চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর চাটখিলের বাজারগুলোতে গত ১৫ দিন ধরে হঠাৎ করে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের দামও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এতে বিপাকে পড়ছেন নিম্ন আয়ের ক্রেতারা। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে দাম নিয়ে মনকষাকষি শুরু হয়েছে।
সরেজমিন কয়েকটি বাজার ঘুরে জানা গেছে, মাছের সরবরাহ কম থাকায় ক্রেতারা ব্রয়লার মুরগির দিকে ঝুঁকছে বেশি। এতে গত ১৫ দিনের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০ টাকা হয়েছে। শুধু তাই নয়, খোলা আটা ৩০ থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা, সয়াবিন তেল ১৩০ থেকে বেড়ে ১৭০ টাকা, চিনি ৮০ থেকে বেড়ে ১০০ টাকা, মসুর ডাল মোটা ৮০ থেকে বেড়ে ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ থেকে বেড়ে ৬০ টাকা হয়েছে। এতে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ বিপাকে পড়ছেন।
এ বিষয়ে নিম্ন আয়ের কয়েকজন বলেন, খুব কষ্টে আছি। আয়ের চেয়ে পণ্যের দাম অনেক বেশি।
দিনমজুর আনোয়ার হোসেন বলেন, `দুই দিন ধরে বাড়িতে বাজার নিতে পারি না। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়।'
দশঘরিয়া বাজারে ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বলেন, মুরগির খাদ্য ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৮০০ টাকা হয়েছে। তাই মুরগির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
মুদি ব্যবসায়ী মো. ফারুক হোসেন বলেন, পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। দাম আরও বাড়তে পারে সেই ভয়ে মানুষ অতিরিক্ত জিনিস কিনে রাখছেন। এতে বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে এবং দাম বেড়েছে।
উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. খুরশিদুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি পণ্যের দাম বাড়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এস এম মোসা বলেন, পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ জেলা পর্যায় থেকে করা হয়। এর পরও নিয়মের বাইরে দাম বাড়ার কোনো অভিযোগ এলে বাজারে অভিযান চালানো হবে।

নোয়াখালীর চাটখিলের বাজারগুলোতে গত ১৫ দিন ধরে হঠাৎ করে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের দামও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এতে বিপাকে পড়ছেন নিম্ন আয়ের ক্রেতারা। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে দাম নিয়ে মনকষাকষি শুরু হয়েছে।
সরেজমিন কয়েকটি বাজার ঘুরে জানা গেছে, মাছের সরবরাহ কম থাকায় ক্রেতারা ব্রয়লার মুরগির দিকে ঝুঁকছে বেশি। এতে গত ১৫ দিনের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০ টাকা হয়েছে। শুধু তাই নয়, খোলা আটা ৩০ থেকে বেড়ে ৩৫ টাকা, সয়াবিন তেল ১৩০ থেকে বেড়ে ১৭০ টাকা, চিনি ৮০ থেকে বেড়ে ১০০ টাকা, মসুর ডাল মোটা ৮০ থেকে বেড়ে ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ থেকে বেড়ে ৬০ টাকা হয়েছে। এতে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ বিপাকে পড়ছেন।
এ বিষয়ে নিম্ন আয়ের কয়েকজন বলেন, খুব কষ্টে আছি। আয়ের চেয়ে পণ্যের দাম অনেক বেশি।
দিনমজুর আনোয়ার হোসেন বলেন, `দুই দিন ধরে বাড়িতে বাজার নিতে পারি না। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়।'
দশঘরিয়া বাজারে ব্রয়লার মুরগির ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বলেন, মুরগির খাদ্য ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৮০০ টাকা হয়েছে। তাই মুরগির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
মুদি ব্যবসায়ী মো. ফারুক হোসেন বলেন, পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। দাম আরও বাড়তে পারে সেই ভয়ে মানুষ অতিরিক্ত জিনিস কিনে রাখছেন। এতে বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে এবং দাম বেড়েছে।
উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. খুরশিদুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি পণ্যের দাম বাড়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এস এম মোসা বলেন, পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ জেলা পর্যায় থেকে করা হয়। এর পরও নিয়মের বাইরে দাম বাড়ার কোনো অভিযোগ এলে বাজারে অভিযান চালানো হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে