ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মার চরে খাস জমি দখল নিয়ে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় ঈশ্বরদী থানা, নৌ-পুলিশ ও র্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে।
লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাঁড়া ইউনিয়নের চরবিলবামুনি মৌজায় সহস্রাধিক খাসজমি রয়েছে। ইতিপূর্বে এসব খাস জমি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় দখল নিয়ে চাষাবাদ করে আসছিল। সরকার পতনের পর চরের ওই জমি নিজেদের দখলে নিতে স্থানীয় যুবদলের সদস্য সোহান হোসেন বিপু ওরফে ল্যাড়া বিপুর সঙ্গে যুবদলের আরেক জুয়েল হোসেনের বিরোধ শুরু হয়। কয়েক দিন আগে আমিন ডেকে এনে ওই জমি পরিমাপও করা হয়। জুয়েল ও বিপু উভয়ই তখন উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু নিষ্পত্তি না হওয়ায় বিরোধ থেকেই যায়।
ঘটনার দিন (শুক্রবার) বিকেলের দিকে সোহান হোসেন বিপু দুটি নৌকায় ২৫ থেকে ৩০ জন যুবককে নিয়ে চরবিলবামুনির খাস জমি দখল নিতে যায়। এ সময় পদ্মার চরে দেখা হয় প্রতিপক্ষ শিমুল ও তার লোকজনের সঙ্গে। উভয় পক্ষ জমির দখল নিয়ে প্রথমে তর্কাতর্কি ও পরে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে রেজাউল নামে এক ব্যক্তিকে জোরপূর্বক নৌকায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রচণ্ড গোলাগুলি শুরু হয়।
উভয় পক্ষই ১৫ থেকে ২০ রাউন্ড গুলি চালায়। এ সময় শিমুল হোসেন (২১) নামে যুবদলের এক কর্মী পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌপুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে ৫-৬ মিনিট গোলাগুলি হয়েছে। তবে স্থানীয়রা জানান, ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধরে চলা উভয় পক্ষের সংঘর্ষ ও গালাগুলির শব্দে আরামবাড়িয়া নদীপাড়ের মানুষ ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব আসার পর উভয় পক্ষ পালিয়ে যায়।
নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. আকিবুল ইসলাম মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চরের খাস জমির দখল ও জমিতে চাষাবাদ নিয়ে স্থানীয় যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার বা মামলা হননি। ঘটনা জানার পরপরই ঈশ্বরদী থানা-পুলিশ, নৌপুলিশ ও র্যাব সদস্যরা সেখানে অভিযান শুরু করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ সময় কাউকে পাওয়া যায়নি।’

পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মার চরে খাস জমি দখল নিয়ে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় ঈশ্বরদী থানা, নৌ-পুলিশ ও র্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে।
লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাঁড়া ইউনিয়নের চরবিলবামুনি মৌজায় সহস্রাধিক খাসজমি রয়েছে। ইতিপূর্বে এসব খাস জমি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় দখল নিয়ে চাষাবাদ করে আসছিল। সরকার পতনের পর চরের ওই জমি নিজেদের দখলে নিতে স্থানীয় যুবদলের সদস্য সোহান হোসেন বিপু ওরফে ল্যাড়া বিপুর সঙ্গে যুবদলের আরেক জুয়েল হোসেনের বিরোধ শুরু হয়। কয়েক দিন আগে আমিন ডেকে এনে ওই জমি পরিমাপও করা হয়। জুয়েল ও বিপু উভয়ই তখন উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু নিষ্পত্তি না হওয়ায় বিরোধ থেকেই যায়।
ঘটনার দিন (শুক্রবার) বিকেলের দিকে সোহান হোসেন বিপু দুটি নৌকায় ২৫ থেকে ৩০ জন যুবককে নিয়ে চরবিলবামুনির খাস জমি দখল নিতে যায়। এ সময় পদ্মার চরে দেখা হয় প্রতিপক্ষ শিমুল ও তার লোকজনের সঙ্গে। উভয় পক্ষ জমির দখল নিয়ে প্রথমে তর্কাতর্কি ও পরে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে রেজাউল নামে এক ব্যক্তিকে জোরপূর্বক নৌকায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রচণ্ড গোলাগুলি শুরু হয়।
উভয় পক্ষই ১৫ থেকে ২০ রাউন্ড গুলি চালায়। এ সময় শিমুল হোসেন (২১) নামে যুবদলের এক কর্মী পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌপুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে ৫-৬ মিনিট গোলাগুলি হয়েছে। তবে স্থানীয়রা জানান, ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধরে চলা উভয় পক্ষের সংঘর্ষ ও গালাগুলির শব্দে আরামবাড়িয়া নদীপাড়ের মানুষ ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব আসার পর উভয় পক্ষ পালিয়ে যায়।
নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. আকিবুল ইসলাম মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চরের খাস জমির দখল ও জমিতে চাষাবাদ নিয়ে স্থানীয় যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার বা মামলা হননি। ঘটনা জানার পরপরই ঈশ্বরদী থানা-পুলিশ, নৌপুলিশ ও র্যাব সদস্যরা সেখানে অভিযান শুরু করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ সময় কাউকে পাওয়া যায়নি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে