কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ পণ্ড করে দিল উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে গত ১০ দিনে চরহাজারী ইউনিয়নে ৩টি বাল্যবিবাহ পণ্ড করেছে প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক মীর।
স্থানীয় ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের এক বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছামিউল ইসলাম। অভিযান চালিয়ে বাল্যবিবাহের সকল আয়োজন পণ্ড করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।
এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসন গত ২১ নভেম্বর একই ইউনিয়নে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক স্কুলছাত্রী এবং ২৪ নভেম্বর আরেক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ পণ্ড করে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, 'বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাল্যবিবাহের আয়োজনের খবর জানতে পারেন। খবর পেয়ে দ্রুত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামকে পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠান। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কন্যার মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রথমে কন্যার বয়স ১৮ বছর দাবি করেন। এরপর মেয়ের বয়স প্রমাণে জন্মসনদ দেখতে চাইলে তারা জন্মসনদের একটি ফটোকপি দেখান। পরবর্তীতে সেটি ভুয়া প্রমাণিত হয়।
কারণ তাদের দেখানো জন্ম সনদটির সত্যতা যাচাইয়ে চরহাজারী ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রারে রেকর্ড অনুযায়ী মেয়ের বয়স ১৫ বছর ৪ মাস ২৫ দিন। এরপর মেয়েকে বাল্যবিবাহ দিচ্ছেন বলে স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক কনের বাবাকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে। একই সঙ্গে বরপক্ষকে ফোন করে বাল্যবিয়েতে আসতে নিষেধ করেন। পরে কনের মা ১৮ বছর আগে তার মেয়েকে বিয়ে দেবেন না এই মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ।'

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ পণ্ড করে দিল উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে গত ১০ দিনে চরহাজারী ইউনিয়নে ৩টি বাল্যবিবাহ পণ্ড করেছে প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক মীর।
স্থানীয় ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের এক বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছামিউল ইসলাম। অভিযান চালিয়ে বাল্যবিবাহের সকল আয়োজন পণ্ড করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।
এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসন গত ২১ নভেম্বর একই ইউনিয়নে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক স্কুলছাত্রী এবং ২৪ নভেম্বর আরেক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ পণ্ড করে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, 'বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে চরহাজারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাল্যবিবাহের আয়োজনের খবর জানতে পারেন। খবর পেয়ে দ্রুত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামকে পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পাঠান। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কন্যার মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা প্রথমে কন্যার বয়স ১৮ বছর দাবি করেন। এরপর মেয়ের বয়স প্রমাণে জন্মসনদ দেখতে চাইলে তারা জন্মসনদের একটি ফটোকপি দেখান। পরবর্তীতে সেটি ভুয়া প্রমাণিত হয়।
কারণ তাদের দেখানো জন্ম সনদটির সত্যতা যাচাইয়ে চরহাজারী ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রারে রেকর্ড অনুযায়ী মেয়ের বয়স ১৫ বছর ৪ মাস ২৫ দিন। এরপর মেয়েকে বাল্যবিবাহ দিচ্ছেন বলে স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিক কনের বাবাকে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে। একই সঙ্গে বরপক্ষকে ফোন করে বাল্যবিয়েতে আসতে নিষেধ করেন। পরে কনের মা ১৮ বছর আগে তার মেয়েকে বিয়ে দেবেন না এই মর্মে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ।'

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪৩ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে