
বগুড়ায় ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে বাসচাপায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার সকাল ৮টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন শাজাহানপুর উপজেলার বামুনিয়া মণ্ডলপাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে চাঁন মিয়া (৩৫) ও তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহ (৪)।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঈদের নামাজ পড়ার জন্য চাঁন মিয়া ও তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহ বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় তাঁরা দুজনেই নয়মাইল এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ডিভাইডারের ওপর দিয়ে লাফিয়ে পার হন। মহাসড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকাগামী অজ্ঞাত একটি বাস তাঁদের দুজনকেই চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যান। তিনি আরও জানান, দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

টানা প্রায় আড়াই বছর নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে মেরামতের জন্য রাখা হয়েছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ফেরি সন্ধ্যামালতী। সেখানে ১০ লাখের বেশি টাকা ব্যয়ে মেরামতের পর গত ঈদুল আজহার আগে বরিশালের লাহারহাট ফেরিঘাটে পাঠানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের প্রভাষক আব্দুল আলীমকে গত বছরের নভেম্বরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ছাত্র হোস্টেল সুপারের। দায়িত্ব পাওয়ার পরই আর্থিক নয়-ছয়ের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। অভ্যন্তরীণ তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা মেলে।
৩ ঘণ্টা আগে
আপাতত খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়েছে এবং এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দুর্গতদের নৌকা দিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেনাবাহিনী সেখানে কাজ করছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যায় আটকে পড়া বান্দরবানের ১২২ পরিবারকে উদ্ধার করেছে বিজিবি। প্রতিকূল আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং বন্যার প্রবল স্রোত উপেক্ষা করে শুক্রবার রাত থেকে বিজিবি বান্দরবান সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিলের নেতৃত্বে সেক্টর দপ্তরের
৬ ঘণ্টা আগে