নোয়াখালী ও চাটখিল প্রতিনিধি

নোয়াখালীর চাটখিলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যকে কুপিয়ে জখম করায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর পিটুনিতে আহাদ আহমেদ হাম্বা (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার ভোরে উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের পশ্চিম নোয়াখলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহত ইউপি সদস্য ওমর ফারুক পাটোয়ারীকে (৪৫) গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখলা গ্রামের বাবর হোসেনের ছেলে আহাদ আহমেদ হাম্বা এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন সময়ে তিনি এলাকায় বিশৃঙ্খলা করতেন। গত রমজানে এসব বিষয়ে এলাকার লোকজন ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ওমর ফারুকের কাছে অভিযোগ নিয়ে গেলে সালিসি বৈঠকের মাধ্যমে হাম্বাকে সতর্ক করেন তিনি।
এলাকাবাসীর ধারণা, ওই কারণে ইউপি সদস্য ফারুকের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন আহাদ। এর জেরে আজ রোববার ভোরে বড় ধারালো ছুরি নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান আহাদ। এ সময় ডাক দিলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন ইউপি সদস্য। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আহাদ ছুরি দিয়ে ওমর ফারুককে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় এগিয়ে গেলে তাঁর ভাগনে সালেহ আহমেদ খানকে (২৪) কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যান আহাদ। পরিবারের লোকজন ইউপি সদস্য ও তাঁর ভাগনেকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ওমর ফারুককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এলাকার লোকজন গিয়ে আহাদের বাড়ি ঘেরাও করে। এ সময় আহাদ সেই ছুরি নিয়ে উপস্থিত লোকজনকে হুমকি দিলে উত্তেজিত জনতা তাঁকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। তাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে নোয়াখলা ইউপি চেয়ারম্যান মো. মানিক বলেন, আহাদ আগে থেকেই মাদকাসক্ত ও বেপরোয়া ছিলেন। রোববার ভোরে তিনি মেম্বারকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী আহাদের বাড়িতে গেলে সেখানে তিনি ছালেহ আহমদ নামের আরেকজনকে জখম করেন। পরে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে আহাদকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তাতে তিনি মারা যান। গুরুতর আহত মেম্বারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে ইউপি সদস্যকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নোয়াখালীর চাটখিলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যকে কুপিয়ে জখম করায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর পিটুনিতে আহাদ আহমেদ হাম্বা (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার ভোরে উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের পশ্চিম নোয়াখলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহত ইউপি সদস্য ওমর ফারুক পাটোয়ারীকে (৪৫) গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখলা গ্রামের বাবর হোসেনের ছেলে আহাদ আহমেদ হাম্বা এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। বিভিন্ন সময়ে তিনি এলাকায় বিশৃঙ্খলা করতেন। গত রমজানে এসব বিষয়ে এলাকার লোকজন ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ওমর ফারুকের কাছে অভিযোগ নিয়ে গেলে সালিসি বৈঠকের মাধ্যমে হাম্বাকে সতর্ক করেন তিনি।
এলাকাবাসীর ধারণা, ওই কারণে ইউপি সদস্য ফারুকের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন আহাদ। এর জেরে আজ রোববার ভোরে বড় ধারালো ছুরি নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান আহাদ। এ সময় ডাক দিলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন ইউপি সদস্য। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আহাদ ছুরি দিয়ে ওমর ফারুককে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় এগিয়ে গেলে তাঁর ভাগনে সালেহ আহমেদ খানকে (২৪) কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যান আহাদ। পরিবারের লোকজন ইউপি সদস্য ও তাঁর ভাগনেকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ওমর ফারুককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এলাকার লোকজন গিয়ে আহাদের বাড়ি ঘেরাও করে। এ সময় আহাদ সেই ছুরি নিয়ে উপস্থিত লোকজনকে হুমকি দিলে উত্তেজিত জনতা তাঁকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। তাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে নোয়াখলা ইউপি চেয়ারম্যান মো. মানিক বলেন, আহাদ আগে থেকেই মাদকাসক্ত ও বেপরোয়া ছিলেন। রোববার ভোরে তিনি মেম্বারকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী আহাদের বাড়িতে গেলে সেখানে তিনি ছালেহ আহমদ নামের আরেকজনকে জখম করেন। পরে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে আহাদকে বেধড়ক পিটুনি দেয়। তাতে তিনি মারা যান। গুরুতর আহত মেম্বারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে ইউপি সদস্যকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪৩ মিনিট আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে