
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান ওরফে কানা মিজান (৩৬) নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। নিহত যুবক আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে কালিরহাট বাজার থেকে পুলিশ নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মিজানুর রহমান নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ফরাজী বাজার এলাকার শহীদ উল্লার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মিজান ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। কবিরহাটের চাপরাশিরহাটসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কালিরহাট বাজার-সংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনে মিজানকে দেখতে পেয়ে গণপিটুনি দেয় অজ্ঞাতপরিচয় একদল লোক। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঞা বলেন, ‘মিজানের মরদেহের চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা রক্তমাখা অনেকগুলো লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও তাঁর কোমরে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু পাওয়া গেছে।’
নিজাম উদ্দিন আরও জানান, মিজান ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি এলাকায় মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে টাকা আদায় করতেন। তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বান্দরবানের থানচি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে মিয়ানমারের দুই নারী ও তাদের এক বাংলাদেশি সহযোগীকে আটক করেছে বিজিবি। পরে থানচি থানা পুলিশের করা মামলায় তিনজনকে বান্দরবান জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
২৭ মিনিট আগে
আজ রাতে কাওরাইদ বাজার থেকে অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন সামাদ মৃধা। পথে হঠাৎ অসুস্থতা বোধ করেন এবং অটোরিকশা থেকে সড়কে ছিটকে পড়েন। এতে তিনি মাথায় প্রচণ্ড আঘাত প্রাপ্ত হন।
২৯ মিনিট আগে
নরসিংদীর মাধবদীতে তিন মাস বয়সী এক শিশুকে নির্যাতন করে পায়ে মোচড় দেওয়ার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি ফারজানা আক্তারকে (লতা) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-১১-এর সিপিএসসি নরসিংদীর একটি দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
৩৩ মিনিট আগে
আজ দুপুরে মোল্লাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে ছেলে নুরুজ্জামনকে সঙ্গে নিয়ে মাটির ঘরে কাঠের দরজা সংস্কারের কাজ করছিলেন বাবা শরিফুল ইসলাম। এ সময় দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শরিফুল ইসলাম কাছে থাকা একটি শাবল দিয়ে নুরুজ্জামানের মাথায় আঘাত করেন।
১ ঘণ্টা আগে