জসিম উদ্দিন, নীলফামারী

নীলফামারীর সৈয়দপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের কৃষক অহিদুল ইসলাম উন্নত জাতের টমেটো আবাদে মিলছে আশানুরূপ ফলন। তিনি এ টমেটো চাষাবাদে তাঁর ব্যয়ের তিন থেকে চারগুণ বেশি লাভের আশা করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ অসুরখাই সরকারপাড়া গ্রামের কৃষক অহিদুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি একজন জনপ্রতিনিধিও। তাঁর বাড়ি সংলগ্ন ২০ শতক জমিতে উচ্চমূল্য ও নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রদর্শনী প্লটে উন্নত বাহুবলী জাতের টমেটো আবাদ করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় ওই টমেটো আবাদ করা হয়েছে।
উল্লিখিত প্রকল্প থেকে কৃষক অহিদুল ইসলামকে টমেটো চাষের প্রয়োজনীয় বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়। বিগত ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর জমিতে ওই টমেটোর চারা রোপণ করেন তিনি। কৃষক অহিদুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সার্বিক পরিচর্যায় এবং সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা ও তদারকিতে চারা রোপণে পর নির্দিষ্ট সময়ে টমেটো খেতে ফলন আসেন।
বিপুলসংখ্যক টমেটো ধরেছে প্রতিটি টমেটো গাছে। আর এরপর ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে গাছের টমেটোগুলো খাবার উপযোগী হয়ে উঠে। সেই থেকে কৃষক অহিদুল প্রতি সপ্তাহে দুই দিন করে খেত থেকে টমেটো উত্তোলন করে বাজারে বিক্রি করে আসছেন। খেত থেকে ২০০ কেজিরও বেশি টমেটো মিলছে একদিনেই।
আজ শুক্রবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষক অহিদুলে খেত থেকে পরিবারের সদস্যরা টমেটো তুলছেন। গাছ থেকে টমেটো তুলে প্লাস্টিকের ক্যারেটে রাখা হচ্ছে। ওই দিন তাঁর খেত থেকে টমেটো তুলে সেসব ১১টি প্লাস্টিকের ক্যারেটে ভর্তি করা হয়েছে। প্রতিটি ক্যারেটে ২১–২২ কেজি করে টমেটো রয়েছে। সে হিসেবে ওই দিন প্রায় ২৩০ কেজি থেকে ২৪০ কেজি পর্যন্ত টমেটো মিলেছে তাঁর খেত থেকে।
কৃষক অহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, টমেটো আবাদে জৈব সার ব্যবহার করা হয়। কোনো রকম রাসায়নিক সার কিংবা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। আর পোকামাকড়ের উপদ্রব থেকে টমেটো খেত বাঁচাতে ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করেছেন। তাঁর ২০ শতক জমিতে টমেটো চাষে ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। তিনি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার টমেটো বাজারে বিক্রি করেছেন ইতিমধ্যে। আর তাঁর টমেটো খেত থেকে চলতি মার্চ ও আগামী এপ্রিল মাস পর্যন্ত টমেটোর ফলন এবং টমেটো আবাদের খরচের চেয়ে ৪–৫ গুন টাকা বেশি টাকার টমেটো বিক্রি করে আসবে বলে আশা করছেন তিনি।
সম্প্রতি কৃষক অহিদুলের টমেটো খেত পরিদর্শন করেছেন রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটেড ডিরেক্টর ড. মো. আব্দুস সালাম, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইএসডিবি) ঢাকা রিজিয়ন হাব এর অপারেশন টিম লিডার নাসের মোহাম্মদ ইয়াকুবু, প্রজেক্ট অর্ডিনেটর (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, এলজিইডি) কান্তেশ্বর বর্মা, সিনিয়র মনিটরিং অফিসার আবু ফাত্তাহ মো. রওশন কবিরসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় প্রকল্পের কর্মকর্তারা কৃষক অহিদুলের টমেটো খেত ও ফলন দেখে সন্তোষ প্রকাশ এবং প্রশংসা করেন। সেই সঙ্গে তারা টমেটো চাষাবাদ ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ধীমান ভূষণ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. সালাহউদ্দিন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ মমিনুর মোস্তফা জামান, কৃষি উদ্যোক্তা মো. আহসান উল-হক বাবু, মো. মাজাহ্রাল ইসলাম মিজু বসুনিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নীলফামারীর সৈয়দপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের কৃষক অহিদুল ইসলাম উন্নত জাতের টমেটো আবাদে মিলছে আশানুরূপ ফলন। তিনি এ টমেটো চাষাবাদে তাঁর ব্যয়ের তিন থেকে চারগুণ বেশি লাভের আশা করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ অসুরখাই সরকারপাড়া গ্রামের কৃষক অহিদুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি একজন জনপ্রতিনিধিও। তাঁর বাড়ি সংলগ্ন ২০ শতক জমিতে উচ্চমূল্য ও নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রদর্শনী প্লটে উন্নত বাহুবলী জাতের টমেটো আবাদ করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতায় ওই টমেটো আবাদ করা হয়েছে।
উল্লিখিত প্রকল্প থেকে কৃষক অহিদুল ইসলামকে টমেটো চাষের প্রয়োজনীয় বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়। বিগত ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর জমিতে ওই টমেটোর চারা রোপণ করেন তিনি। কৃষক অহিদুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সার্বিক পরিচর্যায় এবং সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা ও তদারকিতে চারা রোপণে পর নির্দিষ্ট সময়ে টমেটো খেতে ফলন আসেন।
বিপুলসংখ্যক টমেটো ধরেছে প্রতিটি টমেটো গাছে। আর এরপর ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে গাছের টমেটোগুলো খাবার উপযোগী হয়ে উঠে। সেই থেকে কৃষক অহিদুল প্রতি সপ্তাহে দুই দিন করে খেত থেকে টমেটো উত্তোলন করে বাজারে বিক্রি করে আসছেন। খেত থেকে ২০০ কেজিরও বেশি টমেটো মিলছে একদিনেই।
আজ শুক্রবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষক অহিদুলে খেত থেকে পরিবারের সদস্যরা টমেটো তুলছেন। গাছ থেকে টমেটো তুলে প্লাস্টিকের ক্যারেটে রাখা হচ্ছে। ওই দিন তাঁর খেত থেকে টমেটো তুলে সেসব ১১টি প্লাস্টিকের ক্যারেটে ভর্তি করা হয়েছে। প্রতিটি ক্যারেটে ২১–২২ কেজি করে টমেটো রয়েছে। সে হিসেবে ওই দিন প্রায় ২৩০ কেজি থেকে ২৪০ কেজি পর্যন্ত টমেটো মিলেছে তাঁর খেত থেকে।
কৃষক অহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, টমেটো আবাদে জৈব সার ব্যবহার করা হয়। কোনো রকম রাসায়নিক সার কিংবা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি। আর পোকামাকড়ের উপদ্রব থেকে টমেটো খেত বাঁচাতে ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করেছেন। তাঁর ২০ শতক জমিতে টমেটো চাষে ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। তিনি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার টমেটো বাজারে বিক্রি করেছেন ইতিমধ্যে। আর তাঁর টমেটো খেত থেকে চলতি মার্চ ও আগামী এপ্রিল মাস পর্যন্ত টমেটোর ফলন এবং টমেটো আবাদের খরচের চেয়ে ৪–৫ গুন টাকা বেশি টাকার টমেটো বিক্রি করে আসবে বলে আশা করছেন তিনি।
সম্প্রতি কৃষক অহিদুলের টমেটো খেত পরিদর্শন করেছেন রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটেড ডিরেক্টর ড. মো. আব্দুস সালাম, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইএসডিবি) ঢাকা রিজিয়ন হাব এর অপারেশন টিম লিডার নাসের মোহাম্মদ ইয়াকুবু, প্রজেক্ট অর্ডিনেটর (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, এলজিইডি) কান্তেশ্বর বর্মা, সিনিয়র মনিটরিং অফিসার আবু ফাত্তাহ মো. রওশন কবিরসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় প্রকল্পের কর্মকর্তারা কৃষক অহিদুলের টমেটো খেত ও ফলন দেখে সন্তোষ প্রকাশ এবং প্রশংসা করেন। সেই সঙ্গে তারা টমেটো চাষাবাদ ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ধীমান ভূষণ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. সালাহউদ্দিন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ মমিনুর মোস্তফা জামান, কৃষি উদ্যোক্তা মো. আহসান উল-হক বাবু, মো. মাজাহ্রাল ইসলাম মিজু বসুনিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রীপুরে গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় বাসের সহকারীর হাত বিচ্ছিন্ন ও এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তবে তাঁদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
১৯ মিনিট আগে
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা। এটি বাস্তবায়নের জন্য এখন চীনের সম্মতির অপেক্ষা। ইতিমধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র চীনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
এবার প্রাণনাশের হুমকির কথা জানিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা। তিনি জানান, গতকাল শনিবার থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
৪২ মিনিট আগে
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, সুন্দর সমাজ চাইলে, নতুন প্রজন্মের সুরক্ষা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ চাইলে সংস্কারের পক্ষে থাকতে হবে। সংস্কারের পক্ষে থাকলেই দেশ বদলানো যাবে। দেশটাকে পাল্টে দিতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে