সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার সাঁথিয়ায় ভারী বর্ষণে ধসে গেছে কাশিনাথপুর রেলস্টেশনের সংযোগ সড়ক। এই সড়ক দিয়ে ট্রেন ভ্রমণগামীদের চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়াও ঝোড়ো বাতাসে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের চার বাড়ির টিনের ঘরসহ গাছ ভেঙে পড়েছে। বিচ্ছিন্ন রয়েছে এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের রেলওয়ের বাইপাস সড়ক ভারী বর্ষণে ধসে গেছে। কাশিনাথপুর ডাবতলা থেকে কাশিনাথপুর রেলওয়ের সড়কের হেদায়েত গ্রামের মোড় পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলাকাবাসীর ধারণা, রাস্তার ভেতর দিয়ে ইঁদুরের গর্ত থাকায় সেখান দিয়ে পানি গিয়ে এমনটা হয়েছে।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে উপজেলার ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের পূর্ব পাড়ায় ঝোড়ো বাতাসে চারটি পরিবারের ৬টি টিনের ঘর ভেঙে গেছে। অনেক ঘরের চালের টিন উড়ে গেছে। বাতাসে বড় গাছ পড়ে ঘর ভেঙে গেছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
বিষ্ণুপুর গ্রামের মজনু, ইউছুব, ইঊনুছ ও শহীদের ৬টি টিনের ঘর ভেঙে গেছে। বৈদ্যুতিক তারের ওপর গাছ পরার কারণে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্ধ ছিল।
আজ শুক্রবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভেঙে যাওয়া ঘর মেরামত করছে স্ব স্ব পরিবারের সদস্যরা। ভেঙে পড়া গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। অন্যদিকে দুই দিনব্যাপী বিরামহীন ভারী বর্ষণে উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি জমে অনেকেই পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়া চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার খাল-বিল, পুকুর পানিতে ভরে গেছে।
বিষ্ণুপুর গ্রামের মজনু জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিকট শব্দ হয়ে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ঘর ও গাছ ভেঙে পড়ে ও বিদ্যুতের লাইন বন্ধ হয়ে যায়।
কাশিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাজিবুল হাসান সুজন বলেন, ভাঙা এ সড়কের জন্য যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেলস্টেশনে যাওয়ার জন্য রাস্তার ডান পাশে জায়গা রয়েছে। পাশ দিয়ে একটু সাবধানে যেতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, ‘রেল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। খুব দ্রুতই এটা ঠিক করা হবে।’

পাবনার সাঁথিয়ায় ভারী বর্ষণে ধসে গেছে কাশিনাথপুর রেলস্টেশনের সংযোগ সড়ক। এই সড়ক দিয়ে ট্রেন ভ্রমণগামীদের চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়াও ঝোড়ো বাতাসে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের চার বাড়ির টিনের ঘরসহ গাছ ভেঙে পড়েছে। বিচ্ছিন্ন রয়েছে এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের রেলওয়ের বাইপাস সড়ক ভারী বর্ষণে ধসে গেছে। কাশিনাথপুর ডাবতলা থেকে কাশিনাথপুর রেলওয়ের সড়কের হেদায়েত গ্রামের মোড় পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এলাকাবাসীর ধারণা, রাস্তার ভেতর দিয়ে ইঁদুরের গর্ত থাকায় সেখান দিয়ে পানি গিয়ে এমনটা হয়েছে।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে উপজেলার ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের পূর্ব পাড়ায় ঝোড়ো বাতাসে চারটি পরিবারের ৬টি টিনের ঘর ভেঙে গেছে। অনেক ঘরের চালের টিন উড়ে গেছে। বাতাসে বড় গাছ পড়ে ঘর ভেঙে গেছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
বিষ্ণুপুর গ্রামের মজনু, ইউছুব, ইঊনুছ ও শহীদের ৬টি টিনের ঘর ভেঙে গেছে। বৈদ্যুতিক তারের ওপর গাছ পরার কারণে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্ধ ছিল।
আজ শুক্রবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভেঙে যাওয়া ঘর মেরামত করছে স্ব স্ব পরিবারের সদস্যরা। ভেঙে পড়া গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। অন্যদিকে দুই দিনব্যাপী বিরামহীন ভারী বর্ষণে উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি জমে অনেকেই পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়া চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার খাল-বিল, পুকুর পানিতে ভরে গেছে।
বিষ্ণুপুর গ্রামের মজনু জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিকট শব্দ হয়ে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ঘর ও গাছ ভেঙে পড়ে ও বিদ্যুতের লাইন বন্ধ হয়ে যায়।
কাশিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাজিবুল হাসান সুজন বলেন, ভাঙা এ সড়কের জন্য যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেলস্টেশনে যাওয়ার জন্য রাস্তার ডান পাশে জায়গা রয়েছে। পাশ দিয়ে একটু সাবধানে যেতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, ‘রেল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। খুব দ্রুতই এটা ঠিক করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে