ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে জঙ্গল থেকে জিহাদ হোসেন (৯) নামে নিখোঁজ এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আজ শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা উপজেলার দাশুড়িয়া তেঁতুলতলা গোডাউন এলাকায় জঙ্গলের ভেতরে মৃতদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে সেটি উদ্ধার করে। পুলিশ বলছে, ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা করা হতে পারে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মৃত জিহাদ হোসেন দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মুর্শিদপুর গ্রামের তেঁতুলতলা এলাকার হাসেম আলীর ছেলে এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়রা জানান, স্কুলছাত্র জিহাদ হোসেন শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতভর অনেক খোঁজাখুঁজির পরও পরিবারের লোকজন তাকে পায়নি। পরে গতকাল শনিবার ভোর ৬টার দিকে পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী তেঁতুলতলা গোডাউন এলাকায় একটি জঙ্গলে ঝোপের মধ্যে মরদেহটি দেখতে পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে এবং পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেখানে থেকে মৃত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘শিশুটির পরণের প্যান্ট খোলা ও জামায় ধ্বস্তাধস্তির চিহ্ন দেখা গেছে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রেখেছে। তবে এই মুহূর্তে এর বাইরে কিছু বলতে পারছি না। ওই গোডাউন এলাকায় প্রায় সময় আড্ডা দেওয়া সন্দেহভাজন এক ট্রলিচালককে দুপুরে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে তার কাছ থেকে।’
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য শিশুর মরদেহ পাবনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে জঙ্গল থেকে জিহাদ হোসেন (৯) নামে নিখোঁজ এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আজ শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা উপজেলার দাশুড়িয়া তেঁতুলতলা গোডাউন এলাকায় জঙ্গলের ভেতরে মৃতদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে সেটি উদ্ধার করে। পুলিশ বলছে, ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা করা হতে পারে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মৃত জিহাদ হোসেন দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মুর্শিদপুর গ্রামের তেঁতুলতলা এলাকার হাসেম আলীর ছেলে এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়রা জানান, স্কুলছাত্র জিহাদ হোসেন শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতভর অনেক খোঁজাখুঁজির পরও পরিবারের লোকজন তাকে পায়নি। পরে গতকাল শনিবার ভোর ৬টার দিকে পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী তেঁতুলতলা গোডাউন এলাকায় একটি জঙ্গলে ঝোপের মধ্যে মরদেহটি দেখতে পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে এবং পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেখানে থেকে মৃত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘শিশুটির পরণের প্যান্ট খোলা ও জামায় ধ্বস্তাধস্তির চিহ্ন দেখা গেছে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশুকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রেখেছে। তবে এই মুহূর্তে এর বাইরে কিছু বলতে পারছি না। ওই গোডাউন এলাকায় প্রায় সময় আড্ডা দেওয়া সন্দেহভাজন এক ট্রলিচালককে দুপুরে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে তার কাছ থেকে।’
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য শিশুর মরদেহ পাবনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে