গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বাহিরচর এলাকার পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে বড় একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সাড়ে ৩৯ কেজি ওজনের বাগাড় মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি দৌলতদিয়া বাজারে অবস্থিত মোহন মণ্ডলের মাছের আড়ত থেকে নিলামে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৯ হাজার ৩৭৫ টাকায় কিনে নেন।
স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে পদ্মা নদীতে দেশীয় প্রজাতির বড় কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। মাছ না পাওয়ায় জেলেদের পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীরাও হতাশ ছিলেন। নদীতে পানি বেড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে দৌলতদিয়ার বাহিরচর এলাকার অদূরে পদ্মা নদীর মোহনায় জেলে রওশন হালদার ও তাঁর দল জাল ফেলে সাড়ে ৩৯ কেজি ওজনের বিশাল একটি বাগাড় মাছ শিকার করেন। পরে মাছটি সকাল ৭টার দিকে বিক্রির জন্য নিয়ে যান দৌলতদিয়া মাছবাজারের আড়তদার মোহন মণ্ডলের ঘরে। সেখানে প্রকাশ্যে নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ মাছটি কিনে নেন।
দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার শাকিল সোহান মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী মো. শাহজাহান শেখ জানান, সকাল ৭টার দিকে মোহন মণ্ডলের আড়তঘর থেকে নিলামে অংশ নিয়ে ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৯ হাজার ৩৭৫ টাকায় কিনে নেই। মাছটি কেনার পর বিক্রির জন্য ফেরিঘাটের পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হচ্ছে। মাছটি ১০০ থেকে ২০০ টাকা কেজিপ্রতি লাভ পেলে বিক্রি করা হবে।
গোয়ালন্দ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা টিপু সুলতান বলেন, বছরে নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণে এই মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পায়। এ ছাড়া এখন নদীতে পানি বাড়ার কারণে বড় বড় মাছ নদীতে পাওয়া যায়। নদীতে পানি বেশি থাকলে পাঙাশ, রুই, কাতলা, বোয়াল, বাগাড়সহ দেশীয় বড় প্রজাতির মাছ আরও ধরা পড়বে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বাহিরচর এলাকার পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে বড় একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সাড়ে ৩৯ কেজি ওজনের বাগাড় মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি দৌলতদিয়া বাজারে অবস্থিত মোহন মণ্ডলের মাছের আড়ত থেকে নিলামে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৯ হাজার ৩৭৫ টাকায় কিনে নেন।
স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে পদ্মা নদীতে দেশীয় প্রজাতির বড় কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। মাছ না পাওয়ায় জেলেদের পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীরাও হতাশ ছিলেন। নদীতে পানি বেড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে দৌলতদিয়ার বাহিরচর এলাকার অদূরে পদ্মা নদীর মোহনায় জেলে রওশন হালদার ও তাঁর দল জাল ফেলে সাড়ে ৩৯ কেজি ওজনের বিশাল একটি বাগাড় মাছ শিকার করেন। পরে মাছটি সকাল ৭টার দিকে বিক্রির জন্য নিয়ে যান দৌলতদিয়া মাছবাজারের আড়তদার মোহন মণ্ডলের ঘরে। সেখানে প্রকাশ্যে নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ মাছটি কিনে নেন।
দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার শাকিল সোহান মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী মো. শাহজাহান শেখ জানান, সকাল ৭টার দিকে মোহন মণ্ডলের আড়তঘর থেকে নিলামে অংশ নিয়ে ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৯ হাজার ৩৭৫ টাকায় কিনে নেই। মাছটি কেনার পর বিক্রির জন্য ফেরিঘাটের পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হচ্ছে। মাছটি ১০০ থেকে ২০০ টাকা কেজিপ্রতি লাভ পেলে বিক্রি করা হবে।
গোয়ালন্দ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা টিপু সুলতান বলেন, বছরে নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণে এই মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পায়। এ ছাড়া এখন নদীতে পানি বাড়ার কারণে বড় বড় মাছ নদীতে পাওয়া যায়। নদীতে পানি বেশি থাকলে পাঙাশ, রুই, কাতলা, বোয়াল, বাগাড়সহ দেশীয় বড় প্রজাতির মাছ আরও ধরা পড়বে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে