পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী-১ (সদর মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট এবং তাঁর বিবেকের বিপর্যয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও আসন্ন সংসদ নির্বাচনে এই আসনের জাতীয় পার্টের প্রার্থী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার হেতালিয়া বাঁধঘাটে কালিকাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাপা প্রার্থীর পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, ওবায়দুল কাদেরকে ফোনে বলেছেন আফজাল হোসেন বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট হয়েছেন। পথসভার বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেনের বিবেকের বিপর্যয় হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় পটুয়াখালী-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।
পথসভায় রুহুল আমিন বলেন, ‘আজ বিকেলে ওবায়দুল কাদের আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেছেন, কোনো অসুবিধা আছে আপনার? আমি বলেছি, আওয়ামী লীগসহ সবাই সহযোগিতা করেছে, কিন্তু একটা ছেলে বিপথগামী হয়েছে, পথভ্রষ্ট হয়েছে। তিনি বললেন, কে? আমি বললাম, আফজাল (বর্তমান সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক) তিনি বললেন, আরে রাখেন আপনি, আমার দল আপনার সাথে আছে। আপনি কাজ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বেস্ট উইশেস ফর ইউ। এটা আমাকে বলেছে, সুতরাং আলহামদুলিল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওখানে কে বা কাহারা মঞ্চে থেকে আফজালকে চালায়, আমি জানি না। ছেলেটি এত আদরের, এত স্নেহের, আমাদের মমতায় বড় হয়ে সে আজ পথভ্রষ্ট। সে যায় কংগ্রেস পার্টির এক লোককে সাপোর্ট করতে। তার বিবেকের বিপর্যয় হয়েছে। কারণ, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আমাকে লাঙ্গল দিয়েছে। কিন্তু সে কোন সাহসে কোন পাওয়ারে ডাব মার্কাকে সাপোর্ট দেয়?’
একপর্যায়ে রুহুল আমিন বলেন, ‘তাকে সাপোর্ট দেওয়ার চিঠি কে দিয়েছে সেটাও দেখাতে হবে। সে কি প্রাইম মিনিস্টারের চেয়েও বড় হয়ে গেছে? যারা দেশ চালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমার কথা হয়। নির্বাচনের পর এটা অনুসন্ধান করে দেখব। যাই হোক, কিছু বলার সুযোগ করে দিয়েছেন বাবা আফজাল, সে জন্য তাকে ধন্যবাদ।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, ‘সে আমাকে নিয়ে কেন আক্রমণাত্মক কথা বলছে সেটা আমি বলতে পারব না। তার এই বক্তব্য দেউলিয়ার আত্মপ্রকাশ, সে দেউলিয়া হয়ে গেছে। পটুয়াখালীর মানুষ তার এই বক্তব্য ভালোভাবে নেয়নি।’
উল্লেখ্য, এবি এম রুহুল আমিন হাওলাদার ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্যপদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ‘এ আসনে নৌকা নাই, লাঙ্গল হলো নৌকার ভাই’ এই স্লোগান দিয়ে সে সময় নির্বাচনী বৈতরণি পার করেছিলেন রুহুল। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

পটুয়াখালী-১ (সদর মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট এবং তাঁর বিবেকের বিপর্যয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও আসন্ন সংসদ নির্বাচনে এই আসনের জাতীয় পার্টের প্রার্থী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার হেতালিয়া বাঁধঘাটে কালিকাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাপা প্রার্থীর পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, ওবায়দুল কাদেরকে ফোনে বলেছেন আফজাল হোসেন বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট হয়েছেন। পথসভার বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেনের বিবেকের বিপর্যয় হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় পটুয়াখালী-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।
পথসভায় রুহুল আমিন বলেন, ‘আজ বিকেলে ওবায়দুল কাদের আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেছেন, কোনো অসুবিধা আছে আপনার? আমি বলেছি, আওয়ামী লীগসহ সবাই সহযোগিতা করেছে, কিন্তু একটা ছেলে বিপথগামী হয়েছে, পথভ্রষ্ট হয়েছে। তিনি বললেন, কে? আমি বললাম, আফজাল (বর্তমান সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক) তিনি বললেন, আরে রাখেন আপনি, আমার দল আপনার সাথে আছে। আপনি কাজ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বেস্ট উইশেস ফর ইউ। এটা আমাকে বলেছে, সুতরাং আলহামদুলিল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওখানে কে বা কাহারা মঞ্চে থেকে আফজালকে চালায়, আমি জানি না। ছেলেটি এত আদরের, এত স্নেহের, আমাদের মমতায় বড় হয়ে সে আজ পথভ্রষ্ট। সে যায় কংগ্রেস পার্টির এক লোককে সাপোর্ট করতে। তার বিবেকের বিপর্যয় হয়েছে। কারণ, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আমাকে লাঙ্গল দিয়েছে। কিন্তু সে কোন সাহসে কোন পাওয়ারে ডাব মার্কাকে সাপোর্ট দেয়?’
একপর্যায়ে রুহুল আমিন বলেন, ‘তাকে সাপোর্ট দেওয়ার চিঠি কে দিয়েছে সেটাও দেখাতে হবে। সে কি প্রাইম মিনিস্টারের চেয়েও বড় হয়ে গেছে? যারা দেশ চালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমার কথা হয়। নির্বাচনের পর এটা অনুসন্ধান করে দেখব। যাই হোক, কিছু বলার সুযোগ করে দিয়েছেন বাবা আফজাল, সে জন্য তাকে ধন্যবাদ।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, ‘সে আমাকে নিয়ে কেন আক্রমণাত্মক কথা বলছে সেটা আমি বলতে পারব না। তার এই বক্তব্য দেউলিয়ার আত্মপ্রকাশ, সে দেউলিয়া হয়ে গেছে। পটুয়াখালীর মানুষ তার এই বক্তব্য ভালোভাবে নেয়নি।’
উল্লেখ্য, এবি এম রুহুল আমিন হাওলাদার ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্যপদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ‘এ আসনে নৌকা নাই, লাঙ্গল হলো নৌকার ভাই’ এই স্লোগান দিয়ে সে সময় নির্বাচনী বৈতরণি পার করেছিলেন রুহুল। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে