পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীতে পৌর মিলনায়তন নির্মাণে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক পৌর মেয়র শফিকুল ইসলামসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাসেল রনি বাদী হয়ে কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন কাজের ঠিকাদার মো. শফিকুর রহমান, পৌরসভার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী অলক সমাদ্দার, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নিয়াজুর রহমান ও সাবেক হিসাবরক্ষক এস এম শাহিন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, পটুয়াখালী পৌরসভার অডিটরিয়াম নির্মাণের জন্য ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মো. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ৬ কোটি ৩৩ লাখ ১১ হাজার ২৬০ টাকা ৪৫ পয়সা চুক্তি মূল্যে ১৮ মাসের মেয়াদে চুক্তি করে। তবে নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় অডিটরিয়াম নির্মাণ বাবদ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫ কোটি ৩ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হলেও বাস্তবে ৩ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩০ টাকা ২৭ পয়সার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১ কোটি ৫২ লাখ ১৪ হাজার ৭০ টাকার অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করা হয়েছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশন পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাসেল রনি বলেন, ‘গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের নিয়ে আমরা অডিটরিয়ামটি পরিমাপ করিয়েছি। অতিরিক্ত বিল ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিশোধ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ হবেন এবং এর পর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে সাবেক মেয়র শফিকুল বলেন, ‘দুদকের ডিপার্টমেন্টের মামলা হয়েছে, এখন তদন্ত হবে। তবে অডিটরিয়ামটি ইতিমধ্যে ভাড়া দিচ্ছে এবং ব্যবহার করছে যা তদন্তে চলে আসবে। এটা শুধু একটি মহল আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মামলা করিয়েছে।’

পটুয়াখালীতে পৌর মিলনায়তন নির্মাণে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক পৌর মেয়র শফিকুল ইসলামসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাসেল রনি বাদী হয়ে কার্যালয়ে মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন কাজের ঠিকাদার মো. শফিকুর রহমান, পৌরসভার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী অলক সমাদ্দার, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নিয়াজুর রহমান ও সাবেক হিসাবরক্ষক এস এম শাহিন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, পটুয়াখালী পৌরসভার অডিটরিয়াম নির্মাণের জন্য ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মো. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ৬ কোটি ৩৩ লাখ ১১ হাজার ২৬০ টাকা ৪৫ পয়সা চুক্তি মূল্যে ১৮ মাসের মেয়াদে চুক্তি করে। তবে নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় অডিটরিয়াম নির্মাণ বাবদ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫ কোটি ৩ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হলেও বাস্তবে ৩ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩০ টাকা ২৭ পয়সার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১ কোটি ৫২ লাখ ১৪ হাজার ৭০ টাকার অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করা হয়েছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশন পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাসেল রনি বলেন, ‘গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের নিয়ে আমরা অডিটরিয়ামটি পরিমাপ করিয়েছি। অতিরিক্ত বিল ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিশোধ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ হবেন এবং এর পর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে সাবেক মেয়র শফিকুল বলেন, ‘দুদকের ডিপার্টমেন্টের মামলা হয়েছে, এখন তদন্ত হবে। তবে অডিটরিয়ামটি ইতিমধ্যে ভাড়া দিচ্ছে এবং ব্যবহার করছে যা তদন্তে চলে আসবে। এটা শুধু একটি মহল আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মামলা করিয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে