পিরোজপুর ও নেছারাবাদ প্রতিনিধি

নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ না করায় পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় খালের ওপর নির্মাণাধীন একটি সেতু ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। সে অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সেতুটি ভাঙতে যান শ্রমিকেরা। কিন্তু ভাঙার কাজ শুরুর আগেই সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যায়।
পৌনে ৬ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ঠিকাদার ছিলেন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম। তিনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল প্রাইভেট লিমিটেডের কর্ণধার।
ঠিকাদার মিরাজুল পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের ছোট ভাই। দুই ভাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। মিরাজুল আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এতে তাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বাস্তবায়নাধীন একাধিক প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায়।
জানা গেছে, উপজেলার পূর্ব জলাবাড়ি ইউনিয়নের ভাদুরা খালের ওপর সেতুটি ভেঙে ফেলতে যায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। তবে সংস্থাটি কাজ শুরু করার আগেই গতকাল সন্ধ্যায় সেতুটি ধসে পড়ে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের বাসিন্দারা।
পিরোজপুর এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব জলাবাড়ি খ্রিষ্টানপাড়া থেকে মাদ্রা বাজার সড়কের ওপর একটি প্যাকেজে ২২ ও ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য ২০২১ সালের ২৯ ডিসেম্বর মেসার্স ইফতি ইটিসিএলকে কার্যাদেশ দেয় পিরোজপুর এলজিইডি। যার চুক্তিমূল্য ছিল ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ব্রিজ দুটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মিরাজুল ইসলাম নিজে কাজ না করে একজন সাবঠিকাদার দিয়ে কাজ করাচ্ছিলেন। এ সময় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও কার্যাদেশ না মানায় স্থানীয় লোকজন কাজে বাধা দেন।
পরে আরেক সাবঠিকাদার গত বছরের শেষদিকে গার্ডার ছাড়াই ভাদুরা খালের ওপরের সেতুটির ছাদ ঢালাই দেয়। এর কিছু দিন পরে ঢালাই দেওয়া অংশে ফাটল দেখা দেয়। তখন স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তির মুখে এলজিইডি তদন্ত করে সেতুটির ঢালাই দেওয়া অংশ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও এলজিইডির কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সেতু নির্মাণে অকল্পনীয় দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে।

নির্মাণাধীন সেতুতে ফাটল ধরার বিষয়ে জানতে চাইলে সাবঠিকাদার খোকন মিয়া বলেন, শ্রমিকেরা ঢালাই শেষে চলে গেলে কে বা কারা সেন্টারিং খুলে ফেলায় সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখন ঠিকাদার মিরাজুল ইসলাম অগ্রিম টাকা তুলে নেওয়ায় কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ বিষয় নেছারাবাদের উপজেলা প্রকৌশলী মো. রায়সুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, কাজ নিয়ম অনুযায়ী না করার কারণে পুরো স্লাব (ছাদ) ভেঙে নতুনভাবে নির্মাণকাজ করতে হবে। গার্ডার নির্মাণ না করেই ছাদ ঢালাই দেওয়ায় সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তাই এটি ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মূল ঠিকাদারকে পাওয়া না যাওয়ায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ না করায় পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় খালের ওপর নির্মাণাধীন একটি সেতু ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। সে অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার সেতুটি ভাঙতে যান শ্রমিকেরা। কিন্তু ভাঙার কাজ শুরুর আগেই সেতুটি ভেঙে খালে পড়ে যায়।
পৌনে ৬ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ঠিকাদার ছিলেন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম। তিনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল প্রাইভেট লিমিটেডের কর্ণধার।
ঠিকাদার মিরাজুল পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের ছোট ভাই। দুই ভাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। মিরাজুল আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এতে তাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বাস্তবায়নাধীন একাধিক প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায়।
জানা গেছে, উপজেলার পূর্ব জলাবাড়ি ইউনিয়নের ভাদুরা খালের ওপর সেতুটি ভেঙে ফেলতে যায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। তবে সংস্থাটি কাজ শুরু করার আগেই গতকাল সন্ধ্যায় সেতুটি ধসে পড়ে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের বাসিন্দারা।
পিরোজপুর এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব জলাবাড়ি খ্রিষ্টানপাড়া থেকে মাদ্রা বাজার সড়কের ওপর একটি প্যাকেজে ২২ ও ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য ২০২১ সালের ২৯ ডিসেম্বর মেসার্স ইফতি ইটিসিএলকে কার্যাদেশ দেয় পিরোজপুর এলজিইডি। যার চুক্তিমূল্য ছিল ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ব্রিজ দুটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মিরাজুল ইসলাম নিজে কাজ না করে একজন সাবঠিকাদার দিয়ে কাজ করাচ্ছিলেন। এ সময় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও কার্যাদেশ না মানায় স্থানীয় লোকজন কাজে বাধা দেন।
পরে আরেক সাবঠিকাদার গত বছরের শেষদিকে গার্ডার ছাড়াই ভাদুরা খালের ওপরের সেতুটির ছাদ ঢালাই দেয়। এর কিছু দিন পরে ঢালাই দেওয়া অংশে ফাটল দেখা দেয়। তখন স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তির মুখে এলজিইডি তদন্ত করে সেতুটির ঢালাই দেওয়া অংশ ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও এলজিইডির কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সেতু নির্মাণে অকল্পনীয় দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে।

নির্মাণাধীন সেতুতে ফাটল ধরার বিষয়ে জানতে চাইলে সাবঠিকাদার খোকন মিয়া বলেন, শ্রমিকেরা ঢালাই শেষে চলে গেলে কে বা কারা সেন্টারিং খুলে ফেলায় সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখন ঠিকাদার মিরাজুল ইসলাম অগ্রিম টাকা তুলে নেওয়ায় কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ বিষয় নেছারাবাদের উপজেলা প্রকৌশলী মো. রায়সুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, কাজ নিয়ম অনুযায়ী না করার কারণে পুরো স্লাব (ছাদ) ভেঙে নতুনভাবে নির্মাণকাজ করতে হবে। গার্ডার নির্মাণ না করেই ছাদ ঢালাই দেওয়ায় সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তাই এটি ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মূল ঠিকাদারকে পাওয়া না যাওয়ায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে