
পদ্মা নদীর পানি বাড়ায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটের র্যাম তলিয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে ঘাটটি বন্ধ রাখা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল থেকে এই ঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার বন্ধ রয়েছে। ঘাট মেরামতের কাজ করছে বিআইডব্লিউটিএ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘাটের র্যাম পানিতে ডুবে যাওয়ায় তা রেকারের মাধ্যমে তোলার কাজ চলছে। পানি বৃদ্ধির কারণে ঘাটটি নিম্ন স্তর থেকে মধ্য স্তরে উন্নীত করা হচ্ছে। তবে ঘাটটি বন্ধ থাকলেও ফেরি চলাচলে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। ঘাট এলাকায় যানজট বা যাত্রীদের ভোগান্তির চিত্র দেখা যায়নি। বর্তমানে ৩ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে স্বাভাবিকভাবে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সোলেমান মোল্লা বলেন, ‘সকালে এসে দেখি ৭ নম্বর ঘাটের র্যাম পানির নিচে। ফেরি এলেও গাড়ি ওঠানামা করতে পারছে না। পরে ঘাট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এখন কাজ চলছে।’
ঝিনাইদহ থেকে আসা পশুবাহী ট্রাকের চালক আবুল কাশেম বলেন, ‘ঘাটে কোনো ভিড় নেই। আসার সঙ্গে সঙ্গেই ফেরিতে উঠতে পারছি। প্রথমে ৭ নম্বর ঘাটে গিয়েছিলাম, কিন্তু বন্ধ দেখে ৩ নম্বর ঘাটে এসেছি, এখন ফেরিতে উঠব।’
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন জানান, হঠাৎ পদ্মায় পানি বাড়ায় ৭ নম্বর ফেরিঘাটের র্যাম তলিয়ে যায়। ফলে যানবাহন ওঠানামা করতে না পারায় ঘাটটি সকাল থেকে সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। বিকেলের মধ্যেই মেরামত সম্পন্ন করে ঘাট সচল করা হবে।
তিনি আরও জানান, ঘাটটি সাময়িক বন্ধ থাকলেও এলাকায় যানজট বা ভোগান্তি নেই। ৩ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

‘স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় সাত-আটজনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পদ্মা পেট্রোলিয়াম ডিপোর গোদনাইল শাখার কর্মকর্তা মঞ্জিল মোর্শেদের বাড়ির বারান্দার গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতেরা ঘরে থাকা পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের হাত-পা ও চোখমুখ বেঁধে ফেলে।
৩১ মিনিট আগে
নিহতের ছেলে শাহীন আলম জানান, তাঁর বাবা ছাতির বাজার এলাকায় তাজউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির জায়গা ভাড়া নিয়ে সেখানে অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণ করে বসবাস ও কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতেও খাওয়াদাওয়া শেষে ঘরের এক কোণে রাখা চৌকিতে ঘুমিয়ে পড়েন।
৩৩ মিনিট আগে
পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে এখন উৎসবের আমেজ। পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু, পাতা, চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন উপলক্ষে নানান আয়োজনে মেতেছে পাহাড়ি নানা সম্প্রদায়ের লোকজন।
১ ঘণ্টা আগে