
পাবনায় লিচুবাগানগুলোয় এখন লিচুর সমারোহ। কিছুদিনের মধ্যে বাজারে আসবে দেশি জাতের লিচু। সেগুলোতে এখন রং আসতে শুরু করেছে। আর বোম্বাইসহ অন্য জাতের লিচু এখনো সবুজ। সেগুলো বাজারে আসবে দিন বিশেক পর।
এবার মৌসুমের শুরুতে প্রচুর মুকুল দেখে আশায় বুক বেঁধেছিলেন চাষিরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও হয়েছে ভালো। তাই হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে।
জেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, পাবনায় ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার টন।
গত বুধবার সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকার কয়েকটি লিচুবাগান ঘুরে দেখা যায়, সবুজ পাতার ডালে ডালে দোল খাচ্ছে লাল টকটকে রসাল লিচু। এগুলো দেশীয় জাতের। আর অন্যান্য বাগানে বোম্বাই, মোজাফফরসহ অন্য জাতের লিচু এখনো সবুজ। তবে চাষিরা খুশি ফলন দেখে। আশানুরূপ দাম প্রত্যাশা তাঁদের।
আলাপকালে চাষিরা জানান, চলতি মৌসুমের শুরুতে বাগানগুলোতে গাছে গাছে দেখা যায় প্রচুর মুকুল। তখন থেকে আশায় বুক বাঁধেন তাঁরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও হয়েছে ভালো। অবশ্য গেল বছর আশানুরূপ ফলন মেলেনি।
লিচুচাষি আব্দুর রজিম বলেন, এ বছর মুকুল আসার পর থেকে সেচ, সার, কীটনাশক প্রয়োগ করে গাছের যত্ন নিয়েছেন তাঁরা। ফলন ভালো দেখে হাসি ফুটেছে সবার মুখে। গতবারের ক্ষতি পুষিয়ে এবার লাভের মুখ দেখবেন বলে জানান তিনি।
আরেক চাষি মহির উদ্দিন বলেন, আসলে পাবনার লিচুর সুনাম ও চাহিদা সারা দেশে। গত বছর লিচু আবাদে লোকসান গুনতে হয়েছে। এবার ৫০টি লিচুগাছ থেকে ২-৩ লাখ টাকার লিচু বিক্রির আশা করছেন তিনি।
লিচুচাষি নুর হোসেন বলেন, দেশি জাতের লিচু আগে পাকে। সেটাই এখন গাছে। এটাই এখন বাজারে উঠবে। আর বোম্বাই, মোজাফফরসহ অন্য জাতের লিচু বাজারে আসবে কোরবানির ঈদের পর।
পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক বলেন, ‘আমরা ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছিলাম ৩৫ হাজার টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। চাষিরাও গাছের প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করেছেন। ফলে এবার ফলন ৫০ হাজার টন আশা করা হচ্ছে।’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কুতুবপুর অঞ্চলের বাসিন্দা নুসরাত জাহান। পরিবারের রান্নার জন্য দিনে ৩-৪ ঘণ্টা তাঁকে থাকতে হয় রান্নাঘরে। তবে সম্প্রতি একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনায় উদ্বিগ্ন তিনি। এ কারণে রান্নাঘরে যেতে ভয় পান। আতঙ্ক নিয়ে করছেন রান্না। শুধু নুসরাত নন, নারায়ণঞ্জের অনেকে এখন ভুগছেন বিস্ফোরণ-আতঙ্কে।
৬ মিনিট আগে
ভালো ফলনের আশায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) থেকে প্যাকেটজাত ব্রি-৮৮ ধানের বীজ কিনে জমিতে রোপণ করেছিলেন নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার হাওরপাড়ের কৃষক গোলাপ মিয়া। কিন্তু আশার বদলে এখন হতাশাই সঙ্গী—একই জমিতে দেখা মিলছে তিন-চার ধরনের ধানগাছ, যা নিয়ে মহাবিপদে তিনি।
৬ মিনিট আগে
চাঁদপুরের দুটি সেচ প্রকল্পে বোরো না করে অন্য ফসল আবাদ ও অবৈধ বসতি গড়ে ওঠায় ২৭ হাজার হেক্টর জমি কমেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, সেচের খালগুলো পুনরুদ্ধার ও বসতি উচ্ছেদে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এবং ঝরে পড়া রোধে সরকারের একটি ভালো উদ্যোগ ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি। কিন্তু বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধা পাকা ও কাঁচা কলা, পচা ডিম, বাসি পাউরুটিসহ নিম্নমানের খাবার বিতরণের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে দুদিন পরপর।
১ ঘণ্টা আগে