নীলফামারী ও ডিমলা প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ শনিবার সকাল ৬টায় ওই পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির প্রবাহ ৫২ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার পরিমাপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এই মৌসুমে এই পয়েন্টে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হলো।
জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, তিস্তার নদীর পানি বাড়ার কারণে উপজেলার প্রায় ১০টি চরাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র বলছে, উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। সকাল ৬টায় তিস্তার ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরে কমে গিয়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
এ বিষয়ে উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান ও টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম জানান, তিস্তার পানি বাড়ার কারণে নদী অববাহিকার ১০টি চরাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া গত কয়েক দিন ধরে নদীর পানি ওঠানামায় এসব চরাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফা-উদ-দৌলা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উজানে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা এই মৌসুমে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি সর্বোচ্চ বিপৎসীমা অতিক্রম করল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখায় দ্রুত এই পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। এ ছাড়া পানি বাড়ার কারণে সতর্কাবস্থায় রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।’

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ শনিবার সকাল ৬টায় ওই পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির প্রবাহ ৫২ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার পরিমাপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এই মৌসুমে এই পয়েন্টে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হলো।
জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, তিস্তার নদীর পানি বাড়ার কারণে উপজেলার প্রায় ১০টি চরাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র বলছে, উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। সকাল ৬টায় তিস্তার ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরে কমে গিয়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
এ বিষয়ে উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান ও টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম জানান, তিস্তার পানি বাড়ার কারণে নদী অববাহিকার ১০টি চরাঞ্চলের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া গত কয়েক দিন ধরে নদীর পানি ওঠানামায় এসব চরাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফা-উদ-দৌলা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উজানে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা এই মৌসুমে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি সর্বোচ্চ বিপৎসীমা অতিক্রম করল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখায় দ্রুত এই পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। এ ছাড়া পানি বাড়ার কারণে সতর্কাবস্থায় রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে