সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক কলেজছাত্রী। এদিকে মামলা তুলে নিতে ওই কলেজছাত্রী ও তাঁর পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে তিনি বাড়ি ফিরতে পারছেন না। আজ বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন মামলার বাদী ওই কলেজছাত্রী।
আজ বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহরের মুজিব সড়কের একটি ব্যক্তিগত অফিসে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই কলেজছাত্রী। সেখানে তিনি বলেন, ‘মামলার আসামি যুবলীগ নেতা আসলাম প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ আমি মামলার বাদী হয়ে আসামির হামলার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমার বাড়িতে কেউ নাই। শুধু আমার মা আছেন। মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন যুবলীগ নেতা ও তাঁর লোকজন। এ কারণে বাড়ির সবাই পলাতক। আমি বাড়িতে ফিরতে পারছি না।’
ওই কলেজছাত্রী সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কাজীপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আসলাম তাঁর বান্ধবীর স্বামী। পরিচয়ের সুবাদে তিনি বিভিন্ন সময় সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। গত ৩০ এপ্রিল আলী আসলাম তাঁকে কাগজপত্র নিয়ে বাড়ি যেতে বলেন। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে যুবলীগ নেতা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন।
মামলার আর্জিতে বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বিয়ের প্রলোভন ও সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ওই কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন আসলাম। একপর্যায়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানান। গত ১১ নভেম্বর বিয়ের দাবিতে তিনি আসলামের বাড়িতে অনশন করেন। রাতে বিয়ের জন্য কাজী অফিসে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আসলাম তাঁর এক ছোট ভাই আরিফের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়নি মর্মে স্বীকারোক্তিমূলক একটি ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও ফেসবুকে প্রচার করেন।
এদিকে ভয় দেখিয়ে মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করে তা ফেসবুকে প্রচার এবং পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানোয় গত ৯ ডিসেম্বর বিকেলে ওই কলেজছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে বিষপান করেন। বাড়ির লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাঁকে দ্রুত সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ অবস্থায় গত ১০ ডিসেম্বর যুবলীগ নেতা আলী আসলামকে একমাত্র আসামি করে কাজীপুর থানায় ধর্ষণের মামলা করেন কলেজছাত্রী।
এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর মামলা হওয়ার পর এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলী আসলাম দাবি করেন, ‘এই মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে ফাঁসাতে এই মেয়েকে দিয়ে এই মামলা করিয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক কলেজছাত্রী। এদিকে মামলা তুলে নিতে ওই কলেজছাত্রী ও তাঁর পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে তিনি বাড়ি ফিরতে পারছেন না। আজ বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন মামলার বাদী ওই কলেজছাত্রী।
আজ বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহরের মুজিব সড়কের একটি ব্যক্তিগত অফিসে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই কলেজছাত্রী। সেখানে তিনি বলেন, ‘মামলার আসামি যুবলীগ নেতা আসলাম প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ আমি মামলার বাদী হয়ে আসামির হামলার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমার বাড়িতে কেউ নাই। শুধু আমার মা আছেন। মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন যুবলীগ নেতা ও তাঁর লোকজন। এ কারণে বাড়ির সবাই পলাতক। আমি বাড়িতে ফিরতে পারছি না।’
ওই কলেজছাত্রী সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কাজীপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আসলাম তাঁর বান্ধবীর স্বামী। পরিচয়ের সুবাদে তিনি বিভিন্ন সময় সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। গত ৩০ এপ্রিল আলী আসলাম তাঁকে কাগজপত্র নিয়ে বাড়ি যেতে বলেন। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে যুবলীগ নেতা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন।
মামলার আর্জিতে বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বিয়ের প্রলোভন ও সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ওই কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন আসলাম। একপর্যায়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানান। গত ১১ নভেম্বর বিয়ের দাবিতে তিনি আসলামের বাড়িতে অনশন করেন। রাতে বিয়ের জন্য কাজী অফিসে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আসলাম তাঁর এক ছোট ভাই আরিফের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়নি মর্মে স্বীকারোক্তিমূলক একটি ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও ফেসবুকে প্রচার করেন।
এদিকে ভয় দেখিয়ে মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করে তা ফেসবুকে প্রচার এবং পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানোয় গত ৯ ডিসেম্বর বিকেলে ওই কলেজছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে বিষপান করেন। বাড়ির লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাঁকে দ্রুত সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ অবস্থায় গত ১০ ডিসেম্বর যুবলীগ নেতা আলী আসলামকে একমাত্র আসামি করে কাজীপুর থানায় ধর্ষণের মামলা করেন কলেজছাত্রী।
এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর মামলা হওয়ার পর এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলী আসলাম দাবি করেন, ‘এই মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে ফাঁসাতে এই মেয়েকে দিয়ে এই মামলা করিয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

হোটেল কর্মচারী মিলন নিলিকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে সাড়া না দেওয়ায় এবং প্রতিবাদ করায় নিলির ওপর ক্ষিপ্ত হন মিলন। পরে তিনি তাকে হত্যা করেন। এ ঘটনার পর মিলন মল্লিক তাঁর গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের মান্ডা বাঁশখালী এলাকায় পালিয়ে যান।
১২ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে পুলিশ কনস্টেবল আবদুল কাইয়ুম (২২) হত্যা মামলায় ১০ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর নগরীর খুলশী থানার টাইগারপাস আমবাগান...
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘আমরা বলতে পারি, বিজয় আমাদের হয়েই গেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
গণভোটে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ব্যালটের টিক চিহ্ন মানেই ঠিক। এটাই হবে আগামীর বাংলাদেশ। আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির...
১ ঘণ্টা আগে