কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নে ছেলের সঙ্গে প্রতিপক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে হৃৎক্রিয়া বন্ধ হয়ে মো. শাহ আলম (৬২) নামের এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান তিনি। এর আগে ওই দিন বিকেল পাঁচটার দিকে চরপার্বতী ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদীর ওপর নবনির্মিত কাঠের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় হৃৎক্রিয়া বন্ধ হয়ে অসুস্থ হয়ে পরেন তিনি।
মৃত মো. শাহ আলম চরহাজারী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য ও মৃত মমিন উল্লাহর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা বলছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ছোট ফেনী নদীর কাঠের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় যুবক ফাহাদের চাচাতো ভাই মানিক বিভিন্ন মেয়েদের ছবি তোলে। তা দেখে বাধা দেয় ইউপি সদস্য শাহ আলমের ছেলে শাহীন (২৪)। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে মানিকের জ্যাঠাতো ভাই ফাহাদ (৩২) তাঁর দলবল নিয়ে ইউপি সদস্য শাহ আলমের ছেলে শাহীনসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ফাহাদের হাতে একটি দেশীয় বন্দুক ও অন্যদের হাতে রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র দেখা যায়। পরে ইউপি সদস্যের ছেলে শাহীনের বন্ধুবান্ধবেরা একত্রিত হয়ে ফাহাদ ও তাঁর দলবলকে ধাওয়া করে। ছেলের সঙ্গে প্রতিপক্ষের মারামারির খবর পেয়ে ইউপি সদস্য শাহ আলম ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ফাহাদদের গ্রুপের কয়েকজন তাঁকে ধাক্কা দেয়। এ সময় তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং তখন তাঁর বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করার কথা জানালে সিএনজিতে তাঁকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রাতে তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নে ছেলের সঙ্গে প্রতিপক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে হৃৎক্রিয়া বন্ধ হয়ে মো. শাহ আলম (৬২) নামের এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা যান তিনি। এর আগে ওই দিন বিকেল পাঁচটার দিকে চরপার্বতী ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদীর ওপর নবনির্মিত কাঠের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় হৃৎক্রিয়া বন্ধ হয়ে অসুস্থ হয়ে পরেন তিনি।
মৃত মো. শাহ আলম চরহাজারী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য ও মৃত মমিন উল্লাহর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা বলছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ছোট ফেনী নদীর কাঠের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় যুবক ফাহাদের চাচাতো ভাই মানিক বিভিন্ন মেয়েদের ছবি তোলে। তা দেখে বাধা দেয় ইউপি সদস্য শাহ আলমের ছেলে শাহীন (২৪)। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে মানিকের জ্যাঠাতো ভাই ফাহাদ (৩২) তাঁর দলবল নিয়ে ইউপি সদস্য শাহ আলমের ছেলে শাহীনসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ফাহাদের হাতে একটি দেশীয় বন্দুক ও অন্যদের হাতে রামদাসহ বিভিন্ন অস্ত্র দেখা যায়। পরে ইউপি সদস্যের ছেলে শাহীনের বন্ধুবান্ধবেরা একত্রিত হয়ে ফাহাদ ও তাঁর দলবলকে ধাওয়া করে। ছেলের সঙ্গে প্রতিপক্ষের মারামারির খবর পেয়ে ইউপি সদস্য শাহ আলম ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ফাহাদদের গ্রুপের কয়েকজন তাঁকে ধাক্কা দেয়। এ সময় তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং তখন তাঁর বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করার কথা জানালে সিএনজিতে তাঁকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রাতে তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে