পঞ্চগড়ে দেবীগঞ্জে কাঁচা চা পাতার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণসহ আট দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে ক্ষুদ্র চা চাষিরা। আজ রোববার শহরের বিজয় চত্বর এলাকায় এই মানববন্ধন হয়। এ সময় সড়কে কাঁচা চা পাতা ঢেলে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান চাষিরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পঞ্চগড়ের সম্ভাবনাময় চা শিল্প আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। কারখানা মালিকদের গড়ে তোলা সিন্ডিকেটের কারণে অনেক চা চাষি বাগান ধ্বংস করে আজ নিঃস্ব। ঋণের চাপে চাষিরা বাড়ি ছাড়া। চা শ্রমিকরাও কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ছেন।
তারা আরও বলেন, চা চাষের শুরুর দিকে যেখানে এক কেজি সবুজ চা পাতার মূল্য ছিল ৪০-৫০ টাকা। এখন তা সিন্ডিকেটের কারণে নেমে এসেছে ১৬-১৭ টাকায় এবং ২০-৫০% কর্তন করে চাষিদের অর্থ পরিশোধ করা হয়। যেখানে এক কেজি ভালো মানের সবুজ চা পাতা উৎপাদন করতে খরচ পড়ে ৩০-৩৫ টাকা। ফলে পঞ্চগড়ের চা চাষিরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
আট দফা দাবিগুলো হলো–প্রতি কেজি কাঁচা চা পাতার সর্বনিম্ন মূল্য ৪০ টাকা নির্ধারণ, চা আমদানি বন্ধ করে রপ্তানি করা, উন্নত সেচ ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সার প্রদান, সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান, সরকারি উদ্যোগে চা কারখানা গড়ে তোলা ও চা চাষিদের স্বার্থ সংরক্ষণ হয় এমন নীতিমালা প্রণয়ন।
শেষে চা চাষিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফুল আলম এর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ডুবি-কাটাখালী বাণিজ্যিক খালের ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ডুবি থেকে কাটাখালীর একমাত্র প্রধান সড়ক এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পুল বা সাঁকো। প্রায় এক দশক ধরে চলমান এ ভাঙনে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। খালের তীব্র ভাঙনে ইতিমধ্যে কয়েক শ একর ফসলি
৪ মিনিট আগে
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে কাবিটা প্রকল্পের রাস্তা সংস্কারের কাজ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশের এক দিন পরই কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে প্রকল্পের আওতায় রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা।
৮ মিনিট আগে
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামির দায়ের কোপে দুই পুলিশ কর্মকর্তা (অফিসার) আহত হয়েছেন। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২৬ মিনিট আগে
এর আগে কবর স্থানান্তরে বিলম্ব হচ্ছে—এমন তথ্য জানিয়েছিল আহমদ ছফার পরিবার। এ নিয়ে বুধবার (২৪ জুন) আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, ‘আহমদ ছফার কবর স্থানান্তরে সিটি করপোরেশন রাজি, জেলা প্রশাসন নীরব’।
১ ঘণ্টা আগে