নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

নাটোরের গুরুদাসপুরের যুবক রাব্বী আহম্মেদ (২১) এক র্যাব সদস্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ফেলেছিলেন। এরপর আলাদা দুটি ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নিয়েছিলেন ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত রাব্বীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
আজ বুধবার সকালে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান এ রায় দেন।
আসামি রাব্বী আহম্মেদের বাড়ি গুরুদাসপুর উপজেলার চাচকৈড় পুরানপাড়া গ্রামে। এ মামলার বাদী ল্যান্স করপোরাল শহিদুল ইসলাম। তাঁর ট্রাস্ট ব্যাংকের ওই হিসাব থেকে টাকা সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে ২০২০ সালের ১৪ মে। সে সময় শহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের র্যাব-১২–এ কর্মরত ছিলেন। শহিদুল ইসলামের বাড়ি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার শিতল গ্রামে।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি রাব্বী অনুপস্থিত ছিলেন। রায়ে আদালত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুটি ধারায় পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রায়ে আদালত বলেছেন, সাজা একটার পর অন্যটা কার্যকর হবে। অর্থাৎ, আসামিকে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হয়েছে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ল্যান্স করপোরাল শহিদুল ইসলাম ২০২০ সালের ১৪ মে ব্যাংকের দুটি খুদেবার্তার মাধ্যমে জানতে পারেন একটি ব্যাংক হিসাবে তাঁর হিসাব থেকে ৫০ হাজার ও অপর একটি হিসাবে আরও ১০ হাজার টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে। এ নিয়ে শহিদুল ইসলাম ১৬ মে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এ ছাড়া র্যাব-১২–এর অধিনায়কের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর অনুসন্ধানে নামে র্যাব।
ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, যে দুটি ব্যাংক হিসাবে টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সে হিসাব দুটি পরিচালনা করেন কুষ্টিয়ার খোকশাবাড়ির রান্নু আহম্মেদ নামে এক ব্যক্তি। র্যাব রান্নুর সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে, তিনি অনলাইনে ডলার কেনাবেচা করেন। হোয়াটসঅ্যাপে এক ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে ডলার কিনতে চান। আর তাঁকে ডলারের মূল্য হিসাবে টাকা দিতে চান ব্যাংক হিসাবে।
রান্নু ওই ব্যক্তিকে তাঁর ব্যাংক হিসাব নম্বর দিলে তিনি ৬০ হাজার টাকা দিয়েছেন। এরপর মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে র্যাব রাব্বীকে শনাক্ত করেন।
এরপর ২০২০ সালের ১০ জুন নাটোরের গুরুদাসপুরে অভিযান চালিয়ে র্যাব-১২–এর একটি দল রাব্বীকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বী জানান, তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব হ্যাক করে এভাবে টাকা সরিয়ে নেন। এ নিয়ে ভুক্তভোগী র্যাব সদস্য তাঁর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।
আইনজীবী ইসমত আরা জানান, গ্রেপ্তারের পর বেশকিছু দিন কারাগারে ছিলেন রাব্বী। পরে জামিনে মুক্তি পান। রাব্বী এখন পলাতক। রায় ঘোষণার দিনও রাব্বী আদালতে হাজির হননি। তার আইনজীবী আদালতের কাছে সময় প্রার্থনা করেছিলেন। তবে আদালত এ আবেদন নামঞ্জুর করে রায় ঘোষণা করেছেন। রাব্বীকে গ্রেপ্তার কিংবা আত্মসমর্পণের পর সাজা কার্যকর করা হবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন।

নাটোরের গুরুদাসপুরের যুবক রাব্বী আহম্মেদ (২১) এক র্যাব সদস্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ফেলেছিলেন। এরপর আলাদা দুটি ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নিয়েছিলেন ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত রাব্বীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
আজ বুধবার সকালে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান এ রায় দেন।
আসামি রাব্বী আহম্মেদের বাড়ি গুরুদাসপুর উপজেলার চাচকৈড় পুরানপাড়া গ্রামে। এ মামলার বাদী ল্যান্স করপোরাল শহিদুল ইসলাম। তাঁর ট্রাস্ট ব্যাংকের ওই হিসাব থেকে টাকা সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে ২০২০ সালের ১৪ মে। সে সময় শহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের র্যাব-১২–এ কর্মরত ছিলেন। শহিদুল ইসলামের বাড়ি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার শিতল গ্রামে।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি রাব্বী অনুপস্থিত ছিলেন। রায়ে আদালত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুটি ধারায় পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রায়ে আদালত বলেছেন, সাজা একটার পর অন্যটা কার্যকর হবে। অর্থাৎ, আসামিকে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা হয়েছে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ল্যান্স করপোরাল শহিদুল ইসলাম ২০২০ সালের ১৪ মে ব্যাংকের দুটি খুদেবার্তার মাধ্যমে জানতে পারেন একটি ব্যাংক হিসাবে তাঁর হিসাব থেকে ৫০ হাজার ও অপর একটি হিসাবে আরও ১০ হাজার টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে। এ নিয়ে শহিদুল ইসলাম ১৬ মে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এ ছাড়া র্যাব-১২–এর অধিনায়কের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর অনুসন্ধানে নামে র্যাব।
ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, যে দুটি ব্যাংক হিসাবে টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সে হিসাব দুটি পরিচালনা করেন কুষ্টিয়ার খোকশাবাড়ির রান্নু আহম্মেদ নামে এক ব্যক্তি। র্যাব রান্নুর সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে, তিনি অনলাইনে ডলার কেনাবেচা করেন। হোয়াটসঅ্যাপে এক ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে ডলার কিনতে চান। আর তাঁকে ডলারের মূল্য হিসাবে টাকা দিতে চান ব্যাংক হিসাবে।
রান্নু ওই ব্যক্তিকে তাঁর ব্যাংক হিসাব নম্বর দিলে তিনি ৬০ হাজার টাকা দিয়েছেন। এরপর মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে র্যাব রাব্বীকে শনাক্ত করেন।
এরপর ২০২০ সালের ১০ জুন নাটোরের গুরুদাসপুরে অভিযান চালিয়ে র্যাব-১২–এর একটি দল রাব্বীকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বী জানান, তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব হ্যাক করে এভাবে টাকা সরিয়ে নেন। এ নিয়ে ভুক্তভোগী র্যাব সদস্য তাঁর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।
আইনজীবী ইসমত আরা জানান, গ্রেপ্তারের পর বেশকিছু দিন কারাগারে ছিলেন রাব্বী। পরে জামিনে মুক্তি পান। রাব্বী এখন পলাতক। রায় ঘোষণার দিনও রাব্বী আদালতে হাজির হননি। তার আইনজীবী আদালতের কাছে সময় প্রার্থনা করেছিলেন। তবে আদালত এ আবেদন নামঞ্জুর করে রায় ঘোষণা করেছেন। রাব্বীকে গ্রেপ্তার কিংবা আত্মসমর্পণের পর সাজা কার্যকর করা হবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে