নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী সদরে জলাবদ্ধতা দূর করতে বড়পিট ও ভুলুয়া খালের ওপর গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার কালদরাপ, চরমটুয়া ও নোয়াখালী ইউনিয়নে এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় খালের বিভিন্ন অংশে থাকা অবৈধ বাঁধ ও কয়েকটি সড়ক কেটে দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনেওয়াজ তানভীর। এতে সেনাবাহিনী, আনসার, মৎস্য অফিস, এলজিইডি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন বিভাগ, স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্টের ভয়াবহ বন্যার পর তিন মাসের বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধ ছিল সদর উপজেলার বেশির ভাগ এলাকা। এ বছর চলতি মাসের শুরুতে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে আবার পুরো উপজেলায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন।
জলাবদ্ধতার জন্য লোকজন খাল ও জলাশয়গুলোর অবৈধ দখলকে দায়ী করেন। তাঁদের অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানে খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা ও বাঁধ নির্মাণ এবং জাল বসানোর কারণে পানি আটকে থেকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনেওয়াজ তানভীর বলেন, ‘জলাবদ্ধতা দূর করতে বিভিন্ন খালের ওপর থাকা অবৈধ স্থাপনা ও বাঁধগুলো উচ্ছেদে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। গত দুই দিনে বড়পিট ও ভুলুয়া খালের ওপর থাকা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা, বাঁধ ও বাড়ির সড়ক কেটে উচ্ছেদ করেছি। ওই সব স্থান দিয়ে বর্তমানে দ্রুত পানি নেমে নোয়াখালী খাল হয়ে নদীতে যাচ্ছে। খালগুলো দখলমুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

নোয়াখালী সদরে জলাবদ্ধতা দূর করতে বড়পিট ও ভুলুয়া খালের ওপর গড়ে ওঠা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার কালদরাপ, চরমটুয়া ও নোয়াখালী ইউনিয়নে এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় খালের বিভিন্ন অংশে থাকা অবৈধ বাঁধ ও কয়েকটি সড়ক কেটে দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনেওয়াজ তানভীর। এতে সেনাবাহিনী, আনসার, মৎস্য অফিস, এলজিইডি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন বিভাগ, স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় লোকজন সহযোগিতা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্টের ভয়াবহ বন্যার পর তিন মাসের বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধ ছিল সদর উপজেলার বেশির ভাগ এলাকা। এ বছর চলতি মাসের শুরুতে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে আবার পুরো উপজেলায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন।
জলাবদ্ধতার জন্য লোকজন খাল ও জলাশয়গুলোর অবৈধ দখলকে দায়ী করেন। তাঁদের অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানে খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা ও বাঁধ নির্মাণ এবং জাল বসানোর কারণে পানি আটকে থেকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনেওয়াজ তানভীর বলেন, ‘জলাবদ্ধতা দূর করতে বিভিন্ন খালের ওপর থাকা অবৈধ স্থাপনা ও বাঁধগুলো উচ্ছেদে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। গত দুই দিনে বড়পিট ও ভুলুয়া খালের ওপর থাকা শতাধিক অবৈধ স্থাপনা, বাঁধ ও বাড়ির সড়ক কেটে উচ্ছেদ করেছি। ওই সব স্থান দিয়ে বর্তমানে দ্রুত পানি নেমে নোয়াখালী খাল হয়ে নদীতে যাচ্ছে। খালগুলো দখলমুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তিস্তা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ভূরাজনৈতিক চাপ নেই। এটি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রকল্প এবং চীন এতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আজ সোমবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া সেতু পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
৬ মিনিট আগে
নাটোর আদালত প্রাঙ্গণে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধজনিত মামলার জেরে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে আদালত চত্বরে এ সংঘর্ষ হয়।
৯ মিনিট আগে
পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তিস্তা নদীর সমস্যা সমাধানে অন্তর্বর্তী সরকার একটি টেকসই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার গাজীর ঘাটে নদী পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
৯ মিনিট আগে
মাদারীপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অভিযান চালিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দিনব্যাপী মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর, মোস্তফাপুর, কলাবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান চালায় মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানা-পুলিশ।
১৩ মিনিট আগে