প্রতিনিধি, পটুয়াখালী

সরকারনির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে চার থেকে পাঁচ গুণ ভাড়া বেশি নিচ্ছেন ইজারাদারেরা। ফলে পটুয়াখালী সদর ও মির্জাগঞ্জ উপজেলার সংযোগে থাকা পায়রাকুঞ্জ খেয়া ঘাটটি এখন জনভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এ নিয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করে অভিযোগ এড়িয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়, লকডাউনের শুরু থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়া নিয়ে প্রতিবাদ কিংবা অভিযোগ করলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই ঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, মির্জাগঞ্জ পাড়ে জেলা পরিষদ নির্ধারিত ভাড়ার যে তালিকা দেওয়া আছে তাতে উল্লেখ আছে মানুষ জনপ্রতি ১০ টাকা, চালকসহ বাইসাইকেল ১২ টাকা, চালকসহ মোটরসাইকেল ২৫ টাকা, রিকশা/ভ্যান/ঠেলাগাড়ি ১৩ টাকা। তবে এসব নির্দেশনা কাগজে–কলমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। বর্তমানে খেয়ায় নদী পারাপার করতে জনপ্রতি ৫০ এবং মোটরসাইকেলপ্রতি ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। খেয়া পারাপার হওয়া যাত্রীরা বাড়তি এই ভাড়া আদায় নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন।
প্রতিদিন খেয়া পারাপার হওয়া একাধিক যাত্রী জানান, করোনার আগে পটুয়াখালী প্রান্তে যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করা হলেও এখন ট্রলারে বসে বাড়তি এই ভাড়া আদায় করা হয়। বাড়তি ভাড়া দিতে না চাইলে অনেক সময় ইজারাদারের লোকজনের কাছে অপমান–অপদস্থ হতে হয় বলেও জানান তাঁরা।
যাত্রী বেতাগী উপজেলার রহিম মিয়া বলেন, ‘করোনায় মানুষের আয় কমে গেলেও খেয়া ভাড়া কমে নাই। ভাড়া আরও পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে। ১০ টাকার ভাড়া এখন ৫০ টাকা। স্ত্রীকে নিয়ে জরুরি কাজে পটুয়াখালী আসছিলাম। পায়রাকুঞ্জ খেয়াঘাটে একবার এপার থেকে ওপারে গেলেই জনপ্রতি দিতে হয় ৫০ টাকা।’
মোটরসাইকেল নিয়ে পারাপার হওয়া যাত্রী মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘কিনার থেকে যাত্রীবোঝাই ট্রলার নদীর মাঝে এলেই ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন শুরু করে। মোটরসাইকেলসহ আমার ভাড়া রাখা হয়েছে ১০০ টাকা। ভাড়া উত্তোলনের কোনো রসিদও দেওয়া হয় না।’
বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে ইজারাদারের সঙ্গে সম্পৃক্ত শাহিন মিয়া। তিনি জানান, করোনাভাইরাসের কারণে লোকজন কম থাকায় ভাড়া একটু বেশি নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান মোহন বলেন, ‘লকডাউনের কারণে অফিশিয়ালি জেলা পরিষদের আওতাধীন খেয়াঘাটে চলাচল বন্ধ রয়েছে। এখানে কেউ বেশি ভাড়া নিলে সেই দায় আমাদের নয়।’
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।’

সরকারনির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে চার থেকে পাঁচ গুণ ভাড়া বেশি নিচ্ছেন ইজারাদারেরা। ফলে পটুয়াখালী সদর ও মির্জাগঞ্জ উপজেলার সংযোগে থাকা পায়রাকুঞ্জ খেয়া ঘাটটি এখন জনভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এ নিয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষকে দায়ী করে অভিযোগ এড়িয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়, লকডাউনের শুরু থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়া নিয়ে প্রতিবাদ কিংবা অভিযোগ করলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই ঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, মির্জাগঞ্জ পাড়ে জেলা পরিষদ নির্ধারিত ভাড়ার যে তালিকা দেওয়া আছে তাতে উল্লেখ আছে মানুষ জনপ্রতি ১০ টাকা, চালকসহ বাইসাইকেল ১২ টাকা, চালকসহ মোটরসাইকেল ২৫ টাকা, রিকশা/ভ্যান/ঠেলাগাড়ি ১৩ টাকা। তবে এসব নির্দেশনা কাগজে–কলমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। বর্তমানে খেয়ায় নদী পারাপার করতে জনপ্রতি ৫০ এবং মোটরসাইকেলপ্রতি ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। খেয়া পারাপার হওয়া যাত্রীরা বাড়তি এই ভাড়া আদায় নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন।
প্রতিদিন খেয়া পারাপার হওয়া একাধিক যাত্রী জানান, করোনার আগে পটুয়াখালী প্রান্তে যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায় করা হলেও এখন ট্রলারে বসে বাড়তি এই ভাড়া আদায় করা হয়। বাড়তি ভাড়া দিতে না চাইলে অনেক সময় ইজারাদারের লোকজনের কাছে অপমান–অপদস্থ হতে হয় বলেও জানান তাঁরা।
যাত্রী বেতাগী উপজেলার রহিম মিয়া বলেন, ‘করোনায় মানুষের আয় কমে গেলেও খেয়া ভাড়া কমে নাই। ভাড়া আরও পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে। ১০ টাকার ভাড়া এখন ৫০ টাকা। স্ত্রীকে নিয়ে জরুরি কাজে পটুয়াখালী আসছিলাম। পায়রাকুঞ্জ খেয়াঘাটে একবার এপার থেকে ওপারে গেলেই জনপ্রতি দিতে হয় ৫০ টাকা।’
মোটরসাইকেল নিয়ে পারাপার হওয়া যাত্রী মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘কিনার থেকে যাত্রীবোঝাই ট্রলার নদীর মাঝে এলেই ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন শুরু করে। মোটরসাইকেলসহ আমার ভাড়া রাখা হয়েছে ১০০ টাকা। ভাড়া উত্তোলনের কোনো রসিদও দেওয়া হয় না।’
বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে ইজারাদারের সঙ্গে সম্পৃক্ত শাহিন মিয়া। তিনি জানান, করোনাভাইরাসের কারণে লোকজন কম থাকায় ভাড়া একটু বেশি নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান মোহন বলেন, ‘লকডাউনের কারণে অফিশিয়ালি জেলা পরিষদের আওতাধীন খেয়াঘাটে চলাচল বন্ধ রয়েছে। এখানে কেউ বেশি ভাড়া নিলে সেই দায় আমাদের নয়।’
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে