ফেরত পেয়ে আমি ও আমার পরিবারের সবাই খুশি হয়েছি।’
এ ব্যাপারে টিএমএসএসের এনজিওর ম্যানেজার মো. রাজেক ইসলাম বলেন, ‘হাফিজা খানমের বাড়ি থেকে ধরে নেওয়া হাঁসটি আজ দুপুরে ফেরত দিয়েছি। মাঠকর্মী ফিরোজ খানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’

কিস্তির টাকা না পেয়ে নিয়ে যাওয়া সেই চিনা হাঁসটি অবশেষে হাফিজা খানমকে ফেরত দিয়েছেন টিএমএসএস এনজিওর কর্মকর্তারা। আজ শনিবার দুপুরে হাফিজার বাড়িতে এসে তারা হাঁসটি ফেরত দিয়ে যান। একই সঙ্গে হাঁসটি যিনি নিয়ে গিয়েছিলেন, সেই এনজিও কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের নারী হাফিজা। ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) সদস্য তিনি। এনজিওটি থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ছিলেন তিনি। গত মঙ্গলবার বিকেলে কিস্তির টাকা না পেয়ে তার বাড়ি থেকে একটি চিনা হাঁস নিয়ে যান এনজিওর কর্মী ফিরোজ খাঁন। হাফিজার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে শখ করে হাঁসটি পালত। এটি নিয়ে ‘শখের হাঁসটি ধরে নিয়ে গেলেন এনজিও কর্মীরা’ শিরোনামে আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসে এনজিওটির কর্মকর্তারা।
টিএমএসএস এনজিওর বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সফিউর রহমান, মাদারীপুর জোনাল কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, বরিশাল জোনাল কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদসহ চারজন কর্মকর্তা তদন্তের জন্য হাফিজার বাড়িতে আসেন। তাঁরা হাফিজা খানম, তাঁর স্বামী মুরাদ হোসেন ও স্থানীয়দের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মাঠকর্মী ফিরোজ খানকে গত বৃহস্পতিবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
হাঁসটি ফেরত পেয়ে হাফিজা বলেন, ‘আমার মেয়ের শখের হাঁসটি ফেরত পেয়ে আমি ও আমার পরিবারের সবাই খুশি হয়েছি।’
এ ব্যাপারে টিএমএসএসের এনজিওর ম্যানেজার মো. রাজেক ইসলাম বলেন, ‘হাফিজা খানমের বাড়ি থেকে ধরে নেওয়া হাঁসটি আজ দুপুরে ফেরত দিয়েছি। মাঠকর্মী ফিরোজ খানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’

পাবনার ঈশ্বরদীতে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে আটটি কুকুরছানাকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমানকে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছে উপজেলা প্রশাসন।
১১ দিন আগে
ঘটনার পর রক্তাক্ত ছেলের প্রাণ বাঁচাতে রিকশায় তুলে হাসপাতালে আনেন বৃদ্ধ বাবা বশির। কিন্তু তাঁর প্রাণপণ চেষ্টা বৃথা যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শহিদ বেঁচে নেই। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
৫ মিনিট আগে
খুলনার পাইকগাছায় রাশিদা বেগম নামের এক নারীকে হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের এনামুল গাজীর স্ত্রী। এ ঘটনায় দেবর মফিজুল ইসলাম গাজী ওরফে মইদুলকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।
১২ মিনিট আগে
ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
২২ মিনিট আগে