
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ২১টি পরিবারকে সহযোগিতা করেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রাথমিকভাবে পরিবারগুলোকে ঢেউটিন, নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।
শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি গ্রামের ২১টি পরিবারের সদস্যদের হাতে এই সহায়তা তুলে দেন। সহায়তার মধ্যে ছিল প্রতিটি পরিবারের জন্য দুই বান্ডিল ঢেউটিন, নগদ ৬ হাজার টাকা ও শুকনো খাবার।
এ সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন সোহেল, ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মিলন উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার ভোরে ৩-৪ মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবীসিংহপুর, বিষ্ণুপুর ও গোপালপুর গ্রামের ২১টি বসতঘর সম্পূর্ণ এবং ৩০টি ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে আহত হয় অন্তত ১০ জন।

মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১১ মিনিট আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
২১ মিনিট আগে
‘পারিবারিকভাবে বাবা-মা, নানা-নানির সম্মতিতেই আত্মীয়তার মধ্যে বিয়ে হয়েছে। আইন সম্পর্কে জানতাম, তারপরও পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়েটি করেছি। বয়স পূর্ণ হলে সেটি রেজিস্ট্রি করা হবে।’ কথাগুলো বলছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভোরের পাখিচরের অর্ধশতাধিক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন থেকে বাঁচতে বসতঘর সরিয়ে নিচ্ছেন চরবাসী। এদিকে পানি বাড়তে থাকায় তিস্তার চরের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে