নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডোমার মহিলা ডিগ্রি কলেজকেন্দ্রে চলছে ডিগ্রি (পাশ) তৃতীয় বর্ষের চুড়ান্ত পরীক্ষা। পরীক্ষাকেন্দ্রে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিতে আসনবিন্যাসে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় কলেজ অধ্যক্ষকে শোকজ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল আলম।
গতকাল বুধবার কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হলেও আজ (বৃহস্পতিবার) সেটি জানাজানি হয়। এতে তিন কর্মদিবসের মধ্যে অধ্যক্ষকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি একটি সংস্থা থেকে প্রাপ্ত গোপনীয় তথ্যের প্রেক্ষিতে কলেজের দুজন শিক্ষককে পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার অনুরোধ করা হয়। সে প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ওই দুই শিক্ষককে পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার অঙ্গীকার করেন। এরপরও তাদের একজনকে কেন্দ্রের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও অপরজনকে কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ওই দিনের আসনবিন্যাস পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, কয়েকটি রোল নম্বরের পরীক্ষার্থীদের (১০২ নম্বর) নির্ধারিত কক্ষে না রেখে সিরিয়াল ভঙ্গ করে (১০৩ নম্বর) অন্য কক্ষে আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা অস্বাভাবিক।
তথ্য মতে, ওই পরীক্ষাকেন্দ্রের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৩ জন। গত ২৫ নভেম্বর ইংরেজী আবশ্যিক বিষয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পরীক্ষা। সেদিন পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাস করা হয় তিনটি কক্ষে। এর মধ্যে ১০১ নম্বর কক্ষে ৪৩ জন, ১০২ নম্বর কক্ষে ৩৫ জন এবং ১০৩ নম্বর কক্ষে ২৫ জন।
অধ্যক্ষের স্বাক্ষর করা গত ২৫ নভেম্বর ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষার আসনবিন্যাস থেকে দেখা গেছে, ১০২ নম্বর কক্ষে রোল নম্বর শুরু হয়েছে ২২৬১৩৪৩ থেকে। ৩৫ সংখ্যার কক্ষে শেষ হওয়ার কথা ২২৬১৩৭৭ রোল নম্বরে। কিন্তু সেখানে সর্বশেষ রোল নম্বর দেখা গেছে ২২৬১৩৮২ পর্যন্ত। কারণ দর্শানোর নোটিশে কয়েক পরীক্ষার্থীকে বিশেষ সুবিধা দিতে সিরিয়াল ভঙ্গ করে ১০৩ নম্বর কক্ষে নেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবকের অভিযোগ, কেন্দ্র থাকার সুবাদে বিভিন্ন পরীক্ষায় অধ্যক্ষের যোগসাজশে অনৈতিকভাবে সুবিধা করে দেওয়ার প্রতিযোগিতায় নামে কলেজের একটি চক্র। অর্থের বিনিময়ে ওই চক্রটি এসব কাজ করছে। এ কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শ উপেক্ষা করে অধ্যক্ষ এবারও সেটিই করেছেন। এ কাজে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন তারা।
জানতে চাইলে ডোমার মহিলা ডিগ্রি কলজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) লতিফুল মোন্তাকীম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার রিলেটিভ অসুস্থ হওয়ায় দুই দিন ধরে রংপুরে আছি। কোনো চিঠি এসেছে কিনা সেটি আমার জানা নেই।’

নীলফামারীর ডোমার মহিলা ডিগ্রি কলেজকেন্দ্রে চলছে ডিগ্রি (পাশ) তৃতীয় বর্ষের চুড়ান্ত পরীক্ষা। পরীক্ষাকেন্দ্রে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিতে আসনবিন্যাসে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় কলেজ অধ্যক্ষকে শোকজ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল আলম।
গতকাল বুধবার কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হলেও আজ (বৃহস্পতিবার) সেটি জানাজানি হয়। এতে তিন কর্মদিবসের মধ্যে অধ্যক্ষকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি একটি সংস্থা থেকে প্রাপ্ত গোপনীয় তথ্যের প্রেক্ষিতে কলেজের দুজন শিক্ষককে পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার অনুরোধ করা হয়। সে প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ওই দুই শিক্ষককে পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার অঙ্গীকার করেন। এরপরও তাদের একজনকে কেন্দ্রের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও অপরজনকে কক্ষ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ওই দিনের আসনবিন্যাস পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, কয়েকটি রোল নম্বরের পরীক্ষার্থীদের (১০২ নম্বর) নির্ধারিত কক্ষে না রেখে সিরিয়াল ভঙ্গ করে (১০৩ নম্বর) অন্য কক্ষে আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা অস্বাভাবিক।
তথ্য মতে, ওই পরীক্ষাকেন্দ্রের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৩ জন। গত ২৫ নভেম্বর ইংরেজী আবশ্যিক বিষয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পরীক্ষা। সেদিন পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাস করা হয় তিনটি কক্ষে। এর মধ্যে ১০১ নম্বর কক্ষে ৪৩ জন, ১০২ নম্বর কক্ষে ৩৫ জন এবং ১০৩ নম্বর কক্ষে ২৫ জন।
অধ্যক্ষের স্বাক্ষর করা গত ২৫ নভেম্বর ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষার আসনবিন্যাস থেকে দেখা গেছে, ১০২ নম্বর কক্ষে রোল নম্বর শুরু হয়েছে ২২৬১৩৪৩ থেকে। ৩৫ সংখ্যার কক্ষে শেষ হওয়ার কথা ২২৬১৩৭৭ রোল নম্বরে। কিন্তু সেখানে সর্বশেষ রোল নম্বর দেখা গেছে ২২৬১৩৮২ পর্যন্ত। কারণ দর্শানোর নোটিশে কয়েক পরীক্ষার্থীকে বিশেষ সুবিধা দিতে সিরিয়াল ভঙ্গ করে ১০৩ নম্বর কক্ষে নেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবকের অভিযোগ, কেন্দ্র থাকার সুবাদে বিভিন্ন পরীক্ষায় অধ্যক্ষের যোগসাজশে অনৈতিকভাবে সুবিধা করে দেওয়ার প্রতিযোগিতায় নামে কলেজের একটি চক্র। অর্থের বিনিময়ে ওই চক্রটি এসব কাজ করছে। এ কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শ উপেক্ষা করে অধ্যক্ষ এবারও সেটিই করেছেন। এ কাজে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন তারা।
জানতে চাইলে ডোমার মহিলা ডিগ্রি কলজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) লতিফুল মোন্তাকীম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার রিলেটিভ অসুস্থ হওয়ায় দুই দিন ধরে রংপুরে আছি। কোনো চিঠি এসেছে কিনা সেটি আমার জানা নেই।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে