নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশের জন্য ঐতিহাসিক মাদ্রাসার মাঠের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার ভোর ৬টার দিকে পুলিশ মাঠের তিন দিকের তিনটি গেটের তালা খুলে দেয়। এরপর নেতা কর্মীরা মাঠে প্রবেশ করতে শুরু করেছেন। শীতের সকালে মাঠে দাঁড়িয়ে তাঁরা সকালের মিষ্টি রোদ গায়ে লাগাচ্ছেন। সকাল ১০টা থেকেই সমাবেশ শুরুর কথা রয়েছে।
এই মাঠে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সমাবেশ করার অনুমতি পায় বিএনপি। তবে পুলিশের শর্ত ছিল, সমাবেশের আগে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতা-কর্মীরা মাঠে ঢুকতে পারবেন না। শর্ত মেনে নেতা-কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল সমাবেশের মাঠসংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে। তিন দিন ধরে নেতা-কর্মীরা সেখানে অবস্থান করেছেন।
শনিবার সকালে মাদ্রাসার মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, মঞ্চে এখনো কোনো নেতা আসেননি। মাইকগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঈদগাহ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, তাঁবুতে তাঁবুতে বসে সকালের নাশতা খাচ্ছেন নেতা-কর্মীরা। কেউ খিচুড়ি, কেউ চা-মুড়ি এবং কেউ চিড়া-গুড় খাচ্ছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি তাঁবুতে সকালের নাশতা খিচুড়ি। এই তাঁবুতে থাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ইউনিয়ন কৃষক দলের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক জাকির হোসেন জানালেন, খিচুড়ি খাওয়া শেষ করেই তাঁরা মাঠে ঢুকবেন। সঙ্গে নিয়ে যাবেন চিড়া-গুড় আর পানি। দুপুরে খাওয়ার জন্য তাদের কোনো পরিকল্পনা নেই। সমাবেশ শেষেই বাড়ি যাবেন।
জয়পুরহাটের একটি তাঁবুতে সকালের নাশতা হচ্ছিল চিড়া-গুড়ে। জেলার আক্কেলপুর উপজেলার বারোকলি থেকে আসা আশরাফুল ইসলাম জানালেন, গত বুধবার তারা রাজশাহীতে এসেছেন। চিড়া-গুড় খেয়ে এখন সমাবেশের মাঠে ঢুকবেন। দুপুরে খাওয়ার সুযোগ হবে না।
মাঠে মঞ্চের সামনে ঘোরাঘুরি করছিলেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রশিদ। তিনি বলেন, ভোর ৬টায় পুলিশ মাঠের গেটের তালা খুলে দিয়েছে। এরপর তাদের দলের সবাই মাঠে ঢুকে পড়েছেন। সমাবেশস্থল থেকে তাঁদের বাড়ি কাছে হলেও শুধু গ্রেপ্তার এড়াতে গত বুধবারই তারা এখানে চলে এসেছেন।
দেশের সব বিভাগীয় শহরেই এই সমাবেশ করছে দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি। বিএনপি ইতিমধ্যে দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করেছে। নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে। এই সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার নেতা-কর্মীরা যোগ দিয়েছেন।
অন্যান্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো রাজশাহী সমাবেশের মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে দুটি আসন। একটি বেগম খালেদা জিয়ার, অন্যটি তারেক রহমানের জন্য। সমাবেশে যোগ দিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্য শীর্ষ নেতারা রাজশাহী এসেছেন। সমাবেশে তাঁদের নির্দেশনা শোনার অপেক্ষায় এখন রাজশাহী বিভাগের আট জেলা থেকে আসা নেতা কর্মীরা।
এদিকে সমাবেশ ঘিরে সতর্ক অবস্থায় আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার সকাল থেকে শহরের প্রতিটি মোড়ে পুলিশ দেখা গেছে। এ ছাড়া শহরে ঢোকার তিন দিকের পথের ১৭টি পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট পরিচালনা করছে। মাদ্রাসা ময়দান ও এর আশপাশের পুরো এলাকা ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশের জন্য ঐতিহাসিক মাদ্রাসার মাঠের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার ভোর ৬টার দিকে পুলিশ মাঠের তিন দিকের তিনটি গেটের তালা খুলে দেয়। এরপর নেতা কর্মীরা মাঠে প্রবেশ করতে শুরু করেছেন। শীতের সকালে মাঠে দাঁড়িয়ে তাঁরা সকালের মিষ্টি রোদ গায়ে লাগাচ্ছেন। সকাল ১০টা থেকেই সমাবেশ শুরুর কথা রয়েছে।
এই মাঠে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সমাবেশ করার অনুমতি পায় বিএনপি। তবে পুলিশের শর্ত ছিল, সমাবেশের আগে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতা-কর্মীরা মাঠে ঢুকতে পারবেন না। শর্ত মেনে নেতা-কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল সমাবেশের মাঠসংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে। তিন দিন ধরে নেতা-কর্মীরা সেখানে অবস্থান করেছেন।
শনিবার সকালে মাদ্রাসার মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, মঞ্চে এখনো কোনো নেতা আসেননি। মাইকগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঈদগাহ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, তাঁবুতে তাঁবুতে বসে সকালের নাশতা খাচ্ছেন নেতা-কর্মীরা। কেউ খিচুড়ি, কেউ চা-মুড়ি এবং কেউ চিড়া-গুড় খাচ্ছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি তাঁবুতে সকালের নাশতা খিচুড়ি। এই তাঁবুতে থাকা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ইউনিয়ন কৃষক দলের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক জাকির হোসেন জানালেন, খিচুড়ি খাওয়া শেষ করেই তাঁরা মাঠে ঢুকবেন। সঙ্গে নিয়ে যাবেন চিড়া-গুড় আর পানি। দুপুরে খাওয়ার জন্য তাদের কোনো পরিকল্পনা নেই। সমাবেশ শেষেই বাড়ি যাবেন।
জয়পুরহাটের একটি তাঁবুতে সকালের নাশতা হচ্ছিল চিড়া-গুড়ে। জেলার আক্কেলপুর উপজেলার বারোকলি থেকে আসা আশরাফুল ইসলাম জানালেন, গত বুধবার তারা রাজশাহীতে এসেছেন। চিড়া-গুড় খেয়ে এখন সমাবেশের মাঠে ঢুকবেন। দুপুরে খাওয়ার সুযোগ হবে না।
মাঠে মঞ্চের সামনে ঘোরাঘুরি করছিলেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রশিদ। তিনি বলেন, ভোর ৬টায় পুলিশ মাঠের গেটের তালা খুলে দিয়েছে। এরপর তাদের দলের সবাই মাঠে ঢুকে পড়েছেন। সমাবেশস্থল থেকে তাঁদের বাড়ি কাছে হলেও শুধু গ্রেপ্তার এড়াতে গত বুধবারই তারা এখানে চলে এসেছেন।
দেশের সব বিভাগীয় শহরেই এই সমাবেশ করছে দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি। বিএনপি ইতিমধ্যে দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করেছে। নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে। এই সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার নেতা-কর্মীরা যোগ দিয়েছেন।
অন্যান্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো রাজশাহী সমাবেশের মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে দুটি আসন। একটি বেগম খালেদা জিয়ার, অন্যটি তারেক রহমানের জন্য। সমাবেশে যোগ দিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্য শীর্ষ নেতারা রাজশাহী এসেছেন। সমাবেশে তাঁদের নির্দেশনা শোনার অপেক্ষায় এখন রাজশাহী বিভাগের আট জেলা থেকে আসা নেতা কর্মীরা।
এদিকে সমাবেশ ঘিরে সতর্ক অবস্থায় আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শনিবার সকাল থেকে শহরের প্রতিটি মোড়ে পুলিশ দেখা গেছে। এ ছাড়া শহরে ঢোকার তিন দিকের পথের ১৭টি পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট পরিচালনা করছে। মাদ্রাসা ময়দান ও এর আশপাশের পুরো এলাকা ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে