পাবনা সদর ও বেড়া প্রতিনিধি

পাবনার বেড়া উপজেলায় এক বৃদ্ধকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বৃদ্ধের নাম সৈয়দ শামছুর রহমান। তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলার দয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই বৃদ্ধ (৯০) লোকটি বেড়া উপজেলার কাজীরহাট এলাকায় রাস্তার ওপর অসুস্থ অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তিনি অসুস্থতার কারণে খুব বেশি তথ্য দিতে পারছেন না। শুধু নাম আর ঠিকানা বলতে পারছেন। তিনি এখানে কীভাবে এলেন জানতে চাইলে জানিয়েছেন, তিনি অনেক দিন ধরে পায়ের সমস্যায় ভুগছেন। সন্তানেরা চিকিৎসা না করে এখানে ফেলে গেছে। স্থানীয়রা জানান, তিনি বারবার একটা কথাই সবাইকে বলছিলেন, ‘আমাকে আপনারা চিকিৎসা করান।’
বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নজরে আসে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুর আলীর। তিনি শুক্রবার রাতে ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। শনিবার সকালে ইউএনও নতুন জামা-কাপড় নিয়ে তাঁকে দেখতে যান। এ সময় বৃদ্ধের শরীরের অবস্থা বিবেচনায় চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন ইউএনও।
এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ফাতেমাতুয-যোহরা বলেন, বৃদ্ধকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর পায়ে পচন ও পোকা ধরেছে। ডায়বেটিস উচ্চমাত্রায় থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহা. সবুর আলী বলেন, বৃদ্ধের চিকিৎসার সব ব্যয়ভার বেড়া উপজেলা প্রশাসন বহন করবে। বর্তমানে তিনি খুব অসুস্থ হওয়ায় কথা বলতে পারছেন না। সেজন্য এখনো তাঁর বিষয়ে বিস্তারিত জানা সম্ভব হচ্ছে না। একটু সুস্থ হলেই সব তথ্য পাওয়া যাবে। তখন তাঁকে পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পাবনার বেড়া উপজেলায় এক বৃদ্ধকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। বৃদ্ধের নাম সৈয়দ শামছুর রহমান। তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলার দয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই বৃদ্ধ (৯০) লোকটি বেড়া উপজেলার কাজীরহাট এলাকায় রাস্তার ওপর অসুস্থ অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তিনি অসুস্থতার কারণে খুব বেশি তথ্য দিতে পারছেন না। শুধু নাম আর ঠিকানা বলতে পারছেন। তিনি এখানে কীভাবে এলেন জানতে চাইলে জানিয়েছেন, তিনি অনেক দিন ধরে পায়ের সমস্যায় ভুগছেন। সন্তানেরা চিকিৎসা না করে এখানে ফেলে গেছে। স্থানীয়রা জানান, তিনি বারবার একটা কথাই সবাইকে বলছিলেন, ‘আমাকে আপনারা চিকিৎসা করান।’
বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নজরে আসে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুর আলীর। তিনি শুক্রবার রাতে ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। শনিবার সকালে ইউএনও নতুন জামা-কাপড় নিয়ে তাঁকে দেখতে যান। এ সময় বৃদ্ধের শরীরের অবস্থা বিবেচনায় চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন ইউএনও।
এ বিষয়ে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ফাতেমাতুয-যোহরা বলেন, বৃদ্ধকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর পায়ে পচন ও পোকা ধরেছে। ডায়বেটিস উচ্চমাত্রায় থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহা. সবুর আলী বলেন, বৃদ্ধের চিকিৎসার সব ব্যয়ভার বেড়া উপজেলা প্রশাসন বহন করবে। বর্তমানে তিনি খুব অসুস্থ হওয়ায় কথা বলতে পারছেন না। সেজন্য এখনো তাঁর বিষয়ে বিস্তারিত জানা সম্ভব হচ্ছে না। একটু সুস্থ হলেই সব তথ্য পাওয়া যাবে। তখন তাঁকে পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে