পাবনা ও ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে আরেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাব্বির হোসেনকে উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত মেহেদী হাসান রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গুড়া পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সাব্বির হোসেন বাদী হয়ে গতকাল শুক্রবার রাতে ফরিদপুর থানায় মেহেদী হাসান রানা, সজীব হোসেন ও হিমেল আহমেদসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনের নামে মামলা দায়ের করেছেন।
সাব্বির হোসেন (৩০) পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর উপজেলার বৃলাহীরিবাড়ী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।
গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান রানা (৩৫) ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের সারুটিয়া মহল্লার বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক যুবককে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তিনি সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতেন। তাঁর নামে থানায় একাধিক মাদক ও চুরির মামলা রয়েছে।
সজীবের বাড়ি ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের কালিবাড়ি মহল্লায় ও হিমেলের বাড়ি ভদ্রপাড়া মহল্লায়।
মামলার এজাহার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে মেহেদী হাসান রানা, সজীব ও হিমেলসহ ৫–৬ জন যুবক তিনটি মোটরসাইকেলে ফরিদপুর উপজেলার বৃলাহীরিবাড়ী ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামে গিয়ে ডিবি পরিচয় দিয়ে সাব্বিরকে ফেনসিডিল ব্যবসায়ী বলে মোটরসাইকেলে তোলার চেষ্টা করেন।
এ সময় সাব্বির চিৎকার দিলে তাঁকে চেতনানাশক স্প্রে করে মোটরসাইকেলে তুলে ভাঙ্গুড়া পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে একটি ফাঁকা বাড়িতে আটকে রাখেন। সেখানে সাব্বিরকে মারধর করে সাব্বিরের মোবাইলে বিকাশে থাকা ৫ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করে নেয়। এ ছাড়া সাব্বিরের মোবাইল থেকে তাঁর বাড়িতে ফোন করে মুক্তিপণের জন্য পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ওই বাড়িতে আসতে বলা হয়।
তখন সাব্বিরের পরিবার বিষয়টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রিপন আহমেদকে জানায়। রিপন আহমেদ ফরিদপুর ও ভাঙ্গুড়া থানায় যোগাযোগ করলে ভুয়া ডিবি পুলিশ সেজে সাব্বিরকে অপহরণ করেছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
এরপর রিপন আহমেদ এবং ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গফুরসহ ২০–২৫ যুবক ভাঙ্গুড়ায় আব্দুল আলীমের বাড়িতে এসে পুলিশের সহযোগিতায় সাব্বিরকে উদ্ধার করেন। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মেহেদী হাসান রানাকে আটক করে পুলিশ। তাঁর অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যায়। ওই বাড়িতে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জামাদিও পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার ভদ্রপাড়া মহল্লার রিয়েল সিপিএ নেটওয়ার্ক নামের একটি অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এই ফাঁকা বাড়ি বেশ কিছুদিন আগে ভাড়া নেয়। মেহেদী হাসান, সজীব, হিমেল ও সুমনসহ ওই প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন যুবক এখানে মাদক সেবন করেন বলে অভিযোগ আছে। এ ছাড়া কাউকে অপহরণ করলে তাঁরা এই বাড়িতে এনে আটক করে রাখে বলে একাধিক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করে।
দুই সপ্তাহ আগে ভাঙ্গুড়া পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিন্দাবাদ নামের এক যুবককে অপহরণ করে এই বাড়িতে আটকে রাখা হয়। পরে দশ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে সিন্দাবাদকে ছাড়িয়ে নেয় পরিবার। সিন্দাবাদ ওই মহল্লার রেজাউল করিমের ছেলে।
আটকের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের মেহেদী হাসান রানা বলেন, ‘আমি সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে এসেছি। ডিবি পরিচয় দেইনি।’
মাদক ব্যবসা ও অন্যান্য অপহরণের বিষয়ে রানা বলেন, ‘আগে দু–একটি ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন আমি ভালো হয়ে গেছি।’
এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আহমেদ শরীফ ডাবলু বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। সংগঠন করে কেউ মাদক ব্যবসা, অপহরণের মতো অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকাটা দুঃখজনক। তার কারণে দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দ্রুতই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বৃলাহীরিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রিপন আহমেদ বলেন, ‘কি ভয়ংকর ব্যাপার। স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন নেতা দিনের পর দিন সাংবাদিক ও প্রশাসন পরিচয় দিয়ে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা করছে। প্রশাসনের কাছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছি।’
ভাঙ্গুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভাঙ্গুড়া থানা–পুলিশ অপহৃত সাব্বিরকে উদ্ধারের পর ফরিদপুর থানায় হস্তান্তর করেছে। অপহরণের ঘটনাটি ফরিদপুর থানা এলাকায় হওয়ায় সেখানে মামলা হয়েছে।’ তবে মেহেদী হাসান রানার বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মাদক ও অপহরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
চাটমোহর সার্কেলের (ভাঙ্গুড়া–ফরিদপুর–চাটমোহর) সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় মেহেদী হাসান রানাসহ কয়েকজনকে আসামি করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। রানাকে আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়কের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে আরেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাব্বির হোসেনকে উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত মেহেদী হাসান রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ভাঙ্গুড়া পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সাব্বির হোসেন বাদী হয়ে গতকাল শুক্রবার রাতে ফরিদপুর থানায় মেহেদী হাসান রানা, সজীব হোসেন ও হিমেল আহমেদসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনের নামে মামলা দায়ের করেছেন।
সাব্বির হোসেন (৩০) পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর উপজেলার বৃলাহীরিবাড়ী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।
গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান রানা (৩৫) ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের সারুটিয়া মহল্লার বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক যুবককে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তিনি সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতেন। তাঁর নামে থানায় একাধিক মাদক ও চুরির মামলা রয়েছে।
সজীবের বাড়ি ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের কালিবাড়ি মহল্লায় ও হিমেলের বাড়ি ভদ্রপাড়া মহল্লায়।
মামলার এজাহার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে মেহেদী হাসান রানা, সজীব ও হিমেলসহ ৫–৬ জন যুবক তিনটি মোটরসাইকেলে ফরিদপুর উপজেলার বৃলাহীরিবাড়ী ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামে গিয়ে ডিবি পরিচয় দিয়ে সাব্বিরকে ফেনসিডিল ব্যবসায়ী বলে মোটরসাইকেলে তোলার চেষ্টা করেন।
এ সময় সাব্বির চিৎকার দিলে তাঁকে চেতনানাশক স্প্রে করে মোটরসাইকেলে তুলে ভাঙ্গুড়া পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে একটি ফাঁকা বাড়িতে আটকে রাখেন। সেখানে সাব্বিরকে মারধর করে সাব্বিরের মোবাইলে বিকাশে থাকা ৫ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করে নেয়। এ ছাড়া সাব্বিরের মোবাইল থেকে তাঁর বাড়িতে ফোন করে মুক্তিপণের জন্য পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ওই বাড়িতে আসতে বলা হয়।
তখন সাব্বিরের পরিবার বিষয়টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রিপন আহমেদকে জানায়। রিপন আহমেদ ফরিদপুর ও ভাঙ্গুড়া থানায় যোগাযোগ করলে ভুয়া ডিবি পুলিশ সেজে সাব্বিরকে অপহরণ করেছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
এরপর রিপন আহমেদ এবং ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গফুরসহ ২০–২৫ যুবক ভাঙ্গুড়ায় আব্দুল আলীমের বাড়িতে এসে পুলিশের সহযোগিতায় সাব্বিরকে উদ্ধার করেন। এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মেহেদী হাসান রানাকে আটক করে পুলিশ। তাঁর অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যায়। ওই বাড়িতে মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জামাদিও পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার ভদ্রপাড়া মহল্লার রিয়েল সিপিএ নেটওয়ার্ক নামের একটি অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এই ফাঁকা বাড়ি বেশ কিছুদিন আগে ভাড়া নেয়। মেহেদী হাসান, সজীব, হিমেল ও সুমনসহ ওই প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন যুবক এখানে মাদক সেবন করেন বলে অভিযোগ আছে। এ ছাড়া কাউকে অপহরণ করলে তাঁরা এই বাড়িতে এনে আটক করে রাখে বলে একাধিক ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করে।
দুই সপ্তাহ আগে ভাঙ্গুড়া পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিন্দাবাদ নামের এক যুবককে অপহরণ করে এই বাড়িতে আটকে রাখা হয়। পরে দশ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে সিন্দাবাদকে ছাড়িয়ে নেয় পরিবার। সিন্দাবাদ ওই মহল্লার রেজাউল করিমের ছেলে।
আটকের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের মেহেদী হাসান রানা বলেন, ‘আমি সংবাদকর্মী পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে এসেছি। ডিবি পরিচয় দেইনি।’
মাদক ব্যবসা ও অন্যান্য অপহরণের বিষয়ে রানা বলেন, ‘আগে দু–একটি ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন আমি ভালো হয়ে গেছি।’
এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আহমেদ শরীফ ডাবলু বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। সংগঠন করে কেউ মাদক ব্যবসা, অপহরণের মতো অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকাটা দুঃখজনক। তার কারণে দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দ্রুতই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বৃলাহীরিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রিপন আহমেদ বলেন, ‘কি ভয়ংকর ব্যাপার। স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন নেতা দিনের পর দিন সাংবাদিক ও প্রশাসন পরিচয় দিয়ে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা করছে। প্রশাসনের কাছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছি।’
ভাঙ্গুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভাঙ্গুড়া থানা–পুলিশ অপহৃত সাব্বিরকে উদ্ধারের পর ফরিদপুর থানায় হস্তান্তর করেছে। অপহরণের ঘটনাটি ফরিদপুর থানা এলাকায় হওয়ায় সেখানে মামলা হয়েছে।’ তবে মেহেদী হাসান রানার বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মাদক ও অপহরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
চাটমোহর সার্কেলের (ভাঙ্গুড়া–ফরিদপুর–চাটমোহর) সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় মেহেদী হাসান রানাসহ কয়েকজনকে আসামি করে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। রানাকে আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে