নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সরকারদলীয় এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের বন্ধু ঢাকা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির (জাপা) এমপি সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা। তাই বন্ধুকে পাশে বসিয়ে রেখেই জাপার লাঙ্গলের পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন এমপি বাবলা। আওয়ামী লীগের এমপি এনামুল হকের নির্বাচনী এলাকা বাগমারা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় পার্টির স্থানীয় এক নেতার অফিসে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে এনামুল হকের উপস্থিতিতে জাপার নেতা-কর্মীসহ সবার কাছেই আগামী নির্বাচনে লাঙ্গলের সমর্থন চান বাবলা। তিনি যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন পাশে চুপচাপ বসে ছিলেন এমপি এনামুল হক।
সভায় জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা বলেন, ‘আপনার বাবা-মাকে, স্ত্রীকে ও সন্তানকে যেভাবে ভালোবাসেন এখন থেকে জাতীয় পার্টি এবং তার প্রতীক লাঙ্গলকেও সেইভাবে ভালোবাসবেন তো? তখন উপস্থিত কর্মীরা বলে ওঠেন ‘হ্যাঁ’। এ সময় বাবলা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।’
সভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এমপি বাবলা বলেন, ‘পরিবারের মতো জাতীয় পার্টিকেও ভালোবাসতে হবে, ভালোবাসতে পারবেন? উঠে দাঁড়ান। খালি মুখে বললে হবে না, ঘরে ঘরেও যেতে হবে। সামনে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কেউ যেন অরাজকতা করতে না পারে তার জন্য চোখ কান খোলা রাখতে হবে। আমরা ভোটের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় যেতে পারি সেই চিন্তা করতে হবে। কথা কী ঠিক?’ এ সময় নেতা-কর্মীরা বলেন, ‘ঠিক।’
তারপর জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের হাতকে আরও শক্তিশালী করে আগামী দিনে একটা লক্ষ্যতে যেন নিয়ে যাওয়া যায় সে ব্যাপারে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাবলা বলেন, ‘আমরা যেন জাতীয় পার্টির হাতকে শক্তিশালী করতে পারি, লাঙ্গলের জয়কে ছিনিয়ে আনতে পারি।’ এরপর তার দলের কর্মীরা হ্যাঁ বললে বাবলা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।’
জানা গেছে, দুই দিন আগে বন্ধু এনামুল হকের বাড়ি বেড়াতে আসেন এমপি বাবলা। রাতে তিনি এমপি এনামুলের বাড়িতেই থাকেন। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ঢাকা ফিরে যান। তিনি বাগমারায় এসেছেন বলে তড়িঘড়ি করে জাতীয় পার্টির একটি কর্মিসভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই এমপি এনামুলকে নিয়ে যান তিনি। সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সারোয়ার আবুলসহ অন্য নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
এমপি এনামুল হকের সামনেই লাঙ্গলের পক্ষে সমর্থন চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবু তালেব বলেন, ‘এটা জাতীয় পার্টির কর্মিসভা, সেখানে জাতীয় পার্টির এমপি তো এ রকমই বক্তব্য দেবেন।’ কিন্তু উপস্থিত থাকলেও এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক সেখানে বক্তব্য দেননি বলে জানান আবু তালেব।
তবে এই বিষয়টি নিয়ে বিব্রত বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। তবে কেউ প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এমপি এনামুল হকও কোনো কথা বলতে চাননি।

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সরকারদলীয় এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের বন্ধু ঢাকা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির (জাপা) এমপি সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা। তাই বন্ধুকে পাশে বসিয়ে রেখেই জাপার লাঙ্গলের পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন এমপি বাবলা। আওয়ামী লীগের এমপি এনামুল হকের নির্বাচনী এলাকা বাগমারা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় পার্টির স্থানীয় এক নেতার অফিসে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে এনামুল হকের উপস্থিতিতে জাপার নেতা-কর্মীসহ সবার কাছেই আগামী নির্বাচনে লাঙ্গলের সমর্থন চান বাবলা। তিনি যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন পাশে চুপচাপ বসে ছিলেন এমপি এনামুল হক।
সভায় জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবুল হোসেন বাবলা বলেন, ‘আপনার বাবা-মাকে, স্ত্রীকে ও সন্তানকে যেভাবে ভালোবাসেন এখন থেকে জাতীয় পার্টি এবং তার প্রতীক লাঙ্গলকেও সেইভাবে ভালোবাসবেন তো? তখন উপস্থিত কর্মীরা বলে ওঠেন ‘হ্যাঁ’। এ সময় বাবলা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।’
সভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এমপি বাবলা বলেন, ‘পরিবারের মতো জাতীয় পার্টিকেও ভালোবাসতে হবে, ভালোবাসতে পারবেন? উঠে দাঁড়ান। খালি মুখে বললে হবে না, ঘরে ঘরেও যেতে হবে। সামনে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কেউ যেন অরাজকতা করতে না পারে তার জন্য চোখ কান খোলা রাখতে হবে। আমরা ভোটের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় যেতে পারি সেই চিন্তা করতে হবে। কথা কী ঠিক?’ এ সময় নেতা-কর্মীরা বলেন, ‘ঠিক।’
তারপর জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের হাতকে আরও শক্তিশালী করে আগামী দিনে একটা লক্ষ্যতে যেন নিয়ে যাওয়া যায় সে ব্যাপারে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাবলা বলেন, ‘আমরা যেন জাতীয় পার্টির হাতকে শক্তিশালী করতে পারি, লাঙ্গলের জয়কে ছিনিয়ে আনতে পারি।’ এরপর তার দলের কর্মীরা হ্যাঁ বললে বাবলা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ।’
জানা গেছে, দুই দিন আগে বন্ধু এনামুল হকের বাড়ি বেড়াতে আসেন এমপি বাবলা। রাতে তিনি এমপি এনামুলের বাড়িতেই থাকেন। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ঢাকা ফিরে যান। তিনি বাগমারায় এসেছেন বলে তড়িঘড়ি করে জাতীয় পার্টির একটি কর্মিসভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই এমপি এনামুলকে নিয়ে যান তিনি। সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সারোয়ার আবুলসহ অন্য নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
এমপি এনামুল হকের সামনেই লাঙ্গলের পক্ষে সমর্থন চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবু তালেব বলেন, ‘এটা জাতীয় পার্টির কর্মিসভা, সেখানে জাতীয় পার্টির এমপি তো এ রকমই বক্তব্য দেবেন।’ কিন্তু উপস্থিত থাকলেও এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক সেখানে বক্তব্য দেননি বলে জানান আবু তালেব।
তবে এই বিষয়টি নিয়ে বিব্রত বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। তবে কেউ প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এমপি এনামুল হকও কোনো কথা বলতে চাননি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে