পিরোজপুর, নাজিরপুর ও কাউখালী প্রতিনিধি

পিরোজপুরে নির্বাচনী প্রচারণায় গুলিবিদ্ধ যুবলীগ নেতা শুভর মৃত্যুতে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে তিন উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ সময় নেতা-কর্মীরা হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় পিরোজপুর সদর শহরের টাউন ক্লাব স্বাধীনতামঞ্চ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শুভর মৃত্যুতে শহরের বিভিন্ন বাজারসহ সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। এর আগে সকাল থেকেই শুভর বাসার সামনে ও শহরের টাউন ক্লাব স্বাধীনতামঞ্চে জড়ো হতে থাকেন যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
জেলা যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, ‘নৌকার প্রচারণা করতে গিয়ে যুবলীগের নেতা ফয়সাল মাহাবুব শুভকে গুলি খেয়ে মরতে হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে শুভকে হত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানাই।’
জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা নকীব জানান, ব্যবসায়ীরা শুভকে যেকোনো বিপদে পাশে পেতেন, তাই তাঁরা তাঁদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রেখেছেন।
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাসির উদ্দিন মাতুব্বরসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। শহরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে যুবলীগ নেতার হত্যার প্রতিবাদে বিকেল ৪টায় নাজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এরপর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় বিক্ষোভ শেষে উপজেলা গেটে পথসভা করেন নেতারা। সভায় উপস্থিত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারেফ হোসেন খান, উপজেলা দপ্তর সম্পাদক আশুতোষ বেপারীসহ অন্য নেতারা।
অন্যদিকে আজ বিকেলে শুভর নিজ গ্রাম কাউখালীর উপজেলার গোয়ালতায় হামলাকারীদের বিচার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্বজন ও দলীয় নেতা-কর্মীরা। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এ কে এম আব্দুস শহীদ এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান পল্টনের নেতৃত্বে সর্বস্তরের জনতা খুনিদের বিচার ও ফাঁসির দাবিতে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর রোববার নৌকা মার্কার পক্ষে মো. তোফাজ্জেল হোসেন মল্লিক স্বপনের নির্বাচনী সভায় অংশগ্রহণ শেষে রাতে শহরে ফিরছিলেন নৌকা প্রতীকের সমর্থক দলীয় নেতা-কর্মীরা। ফেরার পথে ওই ইউনিয়নের মল্লিক বাড়ি স্ট্যান্ডে স্বতন্ত্র আনারস প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের লোকজন হামলা ও গুলি চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন ফয়সাল মাহাবুব শুভ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শুভকে উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল এবং পরে খুলনা সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ৮ নভেম্বর সোমবার দুপুরে খুলনা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

পিরোজপুরে নির্বাচনী প্রচারণায় গুলিবিদ্ধ যুবলীগ নেতা শুভর মৃত্যুতে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে তিন উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ সময় নেতা-কর্মীরা হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় পিরোজপুর সদর শহরের টাউন ক্লাব স্বাধীনতামঞ্চ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শুভর মৃত্যুতে শহরের বিভিন্ন বাজারসহ সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। এর আগে সকাল থেকেই শুভর বাসার সামনে ও শহরের টাউন ক্লাব স্বাধীনতামঞ্চে জড়ো হতে থাকেন যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
জেলা যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, ‘নৌকার প্রচারণা করতে গিয়ে যুবলীগের নেতা ফয়সাল মাহাবুব শুভকে গুলি খেয়ে মরতে হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে শুভকে হত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানাই।’
জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা নকীব জানান, ব্যবসায়ীরা শুভকে যেকোনো বিপদে পাশে পেতেন, তাই তাঁরা তাঁদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রেখেছেন।
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাসির উদ্দিন মাতুব্বরসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। শহরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে যুবলীগ নেতার হত্যার প্রতিবাদে বিকেল ৪টায় নাজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এরপর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় বিক্ষোভ শেষে উপজেলা গেটে পথসভা করেন নেতারা। সভায় উপস্থিত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারেফ হোসেন খান, উপজেলা দপ্তর সম্পাদক আশুতোষ বেপারীসহ অন্য নেতারা।
অন্যদিকে আজ বিকেলে শুভর নিজ গ্রাম কাউখালীর উপজেলার গোয়ালতায় হামলাকারীদের বিচার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্বজন ও দলীয় নেতা-কর্মীরা। অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এ কে এম আব্দুস শহীদ এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান পল্টনের নেতৃত্বে সর্বস্তরের জনতা খুনিদের বিচার ও ফাঁসির দাবিতে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর রোববার নৌকা মার্কার পক্ষে মো. তোফাজ্জেল হোসেন মল্লিক স্বপনের নির্বাচনী সভায় অংশগ্রহণ শেষে রাতে শহরে ফিরছিলেন নৌকা প্রতীকের সমর্থক দলীয় নেতা-কর্মীরা। ফেরার পথে ওই ইউনিয়নের মল্লিক বাড়ি স্ট্যান্ডে স্বতন্ত্র আনারস প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা নাসির উদ্দিন মাতুব্বরের লোকজন হামলা ও গুলি চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন ফয়সাল মাহাবুব শুভ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শুভকে উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল এবং পরে খুলনা সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ৮ নভেম্বর সোমবার দুপুরে খুলনা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে