Ajker Patrika

রাকসু জিএস-এজিএসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, তদন্ত করবে পিবিআই

রাবি প্রতিনিধি 
আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ২২: ৪২
রাকসু জিএস-এজিএসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, তদন্ত করবে পিবিআই
শিক্ষার্থীদের মারধর করেন সালাউদ্দিন আম্মারসহ শিবির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে হামলার ঘটনায় রাকসু ও শিবিরের ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন হামলা ও মারধরের শিকার হওয়া শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা। তবে আবেদনটি সরাসরি আমলে না নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর মতিহার কগনিস্যান্স আদালতে বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর বাবা। এ ছাড়াও অভিযোগে আরও ১৭ থেকে ১৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগটি করা হয়েছে।

অভিযোগে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও এজিএস সালমান সাব্বির, রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, রাকসুর সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, জিয়া হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লাহ ফারহান, ও নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদকে আসামি করা হয়েছে।

মাহমুদ হাসানের বাবা আসাদ উজ জামান অভিযোগ করেন, ঘটনার খবর তিনি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখতে পান। পরে ২৮ জুলাই মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা না নিলে আদালতে এসে অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগের আবেদনে বলা হয়, ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতর ও বাইরে ছুরি, রড, বেলচা ও বাঁশের লাঠি নিয়ে একদল ব্যক্তি মাহিনকে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করেন।

সেখানে সালাউদ্দিন আম্মার লোহার রড দিয়ে তাঁর মাথা ও কপালে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সালমান সাব্বিরও রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তা বাম চোখে লাগে এবং গুরুতর জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া অন্য আসামিরা বুক, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। চারজন আসামি তাকে মাটিতে ফেলে বুক ও গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করা হয়। .

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও উপস্থিত লোকজন মাহিনকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করলে আসামিরা তাঁকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে টেনে নামিয়ে পুনরায় মারধর করেন। পরে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট হজরত আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আদালত অভিযোগটি সরাসরি গ্রহণ করেননি। তদন্তের জন্য পিবিআইকে পাঠিয়েছেন।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত