
চাটমোহরে সেচসাশ্রয়ী আউশ ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। কৃষি বিভাগও বলছে, আগাম বৃষ্টিপাতের কারণে সেচখরচ কমেছে এবং রোগ-পোকার আক্রমণও কম—এসব কারণে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়া যাবে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলে ১ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আউশের চাষ হয়েছে। বোনা আউশের পাশাপাশি রোপা আউশের পরিমাণও বেড়েছে।
আফরাতপাড়া গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন জানান, তিনি ১০ বিঘা জমিতে আউশ ধান আবাদ করেছেন। বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে বিঘায় ২০ মণের বেশি ফলন পাব বলে আশা করছি।’
ভাদড়া গ্রামের কৃষক আলহাজ মহররম হোসেন বলেন, ‘আউশ চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। আমি ব্রি-৮৫ জাতের ধানের চাষ করেছি, রাজস্ব প্রকল্পের প্রদর্শনী হওয়ায় ফলনও ভালো হবে।’

বিলকুড়ুলিয়া গ্রামের কৃষক আবদুর রহিম বলেন, ‘৬ বিঘা জমিতে আউশ আবাদ করেছি। ফলন ভালো হলে এবং ন্যায্য দাম পেলে লাভবান হব।’
উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি মৌসুমে তেমন কোনো রোগ-পোকার আক্রমণ হয়নি। কৃষকেরা আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করছেন, তাই ভালো ফলন পাবেন।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কুন্তলা ঘোষ জানান, ‘চলতি মৌসুমে উফশী জাতের আউশ ধানের চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে। প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ১০০ কৃষকের মধ্যে বিনা মূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকেরা লাভবান হবেন।’

খুলনা মহনগরীর নিজ খামার এলাকা থেকে ৫টি অস্ত্র, ৯৬টি গুলিসহ সুরাইয়া নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁকে আটক করা হয়। আটক ওই নারী সাতক্ষীরা সদর এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পর ডা. রেজওয়ানা রশিদ বাসা থেকে হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এ সময় মন্ত্রী তাঁর অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে তিনি ছুটিতে থাকার কথা জানান। তবে ছুটির কোনো অনুমোদিত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার বিকেলে শিশুটিকে খালি ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়েছিলেন। কিছু সময় পর ঘরে এসে দেখেন মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে, আর তার নিম্নাঙ্গ থেকে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
২ ঘণ্টা আগে
মামলার আসামি সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানকে ধিক্কার জানিয়ে ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমার মাসুম বাচ্চাকে দুধ খাওয়া থেকেও তোমরা বঞ্চিত করেছ। আমার স্ত্রী ওই চেয়ারে বসে এক দিনও শান্তি পায়নি।’
২ ঘণ্টা আগে