দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় পৃথক অভিযানে গাঁজা, ইয়াবাসহ আটজনকে আটক করেছে পুলিশ ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেল। গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে এবং গতকাল বুধবার সকাল ও সন্ধ্যায় উপজেলা সদরে পৃথক তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তাঁরা হলেন উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা নুরু আলম (২৮), মিরাজ হোসেন (২৮), জালাল সিকদার (৫৫) ও জামাল শিকদার (৪৫); দশমিনা সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. অলিউল ইসলাম (৪৮) এবং উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা রিয়াদ হোসেন (৩২), ৫ নম্বর ওয়ার্ডর বাসিন্দা কাইয়ূম (৩৫) ও ডালিম (৩২)।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জালাল শিকদারের বসতঘরে গাঁজা প্যাকেট করার সময় নুরু আলম, মিরাজ হোসেন, জালাল সিকাদর ও জামাল শিকদারকে আটক এবং ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অপর দিকে গতকাল সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন আল হেলালের নেতৃত্বে পটুয়াখালী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের একটি দল উপজেলা সদরে ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অলিউলের ঘরে অভিযান পরিচালনা করে তাঁর কাছ থেকে ৫৬টি ইয়াবা উদ্ধার করেন।
একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনের সময় রিয়াদ, ডালিম ও কাইয়ূমকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, নুর আলম, মিরাজ হোসেন, জালাল সিকাদর ও অলিউলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। রিয়াদ, ডালিম ও কাইয়ূমকে আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাসের সাজা দেন। আটক ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় পৃথক অভিযানে গাঁজা, ইয়াবাসহ আটজনকে আটক করেছে পুলিশ ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেল। গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে এবং গতকাল বুধবার সকাল ও সন্ধ্যায় উপজেলা সদরে পৃথক তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
তাঁরা হলেন উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা নুরু আলম (২৮), মিরাজ হোসেন (২৮), জালাল সিকদার (৫৫) ও জামাল শিকদার (৪৫); দশমিনা সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. অলিউল ইসলাম (৪৮) এবং উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা রিয়াদ হোসেন (৩২), ৫ নম্বর ওয়ার্ডর বাসিন্দা কাইয়ূম (৩৫) ও ডালিম (৩২)।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জালাল শিকদারের বসতঘরে গাঁজা প্যাকেট করার সময় নুরু আলম, মিরাজ হোসেন, জালাল সিকাদর ও জামাল শিকদারকে আটক এবং ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অপর দিকে গতকাল সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন আল হেলালের নেতৃত্বে পটুয়াখালী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের একটি দল উপজেলা সদরে ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অলিউলের ঘরে অভিযান পরিচালনা করে তাঁর কাছ থেকে ৫৬টি ইয়াবা উদ্ধার করেন।
একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে গাঁজা সেবনের সময় রিয়াদ, ডালিম ও কাইয়ূমকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, নুর আলম, মিরাজ হোসেন, জালাল সিকাদর ও অলিউলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। রিয়াদ, ডালিম ও কাইয়ূমকে আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাসের সাজা দেন। আটক ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে