চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর চাটখিলে মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে পাকা ধান। এতে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। এর মধ্যে পাকা ধান কাটা শুরু হয়েছে। চলছে পাকা ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার মৌসুমের শুরুতেই খুব একটা বৃষ্টি হয়নি। খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি থাকায় জমিতে পানি দিতে পেরেছেন কৃষকেরা। তবে জ্বালানি তেলের দাম বেশি হওয়ায় ধান উৎপাদনে বাড়তি খরচ হয়েছে। আগে এক বিঘা জমিতে সেচের খরচ হইতো ১ হাজার ৫০০ টাকার মতো, কিন্তু এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার টাকার বেশি। এ ছাড়া ধান কাটার ও মাড়াইয়ের কামলা খরচ বেড়েছে গত বছরের চাইতে অনেক বেশি। এসব কারণে বোরো ধান উৎপাদনে খরচ বেড়েছে।
এ বিষয়ে রাজ্জাকপুর গ্রামের কৃষক কবির হোসেন জানান, এ বছর বৃষ্টি তেমন হয়নি, যে কারণে গত বছরের চেয়ে এবার সেচ খরচ বেশি হয়েছে। আগাছা নিড়ানি, মাটি কাছলানি, পরিমাণমতো সার-কীটনাশক দিতে গিয়ে ব্যয় বেড়েছে। তবে আমাদের এলাকার প্রতিটি মাঠে এখন পাকা ধান বাতাসে দোল খাচ্ছে। এবার অন্য বছরের তুলনায় ফলন ভালো হয়েছে। মাঠের দিকে চোখ পড়লে মনটা আনন্দে ভরে যায়।
খালিশপাড়া গ্রামের বর্গাচাষি কামাল হোসেন জানান, ‘সরকার এখনো ধান কেনা শুরু করেনি। গত বছর ১ হাজার ৮০ টাকা মণ হিসেবে ধান কিনেছিল সরকার। এবার গতবারের দামে ধান কিনলে আমাদের লোকসান হবে।’
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার প্রায় সব এলাকায় হাইব্রিড ধান ও স্থানীয় বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে। উপজেলার প্রায় ৩ হাজার কৃষককে সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭ হাজার ৭০০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে আবাদ করা হয়েছে ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমি।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানান, গ্রামে গ্রামে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ফলে গতবারের তুলনায় এ বছর ধানের ভালো উৎপাদন হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘আমরা এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছি। কৃষকের স্বপ্নের সোনালি ফসল ঘরে তোলা শুরু হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে ধান কেনার ব্যাপারে সরকারের নির্দেশনা অচিরেই ঘোষণা দেওয়া হবে।’

নোয়াখালীর চাটখিলে মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে পাকা ধান। এতে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। এর মধ্যে পাকা ধান কাটা শুরু হয়েছে। চলছে পাকা ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার মৌসুমের শুরুতেই খুব একটা বৃষ্টি হয়নি। খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি থাকায় জমিতে পানি দিতে পেরেছেন কৃষকেরা। তবে জ্বালানি তেলের দাম বেশি হওয়ায় ধান উৎপাদনে বাড়তি খরচ হয়েছে। আগে এক বিঘা জমিতে সেচের খরচ হইতো ১ হাজার ৫০০ টাকার মতো, কিন্তু এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার টাকার বেশি। এ ছাড়া ধান কাটার ও মাড়াইয়ের কামলা খরচ বেড়েছে গত বছরের চাইতে অনেক বেশি। এসব কারণে বোরো ধান উৎপাদনে খরচ বেড়েছে।
এ বিষয়ে রাজ্জাকপুর গ্রামের কৃষক কবির হোসেন জানান, এ বছর বৃষ্টি তেমন হয়নি, যে কারণে গত বছরের চেয়ে এবার সেচ খরচ বেশি হয়েছে। আগাছা নিড়ানি, মাটি কাছলানি, পরিমাণমতো সার-কীটনাশক দিতে গিয়ে ব্যয় বেড়েছে। তবে আমাদের এলাকার প্রতিটি মাঠে এখন পাকা ধান বাতাসে দোল খাচ্ছে। এবার অন্য বছরের তুলনায় ফলন ভালো হয়েছে। মাঠের দিকে চোখ পড়লে মনটা আনন্দে ভরে যায়।
খালিশপাড়া গ্রামের বর্গাচাষি কামাল হোসেন জানান, ‘সরকার এখনো ধান কেনা শুরু করেনি। গত বছর ১ হাজার ৮০ টাকা মণ হিসেবে ধান কিনেছিল সরকার। এবার গতবারের দামে ধান কিনলে আমাদের লোকসান হবে।’
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার প্রায় সব এলাকায় হাইব্রিড ধান ও স্থানীয় বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে। উপজেলার প্রায় ৩ হাজার কৃষককে সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭ হাজার ৭০০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে আবাদ করা হয়েছে ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমি।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানান, গ্রামে গ্রামে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ফলে গতবারের তুলনায় এ বছর ধানের ভালো উৎপাদন হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘আমরা এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছি। কৃষকের স্বপ্নের সোনালি ফসল ঘরে তোলা শুরু হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে ধান কেনার ব্যাপারে সরকারের নির্দেশনা অচিরেই ঘোষণা দেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে