নোয়াখালী প্রতিনিধি

ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে অবস্থানরত ৩০ হাজার রোহিঙ্গাকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এ জন্য নোয়াখালীতে সংস্থাটির পাঁচ শতাধিক প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জেলা ইউনিটের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন। তিনি জানান, অতীতে যেকোনো দুর্যোগে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকেরা মানুষের পাশে ছিল। আসন্ন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবীরা বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এবারের ঘূর্ণিঝড়ে নোয়াখালী অঞ্চলের বড় চ্যালেঞ্জ ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দেওয়া। আমরা সে লক্ষ্যে রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি। জরুরি পরিস্থিতিতে ভাসানচরের ২০ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে রাখার মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য তাঁবুসহ অন্য সরঞ্জামাদি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আবহাওয়া অফিসের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। ৩ নম্বর সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা কাজে নেমে পড়বেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নোয়াখালী জেলা ইউনিটের উপপরিচালক নুরুল করিম, যুব প্রধান সানুচিং মারমা বীথি, আরাফাত রহমান তামিম প্রমুখ।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলা ও দুর্যোগ-পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জেলা প্রশাসনসহ সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের বিষয়ে প্রস্তুতি সভা করা হয়। সভায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান সভাপতিত্ব করেন।

ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে অবস্থানরত ৩০ হাজার রোহিঙ্গাকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এ জন্য নোয়াখালীতে সংস্থাটির পাঁচ শতাধিক প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জেলা ইউনিটের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন। তিনি জানান, অতীতে যেকোনো দুর্যোগে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকেরা মানুষের পাশে ছিল। আসন্ন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবীরা বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এবারের ঘূর্ণিঝড়ে নোয়াখালী অঞ্চলের বড় চ্যালেঞ্জ ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দেওয়া। আমরা সে লক্ষ্যে রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি। জরুরি পরিস্থিতিতে ভাসানচরের ২০ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে রাখার মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য তাঁবুসহ অন্য সরঞ্জামাদি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আবহাওয়া অফিসের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। ৩ নম্বর সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা কাজে নেমে পড়বেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নোয়াখালী জেলা ইউনিটের উপপরিচালক নুরুল করিম, যুব প্রধান সানুচিং মারমা বীথি, আরাফাত রহমান তামিম প্রমুখ।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলা ও দুর্যোগ-পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জেলা প্রশাসনসহ সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের বিষয়ে প্রস্তুতি সভা করা হয়। সভায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান সভাপতিত্ব করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে