পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড় তেঁতুলিয়া উপজেলা সীমান্তে ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় পালিয়ে গেছেন ৯-১০ জন। এ সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছে থেকে হাইড্রোলিক কাটার, কাটিং প্লায়ার্স ও চাকু জব্দ করে বিজিবি।
আজ শনিবার বিকেলে ৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৯–১০ জনের বিরুদ্ধে বিজিবি তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার দেখায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কানকাটা এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন (৫০), আব্দুর রহিমের ছেলে ফরিদ (২৮), একই ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার লাল মিয়ার ছেলে ইউসুফ আলী (৩২) এবং একই এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে জুয়েল রানা (৩২)।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আজ ভোরে তেঁতুলিয়া উপজেলার কানাকাটা সীমান্তে টহল দেওয়ার সময় শারিয়ালজোত বিওপির সদস্যরা সীমান্তে গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে সীমান্তের বেরং নদীসংলগ্ন কানকাটা এলাকার ৪৩৭/৫ পিলার থেকে ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পৌঁছানো মাত্রই তাঁরা দেখতে পান ১৩–১৪ জন কাঁটাতারের দিক থেকে দৌড়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন।
এ সময় ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করতে পারলেও বাকিরা পালিয়ে যান। তাঁদের কাছে একটি হাইড্রোলিক কাটার, দুটি কাটিং প্লায়ার্স ও একটি চাকু জব্দ করা হয়।
বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানিয়েছেন, সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কেটে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তাঁরা পালিয়ে আসেন। চোরাচালানের উদ্দেশ্যে তাঁরা ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তেঁতুলিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরমান আলী বলেন, বিজিবি সীমান্ত থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পঞ্চগড় তেঁতুলিয়া উপজেলা সীমান্তে ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় পালিয়ে গেছেন ৯-১০ জন। এ সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছে থেকে হাইড্রোলিক কাটার, কাটিং প্লায়ার্স ও চাকু জব্দ করে বিজিবি।
আজ শনিবার বিকেলে ৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৯–১০ জনের বিরুদ্ধে বিজিবি তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার দেখায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কানকাটা এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন (৫০), আব্দুর রহিমের ছেলে ফরিদ (২৮), একই ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার লাল মিয়ার ছেলে ইউসুফ আলী (৩২) এবং একই এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে জুয়েল রানা (৩২)।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আজ ভোরে তেঁতুলিয়া উপজেলার কানাকাটা সীমান্তে টহল দেওয়ার সময় শারিয়ালজোত বিওপির সদস্যরা সীমান্তে গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে সীমান্তের বেরং নদীসংলগ্ন কানকাটা এলাকার ৪৩৭/৫ পিলার থেকে ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পৌঁছানো মাত্রই তাঁরা দেখতে পান ১৩–১৪ জন কাঁটাতারের দিক থেকে দৌড়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন।
এ সময় ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করতে পারলেও বাকিরা পালিয়ে যান। তাঁদের কাছে একটি হাইড্রোলিক কাটার, দুটি কাটিং প্লায়ার্স ও একটি চাকু জব্দ করা হয়।
বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানিয়েছেন, সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কেটে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তাঁরা পালিয়ে আসেন। চোরাচালানের উদ্দেশ্যে তাঁরা ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তেঁতুলিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরমান আলী বলেন, বিজিবি সীমান্ত থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে