পাবনা প্রতিনিধি

পাবনায় ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণকারী আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ খানের বাড়ি ভাঙচুরের সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করায় পৌর ছাত্রলীগ নেতা কাজী তুষারকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে ছাত্র-জনতা।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের শালগাড়িয়ায় পাবনা জেনারেল হাসপাতাল সড়ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক তুষার পৌর সদরের শালগাড়িয়া শাপলা প্লাস্টিক মোড় এলাকার কাজী সুলতানের ছেলে। তিনি পাবনা পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেল ৫টার দিকে শহরের গোডাউন মোড়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি করে দুজন শিক্ষার্থী হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদের বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন ছাত্র-জনতা।
ব্যাপক ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উৎসুক জনতা হিসেবে গোপনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ দেখতে এবং ছবি তুলছিলেন কাজী তুষার।
এ সময় ছাত্র-জনতার একজন তাঁকে দেখে চিনে ফেলে। তখন ছাত্র-জনতা ধাওয়া দিলে তিনি পাশের জালাল মেমোরিয়াল হাসপাতালে ঢুকে পড়েন। সেখানে তাঁকে ছাত্র-জনতা ঘিরে ধরে। বেগতিক দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে সেখান থেকে বের করে দিলে ছাত্র-জনতা ব্যাপক গণপিটুনি দেয়। এরপর তুষার দৌড়ে পাশের পশ্চিম শালগাড়িয়া জামে মসজিদে ঢুকে পড়েন। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা আহতাবস্থায় তুষারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলা আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

পাবনায় ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণকারী আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ খানের বাড়ি ভাঙচুরের সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করায় পৌর ছাত্রলীগ নেতা কাজী তুষারকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে ছাত্র-জনতা।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের শালগাড়িয়ায় পাবনা জেনারেল হাসপাতাল সড়ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক তুষার পৌর সদরের শালগাড়িয়া শাপলা প্লাস্টিক মোড় এলাকার কাজী সুলতানের ছেলে। তিনি পাবনা পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেল ৫টার দিকে শহরের গোডাউন মোড়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি করে দুজন শিক্ষার্থী হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদের বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন ছাত্র-জনতা।
ব্যাপক ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উৎসুক জনতা হিসেবে গোপনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ দেখতে এবং ছবি তুলছিলেন কাজী তুষার।
এ সময় ছাত্র-জনতার একজন তাঁকে দেখে চিনে ফেলে। তখন ছাত্র-জনতা ধাওয়া দিলে তিনি পাশের জালাল মেমোরিয়াল হাসপাতালে ঢুকে পড়েন। সেখানে তাঁকে ছাত্র-জনতা ঘিরে ধরে। বেগতিক দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে সেখান থেকে বের করে দিলে ছাত্র-জনতা ব্যাপক গণপিটুনি দেয়। এরপর তুষার দৌড়ে পাশের পশ্চিম শালগাড়িয়া জামে মসজিদে ঢুকে পড়েন। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা আহতাবস্থায় তুষারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলা আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১২ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৬ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৭ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৫ মিনিট আগে