সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিদ্যুতায়িত হয়ে মক্তবের শিক্ষার্থী দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের আস্তানা মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে মসজিদের ইমাম পলাতক রয়েছেন।
নিহত দুজন হলো উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের মোহাম্মদ ফারুক হোসেনের ছেলে মো. জিসান (৯) এবং একই গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে রাহাত হোসেন (১২)। জিসান পূর্ব চরবাটা হাজীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির আর রাহাত চরবাটা ইসমাইলিয়া দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাগর হোসেন বলেন, সকাল ৭টার দিকে মক্তবের শিক্ষক মাওলানা আবু তাহের (ওই মসজিদের ইমাম) রাহাত, জিসান ও সাগরকে মসজিদের ছাদে গাছের ছোট ডালপালা ও ছাদে পড়ে থাকা পাতা কুড়াতে বলেন। সিঁড়ি না থাকায় আমগাছ বেয়ে তারা মসজিদের ছাদে ওঠে। একপর্যায়ে রাহাত ১১ হাজার বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায়। তাকে ছোটাতে গিয়ে জিসানও তারে আটকে যায়। সাগর লাফ দিয়ে নিচে নেমে বিষয়টা জানালে মসজিদের ইমাম ফোন করে বিদ্যুৎ বন্ধ করতে বলেন। বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়ার পর তাদের মসজিদের ছাদ থেকে নামানো হয়।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, নিহত দুই শিশু একই বাড়ির। তারা সম্পর্কে মামা-ভাগনে। মসজিদের ছাদ ঘেঁষে যাওয়া তারে জড়িয়ে শিশু দুটি গুরুতর আহত হয়। একপর্যায়ে তারা নিচে পড়ে গেলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
সুবর্ণচর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির উপব্যবস্থাপক মো. আফজাল হোসেন বলেন, মসজিদ নির্মাণের আগেই বিদ্যুতের লাইন টানা হয়েছে। মসজিদ কমিটি থেকে বৈদ্যুতিক লাইন ঝুঁকিপূর্ণ বলে কখনো জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিদ্যুতায়িত হয়ে মক্তবের শিক্ষার্থী দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের আস্তানা মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে মসজিদের ইমাম পলাতক রয়েছেন।
নিহত দুজন হলো উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের মোহাম্মদ ফারুক হোসেনের ছেলে মো. জিসান (৯) এবং একই গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে রাহাত হোসেন (১২)। জিসান পূর্ব চরবাটা হাজীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির আর রাহাত চরবাটা ইসমাইলিয়া দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাগর হোসেন বলেন, সকাল ৭টার দিকে মক্তবের শিক্ষক মাওলানা আবু তাহের (ওই মসজিদের ইমাম) রাহাত, জিসান ও সাগরকে মসজিদের ছাদে গাছের ছোট ডালপালা ও ছাদে পড়ে থাকা পাতা কুড়াতে বলেন। সিঁড়ি না থাকায় আমগাছ বেয়ে তারা মসজিদের ছাদে ওঠে। একপর্যায়ে রাহাত ১১ হাজার বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায়। তাকে ছোটাতে গিয়ে জিসানও তারে আটকে যায়। সাগর লাফ দিয়ে নিচে নেমে বিষয়টা জানালে মসজিদের ইমাম ফোন করে বিদ্যুৎ বন্ধ করতে বলেন। বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়ার পর তাদের মসজিদের ছাদ থেকে নামানো হয়।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, নিহত দুই শিশু একই বাড়ির। তারা সম্পর্কে মামা-ভাগনে। মসজিদের ছাদ ঘেঁষে যাওয়া তারে জড়িয়ে শিশু দুটি গুরুতর আহত হয়। একপর্যায়ে তারা নিচে পড়ে গেলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
সুবর্ণচর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির উপব্যবস্থাপক মো. আফজাল হোসেন বলেন, মসজিদ নির্মাণের আগেই বিদ্যুতের লাইন টানা হয়েছে। মসজিদ কমিটি থেকে বৈদ্যুতিক লাইন ঝুঁকিপূর্ণ বলে কখনো জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে