ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

ভাষা শহীদদের স্মরণে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ময়দানদীঘি বাজারে নির্মিত শহীদ মিনারটি অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে। ময়লা-আবর্জনা ও আগাছায় ভরে গেছে শহীদ মিনার চত্বর। স্থানটি থেকে মানুষের মলমূত্রের দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া শহীদ মিনারটির জায়গা দখল করে রেখেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রায় ত্রিশ বছর আগে উপজেলার ময়দানদিঘী বাজারের উত্তরপাশে কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন সরকারি ভূমিতে নির্মাণ করা হয় একটি শহীদ মিনার। খাঁনমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত শহীদ মিনারটিতে স্থানীয় লোকজন প্রতি বছর ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতেন। কিন্তু এলাকার প্রভাবশালী মহল শহীদ মিনারটির প্রবেশ পথসহ জায়গা দখল করে ঘর তুলেছেন। এতে করে শহীদ মিনারটিতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। বর্তমানে শহীদ মিনার চত্বরটি ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন এলাকাবাসী, শহীদ মিনারটির এমন অযত্ন ও অবহেলায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার একজন সচেতন ব্যক্তি জানান, শহীদ মিনারের জায়গা দখল করে রেখেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। এ ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে শহীদ মিনারটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আমিন জানান, শহীদ মিনারটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে আছে। সেখানে মানুষ মল-মূত্র ত্যাগ করছে। শহীদ মিনারের জায়গা দখল করে মানুষ ঘর তুলেছেন। শহীদ মিনারটি দখলমুক্ত করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ করে দিতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, শহীদ মিনারটিতে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভাষা শহীদদের স্মরণে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ময়দানদীঘি বাজারে নির্মিত শহীদ মিনারটি অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে। ময়লা-আবর্জনা ও আগাছায় ভরে গেছে শহীদ মিনার চত্বর। স্থানটি থেকে মানুষের মলমূত্রের দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া শহীদ মিনারটির জায়গা দখল করে রেখেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রায় ত্রিশ বছর আগে উপজেলার ময়দানদিঘী বাজারের উত্তরপাশে কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন সরকারি ভূমিতে নির্মাণ করা হয় একটি শহীদ মিনার। খাঁনমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে নির্মিত শহীদ মিনারটিতে স্থানীয় লোকজন প্রতি বছর ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতেন। কিন্তু এলাকার প্রভাবশালী মহল শহীদ মিনারটির প্রবেশ পথসহ জায়গা দখল করে ঘর তুলেছেন। এতে করে শহীদ মিনারটিতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। বর্তমানে শহীদ মিনার চত্বরটি ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন এলাকাবাসী, শহীদ মিনারটির এমন অযত্ন ও অবহেলায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার একজন সচেতন ব্যক্তি জানান, শহীদ মিনারের জায়গা দখল করে রেখেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। এ ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে শহীদ মিনারটি ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আমিন জানান, শহীদ মিনারটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে আছে। সেখানে মানুষ মল-মূত্র ত্যাগ করছে। শহীদ মিনারের জায়গা দখল করে মানুষ ঘর তুলেছেন। শহীদ মিনারটি দখলমুক্ত করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ করে দিতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, শহীদ মিনারটিতে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে