পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় রফিকুল ইসলাম (১৩) নামের এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে পিরোজপুর অতিরিক্ত দায়রা জজ এস এম নূরুর ইসলাম এই আদেশ দেন। এ সময় আদালতের বিচারক আসামিদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আবুল কালাম কালু (৩৩) ও মো. হারুন (৩৫)। পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে। নিহত কিশোর রফিকুল ইসলাম বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার মো. হালিমের ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি মো. জহুরুল ইসলাম জানান, রফিকুল ইসলাম (১৩) তার মা সেলিনা বেগমের সঙ্গে ইন্দুরকানী উপজেলায় তার মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদারের বাড়িতে বসবাস করত। ২০০৬ সালের ৮ মার্চ পূর্বশত্রুতার জের ধরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা রফিকুলকে বাড়ির কাছে একটি খালপাড়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে এ বিষয়ে ঘটনার দিনই নিহত কিশোরের মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদার বাদী হয়ে ইন্দুরকানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে ইন্দুরকানী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) বারী মনোরঞ্জন ২০০৬ সালের ৫ অক্টোবর আদালতে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আবুল কালাম কালু ও মো. হারুনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর তিন আসামি জামাল হোসেন, কবির হাওলাদার ও নিপুণ শেখকে খালাস দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবুল কালাম কালু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি মো. হারুন এখনো পলাতক রয়েছেন।

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় রফিকুল ইসলাম (১৩) নামের এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগে দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে পিরোজপুর অতিরিক্ত দায়রা জজ এস এম নূরুর ইসলাম এই আদেশ দেন। এ সময় আদালতের বিচারক আসামিদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আবুল কালাম কালু (৩৩) ও মো. হারুন (৩৫)। পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার দক্ষিণ কলারন গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে। নিহত কিশোর রফিকুল ইসলাম বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার মো. হালিমের ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি মো. জহুরুল ইসলাম জানান, রফিকুল ইসলাম (১৩) তার মা সেলিনা বেগমের সঙ্গে ইন্দুরকানী উপজেলায় তার মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদারের বাড়িতে বসবাস করত। ২০০৬ সালের ৮ মার্চ পূর্বশত্রুতার জের ধরে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা রফিকুলকে বাড়ির কাছে একটি খালপাড়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে এ বিষয়ে ঘটনার দিনই নিহত কিশোরের মামা মোদাচ্ছের আলী হাওলাদার বাদী হয়ে ইন্দুরকানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে ইন্দুরকানী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) বারী মনোরঞ্জন ২০০৬ সালের ৫ অক্টোবর আদালতে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আবুল কালাম কালু ও মো. হারুনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর তিন আসামি জামাল হোসেন, কবির হাওলাদার ও নিপুণ শেখকে খালাস দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবুল কালাম কালু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি মো. হারুন এখনো পলাতক রয়েছেন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪২ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে